3 Answers

একশিরা রোগ  এমন একটি সমস্যা, যাতে পুরুষের অণ্ডথলির এক দিক বা উভয় দিক ক্রমশ তরলজাতীয় পদার্থ জমা হয় এবং বড় হতে থাকে।

সাধারণত কোনো কারণ ছাড়াই এই রোগ দেখা দিতে পারে। আবার কখনো কখনো আঘাত, অণ্ডকোষের ক্যান্সার বা সংক্রমণজনিত কারণে হতে পারে। ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের কারণে হতে পারে। চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা যেমন প্রস্টেট ক্যান্সার, তেজস্ক্রিয় চিকিৎসা বা ভেরিকোসিল অপারেশনের পরে এই রোগ দেখা দেয়ার প্রবণতা বাড়ে।

3807 views
পুরুষের অণ্ডকোষের বাইরের দিকে একধরনের পর্দা থাকে, যাকে বলা হয় টিউনিকা ভেজাইনালিস। যখন এই টিউনিকা ভেজাইনালিসের মাঝে পরিসড়ার তরল জমতে থাকে তাকে হাইড্রোসিল বলে। প্রাইমারি হাইড্রোসিলের ক্ষেত্রে ব্যথা না হয়ে ক্রমশ অণ্ডথলি বড় হতে থাকে। সব সময় টিউনিকা ভেজাইনালিসের দু’টি স্তরের মধ্যে কিছু তরল পদার্থ নিঃসৃত হতে থাকে। আবার যে মাত্রায় এই তরল পদার্থ নিঃসৃত হয় একই মাত্রায় তা পরিশোষিত হয়। যদি পরিশোষণ থেকে এই নিঃসরণের মাত্রা বেশি হয় তখন টিউনিকা ভেজাইনালিসের দু’টি স্তরের মাঝে তরল জমা হতে থাকে। যাকে বলা হয় হাইড্রোসিল।
হাইড্রোসিল বা একশিরা রোগ 

সাধারণত কোনো কারণ ছাড়াই এই রোগ দেখা দিতে পারে। আবার কখনো কখনো আঘাত, অণ্ডকোষের ক্যান্সার বা সংক্রমণজনিত কারণে হতে পারে। ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের কারণে হতে পারে। চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা যেমন প্রস্টেট ক্যান্সার, তেজস্ক্রিয় চিকিৎসা বা ভেরিকোসিল অপারেশনের পরে এই রোগ দেখা দেয়ার প্রবণতা বাড়ে। '
3807 views

একশিরা(Hydrocele): অন্ডকোষে জল সঞ্চিত হয়ে রোগটি দেখা দেয়। পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় রোগের বৃদ্ধি ঘটে। এতে প্রদাহ থাকে,সব সময় টনটন করে। এ রোগ হলে রোগীর হাঁটা চলা করতে অসুবিধা হয়। নড়া চড়া করতে রীতিমত কষ্ট বোধ হয়। জল সঞ্চয় হয়েছে বুঝতে পারার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করলে তাড়াতাড়ি সেরে যায়। চিকিৎসাঃ আঘাত লেগে এ রোগ হলে হোমিও-আর্নিকা ৩x. পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় রোগ ও প্রদাহ বাড়লে-সিলিকা ৬। রোগের প্রথম মুখে- স্পঞ্জিয়া ৩x. ডান দিকের অন্ডুকোষ আক্রান্ত হলে-রডোডেন্ডু ৩x বা রাসটক্স ৬। বাঁদিকের অন্ডকোষে আক্রান্ত হলে-গ্র্যাফাইটিস ৬ বা পলসেটিলা ৩। সূত্রঃ পারিবারিক হোমিও চিকিৎসা

3807 views

Related Questions

একশিরা রোগ?
1 Answers 3065 Views