ক্রিকেট খেলে টাকা উপার্জন....?
4 Answers
অবশ্যই হালাল।কিন্তু আপনি যদি উপার্যন বলতে বাজির টাকা বুঝিয়ে থাকেন তবে এটি হারাম।
আপনি যদি পেশাদার ক্রিকেটার হন তবে অবশ্যই আপনি আপনার দল থেকে বেতন পাবেন। সেটা হালাল। কারণ আপনি আপনার দলের জন্য নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়েছেন। কিন্তু অনেকে বাজি ধরে ক্রিকেট খেলে সেই টাকাটা হারাম। কারণ, বাজি ইসলামে হারাম। তাই আপনি সঠিক পথে গিয়ে উপার্জন করলে সেটা হালাল হবে। আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন। বিস্ময়ের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
রাসুল [সঃ] ইরশাদ করেনঃ সকল প্রকার খেলাধুলা হারাম।
তিনটি বিষয় খেলাধুলার অন্তর্ভুক্ত নয়। যেমন, ১. তীরধনুক চালনা করা, ২. অশ্বকে প্রশিক্ষণ দান করা, ৩.নিজ আহলিয়ার সাথে শরীয়তসম্মত হাসি-খুশীকরা।’
(যে সকল খেলায় একপক্ষ জিতে এবং অপরপক্ষ হারে সেটাই হারাম)
অতএব হারাম কার্যের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ সরাসরি হারাম।
হযরত ইবনেআব্বাস রদ্বিয়াল্লাহুতায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে, ‘আল্লাহ পাক-এর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, মু’মিনের শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণ হচ্ছে সাতার কাটা,আর নারীর শ্রেষ্ঠ কাজহচ্ছে সূতা কাটা।’
হাদীছ শরীফ বা শরীয়তে যে সমস্ত বিষয়গুলোকে জায়িয বলা হয়েছেবা অনুমোদন করা হয়েছে, সে সমস্ত বিষয়গুলোতে যেমন দ্বীনি ফায়দা রয়েছে, তেমনি দুনিয়াবী ফায়দাও নিহিত রয়েছে। যেমন, তীর চালনা করা, অশ্বকে প্রশিক্ষণ দেয়া, সাতার কাটা, দৌড় অনুশীলন ইত্যাদি স্বাস্থ্যকে সুঠাম ও বলিষ্ঠ রাখার কারণ ।
যত প্রকার খেলা রয়েছে তার প্রত্যেকটির মধ্যেই কোন দ্বীনি বা দুনিয়াবী ফায়দা নেই।
ইসলামে হারাম করা হয়েছে। যে কোনো কাজ যা মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত রাখে তাই হারাম। ইমাম আবু হানিফা (র.) ইমাম মালিক (র.) সহ আরও অনেক ইমাম এক্ষত্রে একটা কুরআনের আয়াত প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন, "হে মুমিনগণ নিশ্চয় মদ, জুয়া,মূর্তি ইত্যাদি এবং লটারির তীর এসব গর্হিত বিষয় শয়তানি কাজ ছাড়া আর কিছুই নয়। কাজেই এসব বিষয় থেকে দূরে থাক,যাতে তোমাদের কল্যাণ হয়। শয়তান তো এটাই চায় যে মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদেরকে পরস্পরের মধ্যে হিংস্বা ও শত্রুতা এবং আল্লাহ স্মরণ এবং সালাত হতে তোমাদের বিরত রাখে। সুতরাং এখনো কি তোমরা ফিরে আসবেনা।( মায়েদাহ:৯০-৯১) আল কুরতুবী (র.) বলেছেন যে, এই আয়াত এটা নির্দেশ করে যে পাশা বা দাবা খেলা হারাম। যেখানে জুয়ার অস্তিত্ব থাকুক আর নাই বা থাকুক কারণ আল্লাহ তায়ালা মদকে হারাম করেছেন এবং পিছনে কারণও বল দিয়েছেন, আর কারণটা হচ্ছে, শয়তান মানুষের মাঝে নেশা ও বাজির মাধ্যমে ক্ষমতা ও বিদ্বেষ তৈরি এবং মানুষকে আল্লাহর স্মরণ এবং নামায থেকে বিরত রাখে। সুলাইম ইবনে বুরাইদা তার পিতা বুরাইরাহ (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেছেন।রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি পাশা বা দাবা খেলল বাকিটুকু মন্তবে..