5 Answers
আজ্ঞে না।গোসল ছাড়া পবিত্র হওয়ার অন্য কোনো উপায় নেই।আপনাকে জ্বর না সারা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।ততক্ষন আপনি আপনার পোশাক বদল করে আপনার শরীরের ঐ স্হানে ধুয়ে নিতে পারেন।
জ্বর বা যেকোনো অসুখ হোকনা কেনো,,তাতে যদি গোসল করলে মৃত্যুর সম্ভবনা থাকে,, তাহলে গোসল ফরয হলেও তায়াম্মুম করে পবিত্রতা অর্জন করা যাবে ,নামাজ বা অন্যন্যা কাজ করা যাবে।
ভিজা কাপড় দিয়ে সমস্ত শরীর মাছেয় ( মুছে) ফেলবেন , মনে রাখবেন দু্ই কান এবং নাভির মধ্যে ভিজা কাপড় আংগুল দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মুছবেন । প্রসাব করে গোপর অংগ ধুয়ে ফেলবেন ইনশাআলালাহ পবিত্র হয়ে যাবেন । আর ভিজা কাপড় শরীরে লাগাতে অসুবধিা হলে সেক্ষেত্রে মাসআলা হল মাটি দিয়ে তায়মুম করা ।
জ্বর থাকা অবস্থায় যদি স্বপ্নদোষ হয় তাহলে গোসল ছাড়া-ও একটি উপায় আছে তা হলো তায়াম্মুম। যদি অপবিত্র ব্যক্তির রোগ বেড়ে গিয়ে মৃত্যুর আশঙ্কাবোধ হয় তাহলেই তায়াম্মুম করতে পারবেন। আল্লাহ তায়ালার বানীঃ- তোমরা নিজেদের হত্যা করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু। [আন নিসা আয়াত ২৯] হাদিসের বানীঃ- মূসা ইবনু আব্দুর রহমান, আতা (রহঃ) থেকে জাবের (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সফরে যাওয়ার সময় আমাদের এক ব্যক্তির মাথা প্রস্তরাঘাতে জখম হয় এমতা অবস্হায় তার স্বপ্নদোষ হয় সে তার সাথীদের জিজ্ঞাসা করে, এ অবস্হায় আমি কি তায়াম্মুম করতে পারি? তারা বলেন, যেহেতু তুমি পানি ব্যবহারে সক্ষম তাই তোমাকে তায়াম্মুমের অনুমতি দেয়া যায় না। অতঃপর সে ব্যক্তি গোসল করার ফলে মৃত্যুমুখে পতিত হয়। এই সফর হতে প্রত্যাবর্তনের পর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই সংবাদ দেয়া হলে তিনি বলেনঃ তার সাথীরা তাকে হত্যা করেছে, আল্লাহ তাদের ধ্বংস করুন। তিনি রাগান্বিতভাবে এরূপ উক্তি করেন। যখন তারা অবগত ছিল না তখন জিজ্ঞাসা করল না কেন? কেননা অজ্ঞতার ঔষধ হল জিজ্ঞাসা করা। সে ব্যক্তি তায়াম্মুম করলেই যথেষ্ট হত তার আহত স্হানে ব্যান্ডেজ করে তার উপর মাসেহ করলেই চলত এবং শরীরের অন্যান্য স্থান ধুয়ে ফেললেইতো হত। [সূনান আবু দাউদ, হাদিস নম্বরঃ ৩৩৬]
না আপনাকে গোসল করতেই হবে, কারন সামান্য জ্বর এর কারনে তায়াম্মুম করতে পারবেন না,বা বৈধ হবেনা।