3 Answers
জ্বি, এ ব্যাপারে হাদিসে বর্ননা আছে। হযরত আলী (র.) হতে বর্নিত। তিনি বলেন, রাসুল (স.) বলেছেন, তুমি নিজের জন্য যা ক্রয় করো, সেটা তোমার জন্য সদকা। তোমার স্ত্রীর জন্য যা ক্রয় করো, সেটা তোমার জন্য সদকা। তোমার সন্তানদের জন্য যা ক্রয় করো, সেটা তোমার জন্য সদকা। তোমার দাসীর জন্য যা ক্রয় করো, সেটা তোমার জন্য সদকা।
সদকা দু প্রকার। ১ সদাকায়ে নাফেলা বা সাধারণ দান। ২। সদাকায়ে ওয়াজিবাহ বা আবশ্যিক দান। পিতা বা স্বামী তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য যে খাবার আনে তাকে সদকায়ে নাফেলা বা সাধারণ দান হিসেবে ধরা যেতে পারে। কিন্তু সদকায়ে ওয়াজেবা তথা আবশ্যিক দান (যেমন জাকাত, সদাকাতুল ফিতর) হিসেবে ধরা যাবে না। তবে পিতা বা স্বামীর জন্য তার পরিবারের ব্যয়ভার বহন করা আবশ্যিক দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে রয়েছে অনেক অনেক প্রতিদান। সুতরাং তার জন্য সদকা হিসেবে ধরার কোনো প্রয়োজন নেই।
ইহা সাদকাহ হিসাবে গন্য হয়। জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রত্যেক নেকীর কাজ সাদকাহ স্বরূপ। আবূ মাসউদ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) বলেন, সওয়াবের আশায় কোন মুসলিম যখন তার পরিবার-পরিজনের জন্য খরচ করে, তখন তা সাদকাহ হিসাবে গণ্য হয়। রিয়াযুস স্বা-লিহীন হাদিস নম্বরঃ ২৯৯