আচ্ছা একটা মানুষ মরে যাবার পর তার জন্য কি করা উচিত, আমার মনে হয় আমরা ওর জন্য নামাজ পড়ে আল্লাহতালার কাছে দুহাত তুলে দোয়া করা উচিত ,আমার  এক আত্নীয় মারা  গেছে আজ চারদিন হয়ে গেছে ,আমরা ওনার মেজবানের জন্য একটি গরু কইনলাম আচ্ছা একজন মৃত্যু ব্যক্তির জন্য মেজবান দেওয়াটা কি ফরজ ?

2864 views

5 Answers

না ভাই এটা ফরয না।বরং নফল।মেজবান দিলে ছাওয়াব আছে না দিলে কোন গুনাহ নেই।বুঝছেন?

2864 views

এসব ক্ষেত্রে মেজবান দেয়া বা মানুষকে খাওয়ানো কোনোটিই ইসলামী শরীয়তে নেই। তবে তার জন্য কোনো ভালো কাজ করে তার সওয়াব তার রূহে বখশিশ করতে পারেন। অথবা গরীব মিসকীনকে দান সদকা করে বা ক্ষুধার্তকে খাইয়ে তার সওয়াব পৌঁছে দিতে পারেন। এতে কোন দোষ নেই। কিন্তু খাওয়ানো জরুরী মনে করাটা বিদআত এবং গুনাহের কাজ। এতে কোনো সওয়াব হবে না। গুনার হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

2864 views

সামাজে এইসব কাজ সাধারণ চল্লিশা নামে পরিচিত। যা আমাদের নবী (স) কখনো পালণ করেন নি আর পালণ করতেও বলেন নি। এটা অনেক পরে উপমহাদেশে চালু হয়। যা পালণ করা বেদআত। নবী (স) বলেছেন " তোমরা ধর্মের নামে নতুন সৃষ্টি করা হতে বিরত থাকবে। কেননা প্রত্যেক নতুন সৃষ্টিই বিদআত এবং প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।" (আবু দাঊদ ৪৬০৭, ইবনে মাজাহ ৪৩, আহমাদ ১৭১৮৪, তিরমিযী ২৬৭৬, ছহীহুল জামে ২৫৪৯)

2864 views

আসলে মূত্যু ব্যক্তির জন্য মেজবান করাটা কোন হাদিসে নেই।আর এটা ফরজ বা সুন্নত কোন কাজ নয়।ফরজ হিসেবে মেজবান পালন করলে এটা গুনার শামিল হতে হবে।সুতরাং আপনি পালন করবেন সেটা গরীব ও মিসকিন কে খাইয়ে দুআ করার জন্য।শুধু দুআ ওমাগফিরাত কামনার আশা করে করা যাবে।

2864 views

একজন মৃত্যু ব্যক্তির জন্য মেজবান দেওয়াটা ফরজ নয় বরং বর্তমান সমাজে ইহা বিদয়াত।

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের অনেক জায়গায়
সমাজের সব অসহায় দুঃস্থ, ইয়াতিম ও মজুলম মানুষের প্রতি সদয় হওয়ার তথা যথাযথ দায়িত্ব কর্তব্য পালনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

অসহায় ইয়াতিমদের হক আদায় না করা, এবং মিসকিনদের খাবার না দেয়া লোকদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন। আত্নীয় মারা যাওয়ার পর যদি খাওয়াতেই চান তাহলে এমন অসহায় ইয়াতিমদের খাওয়াতে পারেন, তবে শুধু নির্দিষ্ট এক দিন নয় মৃত লোকের উসিলা করে। এতে গুনাহগার হবেন।

আল্লাহ তায়ালা সুরা মাউন এর তিন, ছয় নাম্বার আয়াতে বলেন, যারা মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না। এবং যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে তারাই
দুর্ভাগা, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।


একমাত্র মৃত লোকের ছেলে মেয়ের দোয়া 
আল্লাহ কবুল করেন, "রব্বিরহাম হুমা কামা রব্বাইয়ানি সগিরা" তাই এত্ত বড় অনুষ্ঠান না করে নামাজ পড়ে দুহাত তুলে দোয়া করা উচিত।
2864 views

Related Questions