2 Answers

মুসলমানদের মতে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর অসংখ্য অলৌকিক ক্ষমতার মধ্যে প্রকাশ্য অলৌকিকত্ব সংখ্যা দশ হাজারেরও অধিক। প্রখ্যাত পণ্ডিত জালালুদ্দিন সুয়ুতির খাসায়েসুল কুবরা নামক গ্রন্থে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর মুজিযা সম্পর্কিত ঘটনাগুলো আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। আল কোরানের সুরা ক্বামারে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রার্থনায় চন্দ্র দ্বিখণ্ডিত হওয়ার কথা বলা আছে। বদর যুদ্ধের আগের দিন বদর নামক স্থানে পৌঁছে মুহাম্মাদ (সাঃ) বললেন ‘এটা আমুকের শাহাদাতের স্থান, এটা অমুকের হত্যার স্থান... সাহাবীরা বলেন ‘রাসুলুল্লাহ! সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যার জন্য যে স্থান দেখিয়েছেন, তার সামান্য এদিক সেদিক হয় নি।’ (মুসলিম) ইসলামের একটি বর্ননায় উল্লেখ আছে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর স্পর্শে এক সাহাবীর ভাঙা পা ভালো হয়ে যায়। সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে আতিক এর পা ভেঙে গেলে তিনি তা মুহাম্মাদ (সাঃ) কে জানালে মুহাম্মাদ (সাঃ) তার পায়ের উপর হাত বুলালেন। সাহাবী বলেন, ‘এতে আমার পা এমনভাবে সুস্থ হয়ে গেল যেন তাতে আমি কখনো আঘাতই পাই নি। (বুখারী) ইসলামের আরেকটি বর্ণনায় পাওয়া যায় মুহাম্মাদ (সাঃ)  আল্লাহ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে স্বল্প খাদ্যে হাজার মানুষকে পরিতৃপ্তি সহকারে ভোজন করেছিলেন। (বুখারী, মুসলিম) তবে ইসলামের সৌন্দর্য ও প্রশান্তি এই অলৌকিকত্বের উপর নির্ভরশীল নয়। ইসলাম সাম্য ও সৌভাতৃত্বের মহিমাতে অনেক উজ্জ্বল।

2724 views

সারে চার হাজার মুজেজা ছিলো

2724 views

Related Questions