3 Answers
চোখ ওঠার সম্পর্কে সবকিছু বিস্তারিতভাবে জানতে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ এখান থেকে দেখে নিন।
বাইরে বের হলে সানগ্লাস পরতে হবে। এটি রোদে চোখ জ্বলা কমাবে। অনেকে চোখে বারবার পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন বা চোখে পানির ঝাপটা দেন, এটাও ঠিক নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভাইরাসের আক্রমণের পর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে। এ জন্য দিনে তিন থেকে চারবার চোখের অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ক্লোরামফেনিকল ব্যবহার করতে হবে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ না হলেও সেকেন্ডারি ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য এটি ব্যবহার করা যায়। চোখে চুলকানি থাকলে অ্যান্টিহিস্টামিন সেবন করতে হবে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন নেই। তবে যেকোনো ওষুধ সেবন করবেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। চোখ ওঠায় আক্রান্ত হলে যে পাশের চোখ উঠবে, সে পাশেই কাত হয়ে শুতে হবে। না হলে আক্রান্ত চোখ থেকে অন্য চোখে সংক্রমণ হতে পারে। এতে যদি ভালো না হয় বা যদি চোখে জটিলতা, যেমন—দৃষ্টি ঝাপসা হলে, চোখ খুব বেশি লাল হলে, খুব বেশি চুলকালে বা অতিরিক্ত ফুলে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চোখ ওঠা সংক্রামক। এ জন্য যাঁদের চোখ ওঠেনি, তাঁদের সচেতন থাকতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। যাঁদের চোখ উঠেছে, তাঁদের সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে। তাঁদের ব্যবহার করা রুমাল, কাপড়চোপড়, তোয়ালে ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি হ্যান্ডশেকের মাধ্যমেও অন্যরা আক্রান্ত হতে পারেন। এ জন্য হাত তাড়াতাড়ি ধুয়ে ফেলতে হবে। নোংরা হাত চোখে লাগানো যাবে না।
টিভি দেখা যাবে না।মোবাইল বা কম্পিউটা না দেখাই উত্তম।ধুলোবালি থেকে দূরে থাকতে হবে।সেজন্য বাড়িতে থাকতে হবে।তাছাড়া অতিরিক্ত আলো বা রৌদ্র থেকে দূরে থাকার জন্য বাড়িতে থাকতে হবে।কালো চশমা ব্যবহার করতে হবে।নদীতে ডুবিয়ে গোসল করা যাবেনা।সম্ভব হলে টানা ১৪-১৫দিন বাড়িতে থাকা এবং বিশ্রাম করা।শুধু শুধু অকারণে চোখে পানি দেওয়া যাবেনা।****উপরের নির্দেশনা অনুয়ারী চলুন এবং ডাক্তারের পরমর্শ অনুয়ারী ঔষধ সেবন করুন****দেখবে সব ঠিক হয়ে গেছে।কোনো সমস্যা হচ্ছে না!>>>_-:_-তাই নিয়ম মানুন এবং আরোগ্য লাভ করুন।_-:_-