প্রসাব এ সমস্যা।প্রসাব প্রচুর হলুদ হয়?

আমার কিছু দিন যাবত প্রসাব এ সমস্যা হচ্ছে. কয়েকদিন রোদ এর মধ্যে ফুটবল খেলার পর কিছু সমসায় ভুগতেসি। ১।প্রসাব প্রচুর হলুদ হয় আর মাঝে মাঝে জালাপোড়া করে। ২।প্রসাব যত হলুদ হয় চোখ তত  জালাপোড়া করে ৩।রাতে অনেক পানি পান করে সকালে প্রসাব ঘোলা হলুদ হয়। ৪।মসলা দার বার বা মাংস খেলে শরির আঠা আঠা হয়ে যায় আর আর দেহের গরম বেড়ে যায় আর প্রসাব হলুদ এর মাত্রা বেরে যায় দৈনিক ৪/5 লিটার পানি পান করি এখন তাও সমস্যা কমে না। ইউরোলেজি ডাক্তার দেখিয়েছি,ইউরিন, কিডনি আলট্রাসোনো, বিলোরোবিন টেস্ট করিয়েছি কোন সমস্যা নেই।তাহলে এটি কিসের ।
2906 views

3 Answers

1/ ভাই আপনি বেশি করে পানি পান করবেন। প্রতিদিন 7-8গ্লাস। 2/ ভাই আপনি লবন খাবেন না। 3/ ভাই আপনি মশলাজাতীয় খাবার কম খাবেন। 4/ ভাই আপনার জন্ডিস আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখে নিবেন। 5/ ভাই আপনি সপ্তাহে চারদিন গোসল করবেন।

2906 views Answered

সাধারণত এই সমস্যাটি নারী পুরুষ উভয়ের মধ্যে হলেও নারীদের মধ্যে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। ইউরিন ইনফেকশনের লক্ষণসমূহ- * প্রস্রাবে বাজে গন্ধ। * বমি ভাব বা বমি হওয়া। * প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হওয়া। * তলপেটে বা পিঠে তীব্র ব্যথা। * একটু পর পর প্রস্রাব লাগা কিন্তু ঠিক মতো না হওয়া। * প্রস্রাব করার সময় জ্বালা পোড়া বা ব্যথা করা। * সারাক্ষণ জ্বর জ্বর ভাব অথবা কাঁপুনি দিয়ে ঘন ঘন জ্বর হওয়া। যদিও নারীরাই বেশি এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তবুও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে গরমের দিনে খুব সহজেই মূত্রাশয়ের সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। ইউরিনারি ইনফেকশনের অন্যতম লক্ষণ হলো প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, কিডনিতে ব্যথা করা, কোমরে ব্যথা করা, তলপেটে ব্যথা করা ইত্যাদি। তবে কিছু নিয়ম যথাযথ ভাবে মেনে চললে ইউরিনারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করা সম্ভব। ইউরিনারি ইনফেকশন প্রতিরোধের উপায়গুলো- প্রস্রাব আটকে না রাখা বাড়ির বাইরে অনেকেই মূত্রত্যাগ করতে চান না। এই দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখা হতে পারে ইউরিনারি ইনফেকশনের কারণ। প্রস্রাব যদি মূত্রাশয়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়, তাহলে তাতে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রতি ২০ মিনিটে মূত্রস্থিত ই.কলি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর বেশি সংখ্যক ব্যাকটেরিয়া মানে বেশি ব্যথা। তাই নিঃসন্দেহে সেরা উপায় হলো প্রচুর পানি পান করা এবং মূত্রত্যাগের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বের করে দেয়া। প্রচুর পানি পান যেকোনো রোগের প্রতিরোধক হলো প্রচুর পানি পান। ইউরিনারি ইনফেকশনের জন্য এটাই একক এবং সেরা উপায়। অনেকেই ভাবেন সারাক্ষণ তো জ্বালাপোড়া হচ্ছে না, শুধু টয়লেটে গেলেই যা সমস্যা! ফলে টয়লেটে যাওয়া কমিয়ে দেন। এর ফল হয় ভয়াবহ। গবেষণায় জানা গেছে, প্রচুর পানি পান শুধু মূত্রত্যাগের সময় জ্বালাপোড়াই কমায় না, ইউরিনারি ইনফেকশনও দূর করে। যৌন মিলনের আগে ও পরে অনেকেরই দেখা যায় যৌনমিলনের পরে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। মিলনের আগে ও পরে মূত্রত্যাগ করা ইউরিনারি ইনফেকশন রোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। পুরুষের চেয়ে নারী ক্ষেত্রে এটা বেশি কার্যকর। ভিটামিন সি নিয়মিত ভিটামিন সি গ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে ইউরিনারি ইনফেকশনের সম্ভাবনা। দিনে ১০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণে শরীরে যে অম্ল উত্পন্ন হয়, তাতে মূত্রে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিস্তার হ্রাস পায়। গরম পানিতে গোসল ইউরিনারি ইনফেকশনের ফলে সৃষ্ট ব্যথা উপশমে কুসুম গরম পানিতে গোসল অনেকের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। স্বাস্থ্যবিধি পালন সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি পালনের কোনো বিকল্প নেই। ঢিলেঢালা পোশাক পরা, সুতি কাপড়ের অন্তর্বাস ব্যবহার, নিয়মিত গোসল করা, সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ইত্যাদি খুবই জরুরি। ইউরিন ইনফেকশনের বা প্রসাবে সংক্রমনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অবহেলা নয়। চিকিৎসা নিন। খুব অল্প দিনের চিকিৎসাতেই আপনার প্রসাব সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা দূর হয়ে যাবে।আর আপনি ইউরিনেক্স সিরাপ সেবন করতে পারেন।

2906 views Answered

যেহেতু ডাক্তার ও কিছু করতে পারছে না তাই আপনি একটু বিশ্রাম নিন।এছাড়া প্রতিদিন ৩ বেলাই লেবুর শরবত খাবেন।ও পানি বেশি খাবেন তাহলে সমস্যা হবে না

2906 views Answered

Related Questions

Next steps