জাতীয় সঙ্গীত সম্পর্কে ইসলাম কি বলে এটা গাওয়া উচিৎ নাকি উচিৎ নয়?

প্রশ্ন টি নিয়ে ব্যাপক দিদ্বা দন্ধে আছি । আমি একজন মুসলিম হিসেবে চেষ্টা করি ইসলামের প্রতিটি বিধান পালন করা । ইসলামের কোনো বিধানেই কক্ষনো মনে কোনো অভিযোগ ছিলো না তবে এ প্রশ্ন নিয়ে এবং এই নিয়ে চারপাশের মানুষের বক্তব্য শুনে কিছুটা অভিযোগ , আসলে অভিযোগ না বলে বলবো প্রশ্ন তৈরি হয়েছে যে এটা কি আসলেই সঠিক নাকি না । কিছু মানুষ বলে জাতীয় সঙ্গীত হারাম কারণ এতে সঙ্গীত রয়েছে তাই আমি ধরে নিয়েছি মিউজিক বাদে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়াটা হারাম নয় কিন্তু কিছু মানুষ বলে সেটাও নাকি সঠিক নয় । এখন আমার কথা হচ্ছে যতটুকু জানি দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ এবং জাতীয় সঙ্গীত দেশের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ । কিন্তু , যেহেতু মিউজিক ইসলামে হারাম তাই আমি মানি যে মিউজিক বাদে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া জায়েজ এবং এতে শিরক এর কিছু নেই বা কুফরি এর কিছু নেই তাই এটা জায়েজ হওয়া উচিৎ । এখন জানতে চাই আমি কি সঠিক নাকি না ?  আমি মনে করি, যেহেতু এতে খারাপ কিছু নেই তাই মিউজিক ছাড়া জাতোয় সঙ্গীত খারাপ কিছু নয় , এবং এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ইমানের বহিঃপ্রকাশ ।  এই বিষয়ে আমাকে জানিয়ে একটু উপকার করলে খুশি হব  ^_^  আল্লাহ্‌ সবাইকে হিদায়ত দান করুক । আমিন । 
3754 views

6 Answers

আল্লাহ বলেছেন, আসমান ও জমিনের মালিক আল্লাহ।"আমার আকাশ আমার বাতাস"**আমার বাতাস বাতাস কোনো মানুষের হতে পারে? না বাসাত মহান আল্লাহর রহমত।আরো অনেক ভূল আছে।জাতীয় সংগীতে।

3754 views Answered

জাতীয় সংগীত গাওয়াতে আল্লাহর কোন মানা নেই।ইসলাম এটাকে সমর্থন দেয়।কারণ মহানবি সাঃ স্বদেশকে ভালোবাসতেন।এটা আমাদের সুন্নাত।আর জাতীয় সংগীত যেহেতু স্বদেশের স্বাধীনতাই পাওয়া তাই এটাকে ইসলাম সমর্থন দেয়।

3754 views Answered

ইসলাম একটি পরিপূর্ন জিবনবিধান ,ইসলাম দেশপ্রেমকে সম্মতি জানায় ,তাই জাতিয় সঙ্গিত ইসলামের মতে হলে গাওয়া যাবে

3754 views Answered

ইসলাম দেশপ্রেমকে সমর্থন করে । জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে সকলে দেশপ্রেমে উদ্ধুগ্ধ হয় । তাই ইসলাম জাতীয় সংগীতকে অবশ্যই সমর্থন করে

3754 views Answered

মিউজিক শব্দের আসল অর্থ বাজনা যা বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যে বাজানো হয়। ইসলামে বাদ্যযন্ত্র ছাড়া সকল ভালো গান জায়েজ

3754 views Answered

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত শিরক মিশ্রিত। যা মুখে বলা ও হৃদয়ে বিশ্বাস করা অমার্জনীয় গোনাহের কাজ। উক্ত গানে ‘বাংলা’-কে ‘মা’ সম্বোধন করা হয়েছে এবং গানের মধ্যে উক্ত কল্পিত মায়ের একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে মায়ের মুখের ‘মধুর হাসি’, ‘মুখের বাণী’, মায়ের বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা ইসলামের তাওহীদ বিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিরোধী। এছাড়াও গানটি বাংলাদেশ-এর স্বাধীন অস্তিত্বের বিরোধী। কেননা এ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১ খৃঃ) রচনা করেছিলেন ১৯০৫ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ’ রদ করে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলাকে একীভূত করার উদ্দেশ্যে। অতএব এ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য।

3754 views Answered

Related Questions

Next steps