পেটে সমস্যা অনেক মাস ধরে?
- আমার পেটে ৭/৮ মাস যাবত সমস্যা - শুরু অনেক দিন পাতলা পায়খনা ছিলো, (মাস খানিক) তারপর থেকে পেটে গুড়ুম গাড়ুম করে পায়খানা ঠিক ঠাক হয় না অনবরত ডেগর উঠে - মাঝে মাঝে সাপ্তাহে একদিন সকালে ভালো পায়খানা হয় । বেশীর বাগ সময় দুপুরের খাওারের পর ৪/৫ থেকে খাবার টা পেটে গিয়ে ঘুড়ুম গাড়ুম করার পর পায়খানার চাপ আসে এবং পাতলা পায়খানার মত অল্প পায়খানা হয় এবং কয়েকবার যাওয়া লাগে তাছাড়া অনবরত গ্যাস এবং ডেকর উঠে । ডাক্তার আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করিয়েছে পেটে গ্যাস ছাড়া কিছু নেই। দেন কোলোনোস্কপি করিয়েছে এখানেও কোন সমস্যা নেই । খাওয়ার হজম না হয়ে গ্যাস ক্রিয়েট করে পায়খানার চাপ সৃষ্টি করে। আর ডেগর উঠা অনবরত। এছাড়া পায়ু পথ দিয়েও অনবরত গ্যাস যায় । পেটের এই সমস্যার কারনে মাঝে মাঝে পেটে ব্যাথাও হয় । তবে সমস্যাটা নিত্য দিনের সঙ্গি। এই ছয় মাসের মধ্যে শরীরের ওজন কমেনি। মানে স্থীর আছে। জ্বর আসেনি। কপ কাশির একটু সমস্যা পেস করেছি - এটা আশা করি ঠান্ডার কারনে । সব কিছু মিলিয়ে হতাশ অবস্থাউ আছি। এই সাত/আট মাসের মধ্যে হোমিও ডাক্তার ও দু বার দেখিয়ে ওষুধ খেয়েছি কোন ফল পাইনি। তবে আমার খাওারের রুটিং খুব একটা স্বাভাবিক না- ব্যাচলর দের যা হয়। আশা করি সুন্দর কিছু পরামর্শ দিবেন । আমি মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার দেখিয়েছিলাম। ধন্যবাদ
2498 views
1 Answers
তীব্র গ্যাস এবং গ্যাস সংক্রান্ত ব্যথা থেকে আপনি কেবল আপনার খাদ্য তালিকা পরিবর্তনকরেই মুক্তিপেতে পারেন। মনে রাখবেন যে যদিও বেশি আঁশযুক্ত খাবারগুলো গ্যাস তৈরি করে কিন্তু এই খাবারগুলোই আবার একটি অস্বাস্থকর খাদ্য তালিকার জন্যে অপরিহার্য খাবার। ফল এবং শাকসব্জি এবং বিচি জাতীয় খাবার এবং আস্ত খাদ্যকণা যেগুলো সেগুলো বাদ না দিয়ে বরং পেটে যাতে গ্যাস না হয় সেজন্যে খাদ্য তালিকার পরিবর্তন করে দেখতে পারেন l শুকনো সিমের বিচি কিনুন। সারারাত সেগুলো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার পানি ফেলে দিয়ে পরিস্কার পানিতে বিচিগুলো রান্নার জন্যে চড়িয়ে দিন। লক্ষ্য রাখবেন বিচিগুলো যেন পুরোপুরি সেদ্ধ হয়। প্রচুর পরিমাণ পানি বা পানীয় পান করুন। যেসব খাবার বা স্ন্যাকস-কেমিষ্টি করার জন্যেফন্সুকটোজ (ফলের চিনি) ব্যবহার করা হয় বা সরবিটল(কৃত্তিমচিনি) ব্যবহার করা হয় সেগুলো পেট ফাঁপার জন্যে দায়ী। আস্তে আস্তে খান, খাবার পুরোপুরি চর্বনকরুন, এবং বেশি খাওয়া পরিত্যাগ করুন। (মনে রাখবেন যে খাবার পর পেটভরেছে এইঅনুভূতি আসতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে।) খাবার পর হালকা হাটা চলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মধ্যম ধরনের শরীর চর্চা হজমি শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে এবং গ্যাস দ্রুত নির্গমনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। কার্বোনেটেড পানীয় (যেমন কোকা কোলা, পেপসি ইত্যাদি), চুইং গাম, এবং স্ট্র দিয়ে সিপ করে করে পান করার অভ্যাসত্যাগ করুন। এগুলোর প্রত্যেকটিই আপনার পাকþহলিতে গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। আমার একটি কথা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করুন, অসুস্থ বোধ করলে যেটি সবচেয়ে দরকারি সেটি হল ডাক্তারের কাছে যাওয়া।
2498 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy