4 Answers
প্রতিদিন 1কেজি খিরাই বা শশা খান। এতে আপনার শরিরের চর্বি কমে যাবে। এবং ব্যয়াম করুন। পারলে জিমে ও যেতে পারেন। আর চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
পেটের মেদ কমানোর বেশ কিছু পন্থা আছে। আসুন প্রধান কয়েকটি পন্থা নিয়ে আজকে আলোচনা করা যাক। ১/সময়মতো ঘুম আপনার যদি রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস থাকে তাহলে আরেকবার ভাবুন। কারণ অসময়ের ঘুম আপনার শরীরের জৈবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। এর ফলে আপনার শরীরে খাদ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। পেটে চর্বি জমার প্রবণতা প্রায় ৫গুন বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও শরীরে হরমোনের ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যায়। যা আপনার মুটিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাই মেডিক্যাল সায়েন্সের ভাষায় রাতের ৭ঘন্টা ঘুমই শরীর ঠিক রাখতে শ্রেষ্ঠ। ২/ছোট ছোট কিছু ব্যায়াম বেশিরভাগ মানুষই মনে করে জিম করা বা কষ্টকর ব্যায়ামই দিতে পারে পেটের মেদ থেকে মুক্তি। কিন্তু এ ধারণা ভুল। কারণ ছোট ছোট কিছু ব্যায়াম আপনি যদি নিয়মিত করতে পারেন তাবে এগুলোই আপনার জন্য যথেষ্ট। যেমন ফ্লোর ক্রাঞ্চেস্, বার- পিস, সিঙ্গেল লেগ স্কোয়াট, পুশ-আপস্, চেয়ার ডিপস্ ৩০ সেকেন্ড করে দিনে ৪-৫ বার করে দেখুন। এর পাশাপাশি প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ হাটুন। ৩/ভিটামিন সি এর সাথে থাকুন ভিটামিন সি সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি। টক জাতীয় ফলমূলে প্রচুর ভিটামিন সি আছে। এই উপাদানটি আমাদের শরীরে সেই হরমোনটির ব্যালেন্স ঠিক রাখে যেটি শরীরে মেদ নিয়ন্ত্রন করে। ভিটামিন সি কারনিটিন নমক প্রয়োজনীয় একটি উপাদান তৈরী করে, যা শরীরে চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে।
যেহেতু হালকা মেদ হয়েছে, সেহেতু আপনি ১ মাস খালি পেটে সকালে লেবুর রসের সাতে গরম পানি করে ১ গ্লাস খেলে মেদ ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%