আমি ধূমপান না করা সত্ত্বেও আমার ঠোঁট অনেক কালো। যা দেখতে রীতিমত বিব্রতকর।কোন মেডিসিনের মাধ্যমে কি ঠোঁট লাল করা যাবে অথবা কোন হার্বালের দ্বারা??দয়া করে কারো কাছে ১০০% কার্যকারী ফর্মুলা জানা থাকলে প্লিজ শেয়ার করুন
3011 views

1 Answers

ঠোট কালো মানেই ধুমপান করে তেমনটা

নয়। অনেকেরই জন্মগত/বংশগত/পরিবেশগত

ভাবে ঠোট কালো হয়। ঠোট গোলাপি/লাল

স্থায়ীভাবে করার কোনো উপায় নেই, অনেক 

মেডিসিন যেমন: ক্লোভেট ব্যবহার করতে উপদেশ

দেন তবে তা সাময়িক এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত। 

কঠোর পরিশ্রম করে প্রাকৃতিক ভাবে ঠোটের কালচে

ভাব দুর করতে পারেন। আগেই বলে রাখছি যে, কঠোর

পরিশ্রম। 

প্রাকৃতিক ভাবে ঠোট গোলাপি করার কার্যকরি টিপস...

লেবু ও মধুর মিশ্রণঃ


সমপরিমাণ লেবু ও মধু মিশিয়ে মিশীয়ে ঠোঁটে লাগান। ১ ঘন্টা রেখে দিন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন বা মুছে ফেলুন। এভাবে যতবার ইচ্ছে লাগাতে পারেন। আর এই মিশ্রণটি ফ্রিজে প্রায় ১ সপ্তাহের মত রেখে ব্যবহার করতে পারবেন। দেখবেন কিছুদিনের মাঝেই আপনার ঠোঁটের রঙ পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।


গ্লিসারিনঃ


শুষ্ক ঠোঁট দ্রুত রোদের সংস্পর্শে এসে কালো হয়। তুলোতে খানিকটা গ্লিসারিন নিয়ে ঘুমুতে যাবার আগে ঠোঁটে লাগান। সকাল পর্যন্ত ধোয়ার দরকার নেই। এভাবে ঠোঁটের শুষ্কতা ও কালচে ভাব দুটোই কমে আসবে।


পানিঃ


প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। ঠোঁটের রঙের ওপর পানিশুন্যতার ভূমিকা রয়েছে।


ঠোঁটের প্রসাধনীঃ


ঠোঁটের জন্যে কি প্রসাধনী ব্যবহার করছেন তাতে নজর বুলিয়ে নিন। সস্তা বা খারাপ মানের প্রসাধনী ঠোঁটের জন্যে ব্যবহার করবেন না। এতে ব্যবহৃত কেমিকেল ও রঙ আপনার ঠোঁটকে কালো করে ফেলে।


আমন্ড অয়েলঃ


আমন্ড অয়েল বেশ সহজলভ্য আর যেকোন প্রসাধনীর দোকানেই পাওয়া যায়। দামেও সস্তা। চুল, ত্বকের পাশাপাশি এটি ঠোঁটের জন্যেও ভালো। রাতে ঘুমুবার আগে ঠোঁটে আমন্ড অয়েল লাগিয়ে ঘুমান। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁটের গোলাপী রঙ ফিরে আসতে বাধ্য।


শশার রসঃ


দৈনিক একটুখানি শসার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। নিয়মিত ব্যবহার করে সপ্তাহখানেক পর ফলাফলটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।


সেই সাথে এক টুকরো লেবুতে খানিকটা চিনি মেখে ঠোঁটে ঘষতে পারেন। আর ধূমপান থেকে থাকুন দূরে। ঘন ঘন চা কফি একদম নয়। আর একটু নিয়ম করে ঠোঁটের যত্ন।

3011 views

Related Questions