রমজান মাসে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে বা ক্বদরের রাত্রে মারা গেলে কি তার কবরের আযাব মাফ হয়ে যাবে?
2 Answers
রমজান মাসে মৃত্যুর কোনো বিশেষ ফজিলতের কথাও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
যে ব্যক্তি সৎকাজ করে ঈমানের সাথে মৃত্যু বরণ করবে সে যে কোনো দিন সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। মৃত্যুর দিন ক্ষণের এ ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা নেই।
যে শিরকের ওপর মৃত্যু বরণ করে সে যে সময় যে স্থানেই মৃত্যু বরণ করুক না কেনো, জাহান্নামে যাবে।
আর যদি আদম সন্তান পাপের পথে থেকে মৃত্যু বরণ করে তাহলে তার পরিণতি আল্লাহর ইচ্ছায় নির্ধারিত হবে। একত্ববাদী মুমিন হয়ে থাকলে এক দিন না একদিন সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
কিন্তু এর আগে আল্লাহ চাইলে তার কৃত কর্মের জন্য তাকে শাস্তি দিতে পারেন, চাইলে ক্ষমাও করে দিতে পারেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, নিশ্চই আল্লাহ শিরক ক্ষমা করবেন না এবং শিরক ছাড়া অন্য অপরাধের মধ্যে যেগুলো চান ক্ষমা করবেন। -সূরা নিসা (আয়াত:
রমাযান মাসে বা কদরের রাতে কেউ মৃত্যু বরণ করলে তার কবরের শাস্তি রহিত হয়ে যাবে মর্মে আমাদের জানা মতে কোনো বর্ণনা নেই। তবে রোযারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জান্নাতে প্রবেশের প্রতিশ্রুতি এসেছে। মুসনাদে আহমদ, হাদীস ২৩৩৭২। উল্লেখ্য, হাদীসে এসেছে, রমাযান মাসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত করা হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হয়। সুনানে নাসায়ী, হাদীস ২০৯৮। এর বযাখ্যা হলো, রমাযান মাস হলো এমন নেকি অর্জনের মাস যার মাধ্যমে জাহান্নামের দরজা বন্ধ হয়ে যায় এবং জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হয়ে যায়।