2 Answers

এর বৃহৎ বিবরণ রয়েছে। আমি শুধু এখানে সংক্ষেপে বলছি। হিটলারের জীবনী থেকে জানা যায়, ছেলেবেলা থেকেই হিটলার ইহুদীদের উপর ক্ষ্যাপা ছিলেন, কারণ তিনি ছোটবেলা থেকে ইহুদীদের ধুর্তামী এবং অত্যাচার দেখে আসছিলেন। তার কাছে সবচেয়ে খারাপ লাগত ইহুদীদের ধোঁকাবাজীর বিষয়টি। ইহুদীরা একটি অন্যায় করত। অত:পর নিজেদের মধ্যে থেকেই একটি দল গঠন করত যারা সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। আবার এক পক্ষ তৈরি করত যারা সেই অন্যায়ের পক্ষে বলবে। এভাবে ওরাই সর্প হয়ে দংশন করত এবং ওরাই আবার ওঝা হয়ে ঝাড়ত। বিষয়টি হিটলারের কাছে মোটেও ভাল লাগত না। তিনি ছেলে বেলা থেকেই দেখেছেন, জার্মানীর বড় বড় অশান্তিগুলোর মূলে থাকত এই ইহুদীরা। তখন থেকেই তিনি মনে মনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন যে, যদি কখনো তিনি জার্মানীর সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হতে পারেন তাহলে জার্মান কে ইহুদি মুক্ত করবেন।  বলা যায়, হিটলারের ইহুদি নিধন তার ছেলে বেলা থেকেই ইহুদিদের প্রতি পুঞ্জিভুুত ক্ষোভেরই বহির্প্রকাশ। ধন্যবাদ।

3041 views

আসলে হিটলার নাৎসিবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। নাৎসিবাদ ছিল একটি ফ্যাসিবাদী দর্শন। ফ্যাসিবাদের একটি বৈশিষ্ট হল এদের একটি কমন শত্রু থাকবে এবং যাই হোক না কেন তারা ওই শত্রুর উপর দোষ চাপিয়ে দিবে। 


যেমনঃ ভারতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)। তারা শত্রু হিসেবে বেঁচে নিয়েছে মুসলমানদের। 


হিটলার জার্মান জাতির শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করতেন এবং উগ্র ধর্মীয় মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি যৌবনে জার্মান দার্শনিক নিৎসে, গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল, ফিশতে, হাইনরিখ ফন ট্রেইস, এইচ এস চেমবারলেইন কর্তৃক উদ্বুদ্ধ হন। মূলত, তার ফ্যাসিবাদী দর্শন অর্থাৎ নাৎসিবাদের তত্ত্ব তিনি এখান থেকেই পান। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল, হিটলার কিন্তু ইহুদীদের প্রথমেই নিঃশেষ করে দিতে চান নি। তিনি চেয়েছিলেন বিতারন করতে। কিন্তু, কোন দেশ রাজী না হওয়ায় তিনি হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। আর, হিটলার যে একেবারেই সব ইহুদীদের ঘৃণা করতেন তাও কিন্তু না। বরং তার জীবনে বহু ঘটনা আছে যেখানে তার সাথে ইহুদীদের সুসম্পর্ক পাওয়া যায়। কিন্তু, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ইহুদীদের কারনে জার্মানির পরাজয় এবং পরবর্তীতে এই সব লেখকদের বই পড়া এবং মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী দর্শন দিয়ে প্রভাবিত হয়ে তিনি নিজেও একজন ফ্যাসিবাদী তথা নাৎসিবাদী তথা ইহুদী বিদ্বেষী হয়য়ে উঠেন।   


3041 views

Related Questions

ইহুদি কারা?
2 Answers 3122 Views