জাতীয় সঙ্গীত সম্পর্কে ইসলাম কি বলে এটা গাওয়া উচিৎ নাকি উচিৎ নয়?
6 Answers
আল্লাহ বলেছেন, আসমান ও জমিনের মালিক আল্লাহ।"আমার আকাশ আমার বাতাস"**আমার বাতাস বাতাস কোনো মানুষের হতে পারে? না বাসাত মহান আল্লাহর রহমত।আরো অনেক ভূল আছে।জাতীয় সংগীতে।
জাতীয় সংগীত গাওয়াতে আল্লাহর কোন মানা নেই।ইসলাম এটাকে সমর্থন দেয়।কারণ মহানবি সাঃ স্বদেশকে ভালোবাসতেন।এটা আমাদের সুন্নাত।আর জাতীয় সংগীত যেহেতু স্বদেশের স্বাধীনতাই পাওয়া তাই এটাকে ইসলাম সমর্থন দেয়।
ইসলাম একটি পরিপূর্ন জিবনবিধান ,ইসলাম দেশপ্রেমকে সম্মতি জানায় ,তাই জাতিয় সঙ্গিত ইসলামের মতে হলে গাওয়া যাবে
ইসলাম দেশপ্রেমকে সমর্থন করে । জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে সকলে দেশপ্রেমে উদ্ধুগ্ধ হয় । তাই ইসলাম জাতীয় সংগীতকে অবশ্যই সমর্থন করে
মিউজিক শব্দের আসল অর্থ বাজনা যা বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যে বাজানো হয়। ইসলামে বাদ্যযন্ত্র ছাড়া সকল ভালো গান জায়েজ
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত শিরক মিশ্রিত। যা মুখে বলা ও হৃদয়ে বিশ্বাস করা অমার্জনীয় গোনাহের কাজ। উক্ত গানে ‘বাংলা’-কে ‘মা’ সম্বোধন করা হয়েছে এবং গানের মধ্যে উক্ত কল্পিত মায়ের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে মায়ের মুখের ‘মধুর হাসি’, ‘মুখের বাণী’, মায়ের বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা ইসলামের তাওহীদ বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিরোধী। এছাড়াও গানটি বাংলাদেশ-এর স্বাধীন অস্তিত্বের বিরোধী। কেননা এ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১ খৃঃ) রচনা করেছিলেন ১৯০৫ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ’ রদ করে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলাকে একীভূত করার উদ্দেশ্যে। অতএব এ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য।