2 Answers

১। সাধু রীতি ক, সাধু ভাষা সুনির্ধারিত খ. এ ভাষা গুরুগম্ভীর গ. তৎসম শব্দবহুল ঘ. নাটকের সংলাপ ও বক্তব্যে অনুপযোগী ২। চলিত রীতি ক. চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল খ. তদ্ভব শব্দবহুল গ. নাটকে, বক্তব্যে উপযোগি

3520 views
সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য অনেক। আমি শুধু গুরুত্বপূর্ণ কিছু উল্লেখ করলাম।

সাধু ভাষার পার্থক্যঃ

১। বাংলা গদ্যের সূচনালগ্নে সংস্কৃতানুসারী পণ্ডিতগণের প্রচেষ্টায় যে সাহিত্যিক গদ্য ভাষার উন্মোষ ঘটে,সে ভাষাকে বর্তমান আমরা সাধু ভাষা বলি।

২। প্রাচীন বাষার প্রচলিত শব্দসমূহ সাধুভাষায় স্থান পায়।

৩। তৎসম শব্দের প্রয়োগ বশি থাকে।

৪। অঞ্চল বিলেষের প্রভাব নেই বলে এই ভাষ সর্বনগ্রাহ্য লিখিত ভাষা।

৫। এই ভাষার গতি মন্থর।

৬। উদাহরণ- আমি বুঝিতে পারিলাম।

চলিত ভাষার পার্থক্যঃ

১। প্রমথচৌধুরীর প্রচেষ্টায় আঞ্চলিক বা মৌখিক ভাষাকে ভিত্তি করে যে,সাহিত্যিক গদ্য ভাষা গড়ে ওঠে,সে ভাষাকে চলিত ভাষা বলি।

২। প্রাচীন ভাষার প্রচলিত শব্দসমূহ পরিহার করা হয়।

৩। তদ্ভব,দেশী ও বিদেশী শব্দের প্রয়োগ বেশি থাকে।

৪। অঞ্চল বিশেষের কিছু প্রভাব থাকলেও এ ভাষাই বর্তমান সময়ে শিক্ষিত ভদ্রসমাজের মুখের ও লেখার ভাষার মর্যাদা পেয়েছে।

৫। সাধু ভাষা অপেক্ষা চলিত ভাষা অনেক সহজ ও সংক্ষিপ্ত।

৬। উদাহরণ-আমি বুঝতে পারলাম।
3520 views

Related Questions