4 Answers

হাদীসে আছে, একজন হজ্ব করা ব্যক্তি সেই ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুর মতই নিষ্পাপ হয়ে যায়.... সুতরাং এ হাদীসের আলোকে বলতে চাই, হজ্ব কবুল হলে, তওবা করলে অবশ্যইশিরকের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন বলে আশা রাখি ।।।

3209 views Answered

জি, ক্ষমা হয়ে যাই।  হজ্জ করার পর যদি আবার শিরক করে তাহলে ক্ষমা করেনা।

3209 views Answered

আপনার হজ্জ যদি মহান আল্লাহতালা কবুল করেন

তাহলে মহান আল্লাহতালা আপনার সব গুনাহ মাফ

করে দিবেন, হোক তা শিরক,জিনা,খুন,খারাবী ইত্যাদি

যা হোক না কেন হজ্জ কবুল হলে আল্লাহতালা সব গুনা

মাফ করে দিবেন।

3209 views Answered

প্রথমে পবিত্র কুরআনের আয়াত গুলো দেখে নেই।


إِنَّ اللّهَ لاَ يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَن يَشَاء وَمَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدِ افْتَرَى إِثْمًا عَظِيمًا

অর্থঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল। (সূরা নিসাঃ আয়াত 48)


إِنَّ اللّهَ لاَ يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَن يَشَاء وَمَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلاَلاً بَعِيدًا

অর্থঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে। এছাড়া যাকে ইচ্ছা, ক্ষমা করেন। যে আল্লাহর সাথে শরীক করে সে সুদূর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (সূরা নিসাঃ আয়াত 116)



لَقَدْ كَفَرَ الَّذِينَ قَالُواْ إِنَّ اللّهَ هُوَ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ وَقَالَ الْمَسِيحُ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اعْبُدُواْ اللّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمْ إِنَّهُ مَن يُشْرِكْ بِاللّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللّهُ عَلَيهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَار 

অর্থঃ তারা কাফের, যারা বলে যে, মরিময়-তনয় মসীহ-ই আল্লাহ; অথচ মসীহ বলেন, হে বণী-ইসরাঈল, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর, যিনি আমার পালন কর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা। নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির (শিরক) করে, আল্লাহ তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন। এবং তার বাসস্থান হয় জাহান্নাম। অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরা মায়িদাঃ আয়াত 72)

মহান আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী শিরককারী কখনও মুসলমান হতে পারে না। কেউ যদি শিরক করে তাহলে তাকে আগে খাস তওবা করে কালিমা পড়ে মুসলিম হতে হবে। তারপর সামর্থ্য অনুযায়ী তার উপর ইসলামের ফরজ সমূহের বিধান অর্পিত হবে। হজ্জ করার সামর্থ্য থাকলে হজ্জ করতে হবে। উল্লেখ্য, যদিও হাদিসে আছে হজ্জ করলে নিষ্পাপ হয়ে যায়। আসলে দু একটি হাদিস দেখে ফতোয়া দেওয়া সম্ভব নয়। হজ্জ ইসলামের একটি রুকন। তাই হজ্জ করার মতো টাকা থাকলে হজ্জ ফরজ তাই হজ্জ পালন করতেই হবে। এতে আল্লাহর হক সম্পর্কিত অপরাধের ক্ষমা পাওয়া সম্ভব যদি হজ্জ কবুল হয়। কিন্তু বান্দার হক সম্পর্কিত কোনও অন্যায় বা পাপ করলে সেই ব্যক্তির কাছেই ক্ষমা চাইতে হবে।

3209 views Answered

Related Questions

Next steps