মসজিদে টাকায় ছবি নিয়ে নামাজ পড়লে নামাজ হবে?
6 Answers
হাদিসে আসে যে ঘরে কোনো ছবি থাকে ঐ ঘরে নামায হয়না। হক সে যে কোনো প্রানির ছবি। যেহেতু রাসুল সা. নিশেধ করেছে সেহেতু নামায় পরা যাবেনা আর মসজিদের ভিতোর টাকা নিয়ে নামায পরতে পারবেন কারন টাকার ছবি আপনার পকেটে থাকবে, বাহিরে না তাই পরা যাবে আর যদি টাকা সামনে থাকে এবং তার ছবি দেখা যায় তাহলে নামায় হবেনা। মোট কথা ছবি থাকলে নামায হবেনা
টাকা নিয়ে মসজিদে নামাজ পড়লে কোন সমস্যা নেই। আহলে সুন্নাহর দেশীয় আলেম মুফতী মুহাম্মদ অছিয়র রহমান সাহেব তাঁর 'যুগ জিজ্ঞাসা' বইয়ের ৪৫ পৃষ্ঠায় লিখেছেন - "কোনো প্রাণীর ছবি ঘরে টাঙ্গিয়ে রাখা জায়েয নেই। কারণ, যে ঘরে প্রাণীর ছবি ঝুলানো থাকে, সে ঘরে আল্লাহর রহমতের ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না। তবে, মাতা-পিতা, পীর-মুর্শিদ বা অন্য কারও স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি অ্যালবামে বা গোপন স্থানে সংরক্ষণ করলে তাতে অসুবিধা নেই। বরং উত্তম ও ফযীলতময়; এটা ঐ পবিত্র চিহ্নসমূহের প্রতি মুহাব্বতের বহিঃপ্রকাশ। বরং এ প্রকার ভক্তি-শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা সম্পর্কে আল্লাহুতা'লা বলেন - "আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে সম্মান জানানো অন্তরে খোদাভীতি থাকার পরিচয়।" (সূরা হজ্বঃ ৩২) সম্মানিত মাতাপিতা ও পীর-বুযর্গদের অ্যালবাম বা গোপনস্থানে সংরক্ষিত ছবিসমূহ শুধুমাত্র স্মৃতিস্বরূপ বা তাঁদেরকে স্মরণে আবদ্ধ রাখার নিমিত্তেই হবে। শোভা প্রদর্শন বা চুম্বন করার উদ্দেশ্যে নয়। কারণ, শোভা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে যেকোনো প্রাণীর ছবি ঘরে টাঙ্গিয়ে রাখা বা কোনো ছবিকে চুম্বন করা ফকীহগণের মধ্যে অনেকেই নাজায়েয ও মাকরূহে তাহরীমী বলেছেন। (সূত্রঃ ফতোয়ায়ে রেজভিয়া - ৯ম খন্ড, আহকামে তাসভীর ইত্যাদি)" ছবি ঘরে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা তথা উন্মুক্ত রাখা নাজায়েয। কেননা, প্রথমত, যে ঘরে প্রাণীর (তোলা বা আঁকা) ছবি থাকে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। হাদীছে আছে - "হযরত আবু তালহা (রাদ্বিআল্লাহুতা’লা আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলে পাক (সল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "ফেরেশতারা ঐ ঘরে প্রবেশ করে না, যে ঘরে কুকুর থাকে এবং ঐ ঘরেও না, যে ঘরে ছবি থাকে...।" (বুখারী শরীফ, ৯ম খন্ড, হাদীছ নং ৫৫২৫) "হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদ্বিআল্লাহুতা’লা আনহু) হতে বর্ণিত... জিবরাঈল (’আলাইহিস সালাম) বললেন, যে ঘরে ছবি বা কুকুর থাকে, সে ঘরে আমরা (ফেরেশতারা) কখনও প্রবেশ করি না।" (বুখারী শরীফ, ৯ম খন্ড, হাদীছ নং ৫৫৩৫) মন্তব্যঃ এ হাদীছ দু'টিতে ছবির সাথে কুকুরের বর্ণনা থাকায়, অনেকে মনে করেন, ছবি মাত্রই এমন প্রাণীর ছবি যা চতুষ্পদ জন্তুবিশেষ; অথবা মানুষ এমন ছবির আওতাভুক্ত নয়। তবে, আমি মনে করি, এটি একটি ভুল ধারণা বা ব্যাখ্যা মাত্র। এ সম্পর্কে পরবর্তীতে আলোকপাত করছি। এছাড়াও হাদীছে আরও আছে - "হযরত আবু তালহা (রাদ্বিআল্লাহুতা’লা আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলে পাক (সল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ঘরে ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না।" (বুখারী শরীফ, ৯ম খন্ড, হাদীছ নং ৫৫৩৩) "হযরত আয়েশা (রাদ্বিআল্লাহুতা’লা আনহা) হতে বর্ণিত,... নবীজী (’আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন, ... আর যে ঘরে ছবি থাকে, সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না।" (বুখারী শরীফ, ৯ম খন্ড, হাদীছ নং ৫৫৩২) দ্বিতীয়ত, (উপরোক্ত হাদীছসমূহ অনুসারে) নামাজের ঘর রহমত হতে বঞ্চিত হওয়ার দরুন, তা বান্দাকে লা'নত দেয় এবং হাশরের ময়দানে বান্দার বিরুদ্ধে সাক্ষী হবে। তাই এ থেকে নিরাপদ থাকতে ঘরে প্রাণীর ছবি না রাখাই শ্রেয়। তৃতীয়ত, নবীজী (’আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) স্বয়ং ঘরে প্রাণীর ছবিযুক্ত কাপড় বা দ্রব্যাদি পছন্দ করতেন না। হাদীছে এসেছে - "হযরত আয়েশা (রাদ্বিআল্লাহুতা’লা আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজী (সল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের ঘরের এমন কিছুই না ভেঙ্গে ছাড়তেন না, যাতে কোনো (প্রাণীর) ছবি থাকত। (বুখারী শরীফ, ৯ম খন্ড, হাদীছ নং ৫৫২৮
টাকাতো পটেকে থাকে আর বাইরে থেকে তা দেখা যায় না তাই কোনো সমস্যা হবেনা।
আর ঘরে কোনো প্রাণীর ছবি রাখা হারাম তাই নামাজ হবেনা ।
টাকা সাথে নিয়ে নামায পড়লে নামায হবে। তবে যে ঘড়ে
ছবি থাকে, সে ঘড়ে নামায পড়া মাকরুহ হবে।
টাকা নিয়ে মসজিদ বা যে কোন জায়গা নামাজ পড়লে নামাজ আদায় হবে,,আর যে ঘরে, কুকুর বা জীব যন্ত্র বা মানুষের ছবি থাকে,সে ঘরে "রহমতের ফেরেস্তা প্রবেশ করেনা,,কিন্তু ঘরে যদি কোন প্রাণীর ছবি থাকে "নামাজ আদায় হয়ে যাবে।।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy