মানুষ মারা গেলে, সে কি ভূতে পরিণত হতে পারে?
6 Answers
না ভাই কথা টা 100% মিথ্যা এটা কোনো ভাবে ই সম্ভব না ।।। ইসলাম ধর্মে এর কম কোনো হাদিস নেই যে মানুষ মরার পর ভুত হয় ।। তবে এগুলো হিনদুধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ,, আপনি একজন মুসলমান তাই এগুলো বিশ্বাস করে গুনাহের বাগীদার হবেন না ,,,,
ভুত বলতে কিছুই নেই।এটি শুধু কল্পনা। বিস্তারিত:ভূত-তত্ত্ব নিয়ে মানুষ মাথা ঘামিয়েছে সভ্যতার আদিকাল থেকে। মৃত্যুর পরে আত্মার অস্তিত্ব বিদ্যমান থাকে কি থাকে না, তা নিয়ে দর্শনশাস্ত্র যতটা না ভেবেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ভেবেছেন ভৌতিক গল্পের রচয়িতারা। এই সব কাহিনির শ্রোতা-পাঠকও তাদের অবিশ্বাসকে মুলতুবি রেখে শুনে অথবা পড়ে গিয়েছে ভূতের গল্প যুগের পরে যুগ ধরে। কিন্তু গল্পের শেষে সেই প্রশ্নটাই উঠেছে— ভূত কি সত্যিই আছে? নির্যস যুক্তিবাদী বিজ্ঞানমনস্করা সর্বদাই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভূতের অস্তিত্বে। তারা বার বার বলেছেন, ভূত যে রয়েছে, তার প্রমাণ কোথায়? এর উত্তরে ভূতবাদীরা পাল্টা প্রশ্ন করেছেন— সে যে নেই, তার প্রমাণটাই বা কই? এহেন চাপান উতোরে কেটে গিয়েছে অনন্ত সময়। কিন্তু পরীক্ষাগারে বিস্তর সময় খরচা করে ভূতের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব প্রমাণের গুরুদায়িত্বটি পালনে আগ্রহ দেখাননি তেমন কেউ। এই কাজেই এগিয়ে এসেছিলেন বিশ্বখ্যাত পদার্থবিদ ব্রায়ান কক্স। এই ইংরেজ পরমাণু বিজ্ঞানী টেলিভিশনে বিজ্ঞান-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের সূত্রে আবার তুমুল জনপ্রিয়। সম্প্রতি কক্স জানিয়েছেন, ভূতের অস্তিত্ব নেই। যদি তা থাকত, তা হলে বিশ্বের সবথেকে বড় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় তা ধরা পড়তই। কী এই ‘সব থেকে বড় পরীক্ষা’? বিজ্ঞানী কক্স জানিয়েছেন, মানুষের মৃত্যুর পরে তার আত্মা কোথায় যায়, তা নিয়ে সভ্যতার উন্মেষের কাল থেকেই মানুষ সন্ধান চালিয়েছে। যদি তেমন কোনও ‘যাওয়ার জায়গা’ থাকত, তা হলে তা নিশ্চিতভাবেই বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র সার্ন-এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার-এ ধরা পড়ত। লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার আসলে বিশ্বের বৃহত্তম আণবিক বিশ্লেষক। চৌম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই যন্ত্র মাহাজগতের মৌলিক বস্তুসমূহকে বুঝতে যায়। এই বিশ্লেষণ থেকে আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান জগতের প্রতিটি এলিমেন্টকেই জানা বা বোঝা যায়। লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যে কোনও এনার্জিকেও বিশ্লেষণ করতে সমর্থ। কক্সের মতে, ভূত যদি থাকত, তবে তারা এনার্জি দিয়েই গঠিত হত। কারণ, আত্মা যে কোনও পদার্থ দিয়ে গঠিত নয়, তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না। অথচ থার্মোডাইনামিকস-এর দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী এনার্জি উত্তাপে লোপ পায়। একমাত্র যদি ভূতেরা এই সূত্রকে এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল জেনে তাকে, তা হলে কিছু বলার নেই। কিন্তু তা যদি না হয়ে থাকে, তা হলে লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার তাদের খোঁজ পেতই। সার্ন বা ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ-এর তরফে কক্স এক প্রকার ঘোষণাই করে দিয়েছেন— ভূতের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু যদি ভৌতিক এনার্জি তাপকে প্রতিহত করতে সমর্থ হয়? সেখানে কী হবে, তা কিন্তু কক্স বলেননি।
আসলে বৈজ্ঞানিক ভাবে ভূত/প্রেত কোন ভিত্তি নেই। তবে আমার মতে ভূত বলতে কিছু আছে যা আমরা তিন জন একসঙ্গে দেখেছিলাম। নয়তো আমি এটা বিশ্বাস করতাম না।
কুল্লুু নাফসিন জায়িকাতুল মাউত। অর্থ: প্রত্যেক নফসই (জীবন) মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত-৩৫) সুতরাং নফস মরে যায় কিন্তু মানুষের রুহ (আত্মা) মরে না। আল্লাহ পাকের তরফ হতে রুহ নাযিল হয়। দেহের এই জীবনশক্তি (নফস) এবং রুহ (আত্মা) একে অপরের সাথে পরিপূরক ও অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। দেহ না থাকলে রুহ থাকবে না। আবার রুহ চলে গেলে দেহ অসার। এটা অত্যন্ত নিখুঁত ও সূক্ষ্ম ব্যাপার যে মানবদেহে এই লিলাখেলা মহান আল্লাহ পাকের দেওয়া। মানুষ মারা গেলে সে ভূতে পরিণত হতে পারেনা, মানুষ মারা যাবার পরে মানুষের আত্মা ইল্লিন এবং সিজ্জিন নামক জায়গায় থাকবে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত । যারা দুনিয়াতে নেক কর্ম করবে তাদের রুহ্ ইল্লিনে আর অসৎ কর্ম করবে তাদের আত্তা সিজ্জিনে থাকবে।
এটা ভুল ধারনা ভাই।আর আল্লাহ হাপেজ,আল্লাহ ভালো যানেন।হাদিসে আছে তার রুহ, অন্য এক জায়গায় সংরক্ষণ থাকে,জায়গাটার নাম হলো ইল্লিন এবং সিজ্জিন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy