পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে জানতে চাই।
2923 views

1 Answers

যেহুতু কিছু উল্ল্যেখ করেননাই তাই কাজা নামাজ পড়ার দলিল দেওয়া হলঃ-


 أبي سعيد عن قال شغلنا المشركون يوم الخندق عن صلاة الظهر حتى غربت الشمس وذلك قبل أن ينزل في القتال ما نزل فأنزل الله عز وجل {وكفى الله المؤمنين القتال} فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بلالا فأقام لصلاة الظهر فصلاها كما كان يصليها لوقتها ثم أقام للعصر فصلاها كما كان يصليها في وقتها ثم أذن للمغرب فصلاها كما كان يصليها في وقتها (رواه النسائي، رقم 660)হযরত আবু সাইদ রা. হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধে মুশরিকরা আমাদের যোহরের নামাজ থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত বিরত বিরত রেখেছিল। সেটা যুদ্ধের সময় সালাতুল খওফ সম্পর্কিত আযাত অবতীর্ণ হবার আগের ঘটনা। তারপর আল্লাহ তাআলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যুদ্ধে মুমিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট”। (সূরা আহযাব,আয়াতঃ ২৫)তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল রা.কে ইকামত দেয়ার আদেশ করেন। তিনি যোহরের সালাতের ইকামত দেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজের আসল ওয়াক্তে আদায় করার মত যোহরের কাযা নামাজ আদায় করেন। পরে আসরের জন্য ইকামত বলা হয়। নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন নামাজের আসল ওয়াক্তের মত আসরের কাযা নামাজ আদায় করেন। তারপর মাগরিবের আযান দেয়া হয় এবং তা নির্ধারিত সময়ে আদায় করার মত আদায় করেন। (নাসায়ী শরিফ;৬৬০ নং হাদীস)


হাদীসের বহু প্রসিদ্ধ কিতাবে এ ঘটনার উল্লেখ আছে। এই হাদীসে রাসূল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের নামাজ ছুটে যাবার পর তারা সকলে ধারাবাহিক ভাবে ছুটে যাওয়া নামাজ পড়েছেন।

2923 views

Related Questions