চুল ও ওঠার কারন প্রতিরোধ ও প্রতিকার?
আমি clear স্যাম্পু use করি।
মাঝে মাঝে sunsilk স্যাম্পু use করি। আবার মাথায় তেল দেই বেলিফুল তেল।
কিন্তু কয়দিন থেকে আমার মাথায় হাত দিলেই ৪-৫ টি চুল উঠছে।
কি করলে এর সমাধান পাব
4 Answers
অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন চুল পড়া বা টাকের প্রধান করণ। অপুষ্টি এবং বংশগত কারনেও চুল পড়ে। চুল ওঠা রোধ করতে ই-ক্যাপ ট্যাবলেটটি সেবন করতে পারেন। এটি চুলের প্রয়োজনিয় পুষ্টির যোগান দেয়।
চুল পড়ার কারনঃ বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। যেমন, জিনগত কারণ বা জেনেটিক এন্ডজেনিক এলপেসিয়া ‘র কারণে চুল পড়লে তা ফেরত পাওয়া দুষ্কর । কিন্তু যদি তা টেলোজেন ইফ্লুভিয়াম হয় যা কিছু সময়ের জন্য চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়, এ থেকে সহজেই পুর্বাবস্থায় ফেরত যাওয়া যায়। ১. প্রোটিন বা আমিষের অভাবঃ নতুন চুলের কোষ তৈরি হবার জন্য চুলের চাই পুষ্টি। চুলের জন্য প্রধান পুষ্টি হল আমিষ জাতীয় খাদ্য। যথেষ্ট পরিমাণ আমিষের অভাবে নতুন চুল গজাতে পারেনা। এর ফলে চুল পাতলা হয় ও কমে যায়। ২. খুশকি বা মাথার ত্বকের সোরিয়াসিসঃ মাথার ত্বক এর বিভিন্ন রোগ এবং খুশকির সমস্যা চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়। জোরে চিরুনি দিয়ে আচড়ানো বা নখ দিয়ে চুলকানোর ফলে হেয়ার ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও চুল পড়ে। ৩. শারীরিক ও মানসিক চাপঃ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও মানসিক চাপ এর ভেতর দিয়ে গেলে চুল পড়ার হার বেড়ে যায়। পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা এবং বিভিন্ন মেজর অপারেশন বা রোগের কারণে দ্রুত ওজন হ্রাস হয় ইত্যাদি কারণে চুল পড়ার হার বেড়ে যেতে দেখা যায়। ৪. অটো ইমিউন রোগব্যাধিঃ লুপাস, রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, থাইরয়েড সমস্যা, সিকেল সেল এনিমিয়া, আয়রন ডেফিসিয়েন্সি এনিমিয়া ইত্যাদি রোগে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে থাকে। ৫. চুল বাঁধার স্টাইলঃ বিভিন্নভাবে চুল বাঁধার ফলে চুলের আগা ফেটে যায়, চুল দুর্বল হয়ে পড়ে । টাইট করে পনিটেইল করলে বা বেনি করলে চুল পড়ার হার বাড়তে পারে। আবার অনেকদিন ধরে একই হেয়ারস্টাইল চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। ৬. হেয়ারস্টাইল এর ক্ষেত্রে উচ্চ তাপ এর ব্যবহার এবং রিবন্ডিংঃ উচ্চ তাপে ব্লো ড্রাই বা তাপ দিয়ে চুল সোজা করা বা কার্ল করলে চুল তার স্বাভাবিক লাবণ্য হারিয়ে শুষ্ক হয়ে ভেঙে যায়, এর ফলে চুল পড়ে যায়। এছাড়া রাসায়নিক ব্যবহার করে চুল রিবন্ডিং করলে চুল পড়ে যেতে দেখা যায়। ৭. কতিপয় ঔষধের ব্যবহারঃ কিছু কিছু ঔষধ সেবনের ফলে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। রক্তচাপজনিত রোগে ব্যবহৃত ঔষধ, এন্টি ডিপ্রেস্যান্ট জাতীয় ঔষধে চুল পড়তে পারে। জন্মনিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ঔষধেও চুল পড়তে পারে। বিভিন্ন চিকিৎসায় রেডিয়েশনে চুল পড়তে দেখা যায়। প্রতিরোধ বা প্রতিকার উক্ত কারন গুলো না করা
চুলে নানারকম নিম্নমানের কেমিক্যাল ব্যবহারের ফলে চুল দুর্বল হয়ে যায়। তা ছাড়া নানারকম দূষণ, মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাদ্য গ্রহণ এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন; নানারকম অসুখ কিংবা ব্যক্তিগত কারণে বর্তমানে অনেক রকম বয়সীর চুল ঝরে যাচ্ছে।আমলকী ও আম গাছের কচিপাতা একসঙ্গে পিষে মাথায় মাখলে চুল ওঠা বন্ধ হয় ও চুলের গোড়া শক্ত হয়। চুল পড়া বন্ধ করতে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খান অথবা ই ক্যাপ নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে চুলে লাগান।
বর্ণনা অনুযায়ী আপনার চুলের কোন
সমস্যা নেই, বিশেষজ্ঞদের মতে দৈনিক
100 টি চুল পড়াও স্বাভাবিক। মাথার চুল
পড়ে আবার স্বাভাবিক ভাবেই গজায়।
আপনি নিয়মিত ক্নিয়ার ম্যান শ্যাম্পু ব্যবহার
করুন, নিয়মিত বেলিফুল অথবা নারকেল
তেল ব্যবহার করুন।