আমার বয়স ১৬ বছর।আমি আমার এই সংক্ষিপ্ত জীবনে অনেক নামাজ ইচ্ছা করে বা অলসতার কারনে ছেড়ে দিয়েছি?
আমার বয়স ১৬ বছর।আমি আমার এই সংক্ষিপ্ত জীবনে অনেক নামাজ ইচ্ছা করে বা অলসতার কারনে ছেড়ে দিয়েছি।কিন্তু আমি এখন আমার ভুল বুঝতে পারছি যে, ইচ্ছা করে নামাজ ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তির অনেক আজাব হবে।এখন আমি কি করতে পারি (কুরআন হাদিস অনুযায়ী)
5 Answers
আপনি তওবা করে এখন থেকে নিয়মিত সালাত আদায় করুন। বেশী বেশী নফল ইবাদত করুন। আর ইচ্ছাকৃত ছেড়ে দেওয়া নামায কায করলে কবুল হবে কি না তা নিয়ে মতভেদ আছে। অনেকের মতে ইচ্ছাকৃত অর্থাৎ অনেক সময় ইচ্ছাকৃত সালাত পরিত্যাগ কারীর সালাত কাযা না করে বেশী বেশী নফল ইবাদত ও তওবা ইস্তিগফার করা উচিত। কারন আল্লাহ বান্দার ফরজ ইবাদতে ঘাটতি হলে সুন্নত দ্বারা তা পূর্ন করার আদেশ দিবেন। আর আল্লাহর কাছে তওবা করলে, আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তা কবুল করবেন। কারন আল্লাহ খুবই দয়াল। যদিও কেউ কেউ উমরী বা পূর্ববর্তী সকল সালাতের কাযা আদায়ের কথা বলেছেন।
কিন্তু যেহেতু আল্লাহ তওবা কবুল করেন ও নফল দ্বারা ফরজের ঘাটতি পূরন করবেন। তাই প্রথম মতটি অনুযায়ীই আমল করেন।
আপনি প্রথমত আল্লাহর কাছে তওবা করুন । এবং পাচ ওয়াক্ত
নামাজ পড়া শুরু করুন । এবং আগের নামাজ গুলো কাযা আদায় করবেন । এবং জীবনে আর কখনো নামাজ ত্যাগ করবেন না । ইনশাআল্লাহ আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন ।।
যেহেতু আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ত্যাগ করেছিলেন তাই এর জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট ক্ষমা চান। আর যখনি সময় পাবেন তখনি ছেড়ে দেওয়া নামযের কাযা আদায় করবেন। সাধারণত ছেলেরা পরিপূর্ণ বালেগ হয় ১৫ বছর বয়সে, আর আপনি যদি বালেগ হন ১৫ বছর বয়সে তাহলে আপনার নামাজ কাযা হয়েছে মাত্র একবছরের নামাজ। এখন আপনি মাঝে মাঝে কাযা নামাজ আদায় করলে অল্প সময়ের ব্যবধানে সব কাযা নামাজগুলো আদায় করতে পারবেন।
অাপনি অাল্লাহর দরবারে খাঁটি ভাবে তাওবা করুন,অাশা করি অাল্লাহ অাপনাকে ক্ষমা করে দিবেন,অার উমরী কাযা পড়া অারম্ভ করুন।