শরীরে বাহ্যিক কোনো লক্ষণ পাওয়া যায় না তবে ধু্ূলাবালিতে,,বিভিন্ন খাবার যেমন মসুরের ডাল,গরুর গেশতো,মিষ্টি কুমরা,এমন কি করলা খেলে নাক দিয়ে পানি ঝরে।MBBS doctor blood test করেও এমন কোনো এলিমেন্ট পান নি যে তারা বলবে আমার এলার্জি।।বলতে গেলে অনেক কিছুই খেতে পারি না।নাক দিয়ে পানি ঋরে আর মাথা ভার হয়ে আসে।।
3033 views

2 Answers

অনেক সময় এলার্জির চিকিৎসা ভালোভাবে করার জন্য ডাক্তাররা বিভিন্ন পরীক্খা করেন। বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা। সাধারণত এলার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইর মাত্রা বেশি থাকে। রোগীর চামড়ার উপর বিভিন্ন এলার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এই পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পড়ে। হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্সরে করে নেয়া দরকার যে অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কিনা। সমন্বিতভাবে এলার্জির চিকিৎসা হলো এলার্জেন পরিহার । যখন এলার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায়ে এলার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এলার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও এলার্জি জনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশ গুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে এলার্জি জনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করেন। এটাই এলার্জি রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি। আগে ধারণা ছিল এলার্জি একবার হলে আর সারে না। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথমদিকে ধরা পরলে এবং এলার্জির চিকিৎসা করালে এলার্জি জনিত রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অবহেলা করলে এবং রোগ অনেকদিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রাকৃতিক ভাবে এলার্জির চিকিৎসা প্রাকৃতিক ভাবেই শাকসবজি ও ফলমূলে তৈরি হওয়া ফেনলের যৌগ যা এলার্জির বিরুদ্ধে কাজ করে। কোয়েরসেটিন বায়োফ্ল্যাভনয়েড গ্রুপের এক বিশেষ ধরনের রাসায়নিক উপাদান যা ফলের খোসা ও গাছের ছালে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। এর অন্য নাম মেলিটিন। এছাড়াও এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে এ্যাজমা প্রতিরোধ করে ও প্রদাহ কমায়। সাধারণত পেঁয়াজ, রসুন,আপেলের খোসা, জিংগোবা, লেবু জাতীয় ফল, ব্রকলি, গ্রীন টি, চেরী ফল, লাল ও কালো আঙ্গুর, কালো জাম, সবুজ শাক-সবজি, মধু,শিম জাতীয় ফল, কালোজিরা মানব শরীরের এলার্জি প্রতিরোধ করে। শরীরে ও প্রকৃতিতে তৈরি হওয়া এন্টি-অক্সিডেন্টগুলোর মধ্যে ভিটামিন সি অন্যতম যা শক্তিশালী এলার্জি প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক উভয় গুণাগুণে ভরপুর। দিনে ৩ বার ১০০০-২০০০ মি. গ্রা. করে ভিটামিন সি গ্রহণ এলার্জি উপশমের অন্যতম উপায়। কাঁচা মরিচ, বাঁধাকপি, আলু , লেবু, বাতাবী লেবু, কমলা লেবু, টমেটো, আঙ্গুর, পেয়ারা, কামরাঙ্গাসহ বিভিন্ন টক জাতীয় ফলে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন এ এবং জিংক এরা উভয়েই এলার্জি উপশমে সহায়ক যা পাকস্থলীসহ অন্যান্য প্রদাহ জনিত স্থানের প্রদাহ কমায়। ভিটামিন এ এর উৎস – বাঁধাকপি, ব্রকলি, লেটুস পাতা, পালংশাক, টমেটো, মটরশুটি, গাজর, কুমড়া, মিষ্টি আলু, ধনিয়া পাতা, পীচ, কলা, পেঁপে, তরমুজ, ভুট্টা ইত্যাদি। জিংক এর সবচেয়ে সমৃদ্ধ উৎস হল মাশরুম যা এখন আমাদের দেশের সর্বত্রই পাওয়া যায়। মাশরুমের এলার্জি প্রতিক্রিয়া কমানোর এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে। এটা হিস্টামিন তৈরিতে বাধা প্রদান করে ও প্রদাহ কমায়। অন্যান্য যেসব খাদ্যে জিঙ্ক বিদ্যমান সেগুলো হল মিষ্টি কুমড়ার বীজ, শীম বীজ, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি। প্রাণিজ জিঙ্কের জন্য ভাল উৎস হল মুরগীর মাংস। এছাড়া শামুক, ঝিনুক ইত্যাদিতেও প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক পাওয়া যায়। এলার্জির চিকিৎসা হিসাবে এসব খাবার আপনার শরীরে প্রাকৃতিক ভাবে এলার্জি প্রতিরোধ করবে।

3033 views

ভাই আপনি প্রতিদিন প্রচুর পরিমান পানি পান করবেন। প্রতিদিন দুপুরে গোসল করবেন। ধূলাবালি থেকে দূরে থাকবেন। মুখে মাস্ক ব্যবহার করবেন। গরুর গোশত, চিংড়ি মাছ খাবেন না। ঠান্ডা জায়গা ত্যাগ করবেন।

3033 views

Related Questions