3 Answers
এটা একটা ঝামেলার Group বলা চলে। একে তো Rare Blood Group তার ওপর শুধুমাত্র O Negative ছাড়া অন্য কোন Group থেকে রক্ত নিতে পারে না।
কিন্তু মজার ব্যাপার হলো বাকি সব Group কে রক্ত দিতে পারে! ঝামেলা বলতে বুঝিয়েছি O negative যার তার কোন Accident হলে donor পাওয়া বেশ ঝামেলা।
আর আপনি যদি বিয়ে শাদীর ক্ষেত্রে negative effects গুলো mean করে থাকেন তাহলে আমার জানা মতে মেয়ের negative আর ছেলের positive blood group হলে তাদের সন্তান হবার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।
তবে এসবের আধুনিক treatment আছে বলে জানি। ভাল গাইনি বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।
ক্ষতিকর আছে এমন টা সিউর না তবে কিছু রক্তের গ্রুপ ও মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দেখুন
বিভিন্ন প্রকারের গবেষণার মাধ্যমে রক্তের গ্রুপের সঙ্গে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের যোগসূত্র খোঁজা হয়েছে এবং সর্বাংশে মিল না হলেও প্রতিটি গ্রুপের মানুষের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেছে যা আলোচনা করা হলো।
ব্লাড গ্রুপ ও: মোট জনসংখ্যার শতকরা ৩৮ ভাগের রক্তের গ্রুপ ‘ও’ পজেটিভ এবং শতকরা ৬ ভাগের ‘ও’ নেগেটিভ। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষ স্বচ্ছ দৃষ্টিসম্পন্ন, গভীর মনোযোগী, উচ্চাকাক্সক্ষী, স্বাস্থ্যবান, বাকপটু, বাস্তববাদী, রোমান্টিক এবং অত্যন্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।
ব্লাড গ্রুপ এ: শতকরা ৩৪ ভাগ জনগোষ্ঠীর ব্লাড গ্রুপ ‘এ’ পজেটিভ। ‘এ নেগেটিভ’ ব্লাড গ্রুপের লোক সংখ্যা শতকরা ৬ ভাগ। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষ গোছগাছ প্রিয়, দক্ষ চাকুরে এবং খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়ে থাকে, এরা আত্মকেন্দ্রিক, সুবিচারক, শান্ত, নিয়মতান্ত্রিক, বিশ্বস্ত, নিয়মানুবর্তী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।
ব্লাড গ্রুপ বি: শতকরা ৯ ভাগ জনগোষ্ঠীর ব্লাড গ্রুপ ‘বি পজেটিভ’ এবং ‘বি নেগেটিভ’ এর ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২ ভাগ। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষরা স্বাধীনতচেতা, মেধাবী, নমনীয়, মনোযোগী, স্বাস্থ্যবান, সরল, দক্ষ, পরিকল্পনাবাদী, বাস্তববাদী, আবেগপ্রবণ এবং খুব বেশি রোমান্টিক হয়ে থাকে।
ব্লাড গ্রুপ এবি: শতকরা ৪ ভাগ লোকের রক্তের গ্রুপ ‘এবি’ পজেটিভ এবং মাত্র ১ ভাগ লোকের রক্তের গ্রুপ ‘এবি নেগেটিভ’। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষ সাধারণত সুবিবেচক, বুদ্ধিসম্পন্ন, হিসেবি, পরিকল্পনাবাদী, কৌশলী, সংবেদনশীল, সৎ, নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক হয়ে থাকে।
দৈনিক মানবকন্ঠ থেকে সংগৃহীত।।
ও নেগেটিভ রক্তের কথা বিশেষ ভাবে জানি না। তবে নেগেটিভ রক্ত হলেই কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।
গর্ভবতী মায়ের রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে এবং গর্ভের সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে অনেক সময় বিপত্তি ঘটে। কারণ প্রসবকালে মা ও সন্তানের রক্তের বিনিময় ঘটে। এসময় সন্তানের পজিটিভ রক্ত মায়ের শরীরে এবং মায়ের পজিটিভ রক্ত সন্তানের শরীরে চলে যায়। তখন পজিটিভ এবং নেগেটিভ রক্ত মিলে মায়ের শরীরে আর এইচ অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
প্রথম সন্তানের প্রসবে সমস্যা হয় না কারণ এর আগে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি। কিন্তু পরবর্তী সন্তানের ক্ষেত্রে সমস্যা হয়।
২য় বা পরবর্তী সন্তানের রক্তও পজিটিভ হলে মায়ের শরীরের অ্যান্টবডি রক্তের লোহিত কণিকাকে ভেঙ্গে দেয়। তাই সন্তানটি রক্তস্বল্পতায় ভুগতে থাকে এবং অন্যান্য অনেক সমস্যা হয়। বিশেষ করে শিশুটি জন্ডিসে আক্রান্ত হতে পারে। তখন মায়ের দুধ ছাড়া অন্যকিছু দেওয়া যাবে না।
তবে শিশুর রক্ত বদলাতে পারলে কোনো সমস্যা হবে না। আর মায়ের শরীরে যদি আর এইচ অ্যান্টিবডি ইমিইনোগ্লোবিন দেওয়া হয় তাহলেও সমস্যা হবে না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy