স্মরণ শক্তি?
5 Answers
যে কারনে আপনার নিউরনের ক্ষতি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ রূপে ত্যাগ করতে হবে।আর এর জন্য ফুটপাতেরর ওষুধ বা অন্যের কথায় কান না দিয়ে ভালো কোনো ডাক্তার দেখাতে পারেন।এক্ষেত্রে আপনার স্মৃতিশক্তি আগের মতো না ফিরলেও অনেকটাই পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ।
★ যে জিনিসগুলো স্বরণ শক্তি বাড়ায় তা হল:- *মধু, কিশমিশ, দৃধ, আটা মিশ্রিত পানি, সাক-সব্জি, মৌসুমী ফল। অথবা মুসলিমদের জন্য রাব্বি যিদনী ইলমা এবং ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম বেশী বেশী করে পড়াটা অনেক উপকারী।
এর জন্য কোন ঔষুধের প্রয়োজন নেই। আপনি খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করুন এবং সুষম খাদ্য গ্রহন করুন। প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। তাহলে ধীরে ধীরে আপনার নিউরন পূর্বাবস্থায় ফিরে আসবে।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখুন এসব খাবার মাছ তৈলাক্ত মাছ স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ উপকারী। যেমন—স্যামন, সার্ডিন, টুনা, ম্যাকরেল প্রভৃতি মাছ নিয়মিত খাওয়া উচিত। মাছের চর্বি মাছের চর্বিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা মস্তিষ্ক গঠন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই সহায়ক। অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের জন্য গর্ভবতী নারীদের সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন মাছ খেতে পরামর্শ দেয়া হয়। মাছ শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। স্যামন এবং টুনা মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের সবচেয়ে ভালো উৎস। টমেটো টমেটো স্মৃতিশক্তি সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন, যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত খাবারের সঙ্গে সালাদ হিসেবে টমেটো খেলে তা মস্তিষ্কের পক্ষে বিশেষ উপকারী। ভিটামিন ‘বি’ সমৃদ্ধ খাবার ভিটামিন বি, বি৬, বি১২ সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খাওয়া প্রয়োজন। মাছ, মুরগির মাংস, ডিম এবং শাক জাতীয় খাবারে এর পরিমাণ বেশি থাকে। শস্য জাতীয় খাবার শস্য জাতীয় খাবার, বাদাম, ব্রকোলি, কুমড়োর দানা মস্তিষ্কের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী। এ কারণে নিয়মিত ডায়েট চার্টে এগুলো বেশি বেশি রাখা উচিত। ডিম: যেকোনো পুষ্টিবিদই আপনাকে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিবেন। ডিমে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিগুণ। ডিমের হলুদ অংশে কোলিন (দ্রবণীয় নিউট্রিয়েন্ট) রয়েছে, যা মস্তিষ্কের জন্য বেশ দরকারি। বিশেষ করে ক্ষণস্থায়ী স্মৃতিশক্তির ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে। সূর্যমুখীর বীজ: এই বীজে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-ই রয়েছে, যা স্মৃতিশক্তির কার্যাবলীকে মসৃণ গতিতে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি রক্ষার্থে ত্রাণকর্তা হিসেবেও কাজ করে সূর্যমুখীর বীজ। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কোলিন রয়েছে, যা স্বল্পস্থায়ী স্মৃতিশক্তির ঘাটতি পূরণে কাজ করে। বেরি স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি এবং ব্লুবেরিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা মস্তিষ্কের সংকেত পাঠানোর পথকে শক্তিশালী করে। মস্তিষ্কের কোষের মৃত্যু এবং প্রদাহ প্রতিরোধ করে বেরি। এটি বললে ভুল হবে না, বেরির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ডিমেনশিয়া এবং অ্যালজেইমার বিলম্বিত করতেও সহায়তা করে। শাক শাক শরীর গঠনের খাবার হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া শাকে লুটেনিন নামে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি কগনিটিভ (জ্ঞান অর্জন ও চিন্তা করার ক্ষমতা) পতন প্রতিরোধ করে। লুটেইন মস্তিষ্কের প্রধান কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতার উন্নয়ন করে।
বাজে কাজ করা বন্ধ করে দিন। তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে। এই বাজে কাজের জন্য শুরু নিউরন নয় আরো ক্ষতি হয়। তাই আপনি যত দ্রুত সম্ভন এই বাজে কাজ বন্ধ করে দিন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy