ভিন গ্রহের প্রাণির সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই?

যেমনঃ এদের অস্তিত্ব সত্যিই আছে কিনা? ইত্যাদি
3060 views

7 Answers

ভীনগ্রহে প্রানীর কোন অস্তিত্বই নেই | মহাগ্রন্থ আল কোরআনেই বর্নিত আছে পৃথিবী ছারা আরো কোথাও প্রানের কোন অস্তীত্ব নেই |

3060 views Answered

ভিন্ন গ্রহের প্রাণী এলিয়েন নামে পরিচিত। তবে এলিয়ের খোঁজ আদৌ পাওয়া গেছে কিনা তার প্রমাণ নেই।

3060 views Answered

বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত ভীনগ্রহে কোন গ্রহের প্রাণী অবিস্কার করতে সক্ষম হয়নি।

3060 views Answered

ভিন্ন গ্রহের প্রাণী এলিয়েন নামে সর্বাধিক পরিচিত । বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোক এলিয়েন দেখেছেন বলে দাবি করলেও তা গ্রহনযোগ্য হয় নি । তবে এলিয়েনের খোঁজ চলছে ।

3060 views Answered

পৃথিবী বাদে মহাবিশ্বের অন্য যেকোনো গ্রহে (হতে পারে সেটা আমাদের সৌরজগতের কোনো গ্রহ বা সৌরজগতের বাইরের অন্য যেকোনো স্থানের) কোনো প্রাণীর অস্তিত্ব পাওয়া গেলে সেটাকে আমরা ভীন গ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন বলে আখ্যায়িত করবো । যদিও এখন পর্যন্ত এমন কোনো গ্রহ খোজে পাওয়া যায় নি যাতে প্রাণ আছে । আমাদের প্রযুক্তি আর কতটুকু উন্নত এই সুবিশাল মহাবিশ্বায় তুলনায় ! এই নগন্য প্রযুক্তি দিয়ে এখন পর্যন্ত মহাকাশের যতটুকু অনুসন্ধান করা গেছে ততটুকুতে এলিয়েন পাওয়া যায়নি । তবে কিছু কিছু গ্রহ পাওয়া গেছে যেগুলোতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার মতো পরিবেশ থাকতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন । হয়তো আমরা একদিন এলিয়েনদের খুজে পাবো । আমি ব্যক্তিগত ভাবে এলিয়েনের অস্তিত্বে বিশ্বাসী । এতো সুবিশাল মহাবিশ্বে শুধু আমরা একা আছি তা আমার বিশ্বাস হয় না ।

3060 views Answered

 কুরআন বহু আগেই বলে রেখেছে, ভিনগ্রহে প্রাণী আছে। আছে নানা রকম উপাদান। পৃথিবীর মতোই বহু গ্রহ উপগ্রহ রয়েছে। তাদের অস্তিত্বের কথাও ঘোষণা করেছে কুরআন। কিন্তু মানুষের কাছে একসময় এগুলো ছিল অবিশ্বাসের মতো। কিন্তু বিজ্ঞানের উন্নতিতে এখন মানুষ মানতে বাধ্য হচ্ছেন, সত্যিই ভিনগ্রহে প্রাণী আছে। কোনো কোনো বিজ্ঞানী তো আশঙ্ক করছেন, ভিনগ্রহের প্রাণীরা যদি প্রযুক্তিতে আমাদের চেয়েও বেশি বেশি শক্তি হয় তবে পৃথিবীর জন্য বিপদ। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আল্লাহ তিনিই, যিনি সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য আকাশ আর অনুরূপ সংখ্যক পৃথিবী। তাদের উপরও আল্লাহর নির্দেশ অবতীর্ণ হয়; (এ তথ্যটি) এ জন্য যাতে তোমরা অবগত হও, আল্লাহ সর্বশক্তিমান ও সর্বাজ্ঞ।’ [তালাক : ১২] আয়াতটিতে আল্লাহ ইঙ্গিত দিয়েছেন পৃথিবীর মতো আরো অসংখ্য পৃথিবী রয়েছে। রয়েছে গ্রহ উপগ্রহ। যেখানে মহান আল্লাহর নিদর্শন অবতীর্ণ হয়। নিদর্শন অবতীর্ণ হওয়ার দারা মুফাসসিরগণ উদ্দেশ্য করেছেন, এসব গ্রহেও প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। তা না হলে নিদর্শন অবতীর্ণ হবে কাদের জন্য। এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণী সম্পর্কে আল-কুরআনের ধারণা অনেক বেশি সুস্পষ্ট। যেখানে বিজ্ঞান বিষয়টি নিয়ে এখনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে। আর পবিত্র কুরআনের বর্ণনা যে ভুল নয় তার প্রমাণ গত কয়েক বছর ধরে এলিয়েন নিয়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা। হলিউড বলিউডে এ নিয়ে অসংখ্য মুভি হয়েছে। মিডিয়ায় তুলে ধরা হচ্ছে এলিয়েনের ব্যাপারে হাজারও তথ্য। আর বিজ্ঞান যে অদৃশ্য বা ভিনগ্রহের প্রাণের অস্তিত্ব অস্বীকার করে তাও ভুল প্রমাণ করেছে এলিয়েনের উপস্থিতি। খ্রীষ্টপূর্ব পাঁচ শতকে থেলাস সর্বপ্রথম ভিনগ্রহের প্রাণীর ধারণা পোষণ করেন। তার ধারণা মতে, ‘দৃশ্যমান গ্রহ ব্যবস্থা ছাড়াও অন্য কোন জীবনবহুল জগত রয়েছে।’ এমনিভাবে মধ্যযুগের জ্যোতির্বিদগণও পৃথিবীর বাইরে অন্যান্য গ্রহে জীবনের কল্পনায় শুধু করতেন না, তারা কল্পিত জগতগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনেরও নিরন্তর প্রয়াস ও ধ্যান ধারণার চিহ্ন রেখে গেছেন ইতিহাসের পাতায়। বিখ্যাত গণিতবিদ সি এফ গাউস সাইবেরীয় জঙ্গলের বৃক্ষরাজিতে একটি অতিকায় ত্রিকোণ তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন যা অন্যান্য গ্রহের অধিবাসিগণকে আকৃষ্ট করতে সমর্থ হবে। জে জে ভন লিট্রো সাহারা মরুভূমিতে জ্যামিতির পদ্ধতি অনুসারে সুবৃহৎ আকৃতির নালা তৈরি করে তাতে কেরোসিন ঢেলে রাতের বেলায় আগুন ধরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব রাখেন। সি গ্রস দিনের সূর্যালোকে অতিকায় আয়না স্থাপন করে আলোর প্রতিফলন ঘটিয়ে ভিন গ্রহের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ পর্যন্ত দান করেছিলেন। এই তো গেল প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় দার্শনিকদের প্রচেষ্টা। আর আধুনিক যুগে ভিনগ্রহের প্রাণীর সন্ধানে পৃথিবীতে এবং পৃথিবী থেকে পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন অভিযান। ভিনগ্রহের প্রাণীদের সম্পর্কে আংকিক কিংবা যৌক্তিক কিংবা বিশ্বাসগত এই বিপুল সমর্থনের কারণেই গবেষকরা খুঁজে চলেছেন প্রাণের অস্তিত্ব। এই সন্ধান-কার্যক্রমে গবেষকরা একদিকে অতীতের ঐতিহাসিক উৎসে খোঁজ করছেন ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব আর বিজ্ঞানীরা খোঁজ করছেন পৃথিবীর বাইরের গ্রহ কিংবা উপগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব। শুধু বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক নয় গণমাধ্যমও রেখে যাচ্ছেন এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। লেখা হয়েছে বই, প্রকাশিত হয়েছে পত্রিকার প্রতিবেদন, তেমনি তৈরি হয়েছে গান, চলচ্চিত্র এবং এ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র। যা নতুন করে বলার কোন অবকাশ রাখেনা, কারণ এগুলো সম্পর্কে আমরা সকলেই জানি। আর কুরআন তো আগেই বলে রেখেছে বিশ্ব জগতের খবর। বলেছেন, ‘মহান আল্লাহই জগতসমূহের প্রতিপালক। বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।’ [সুরা মুমিন : ৬৫] আল-কুরআনের আরো অনেক আয়াতে ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে যে- শুধু আমাদের এই পৃথিবীই নয়, অন্য কোন অজানা প্রান্তেও রয়েছে আল্লাহর সৃষ্টি জীব। কিন্তু এর বিপরীতে মহাবিশ্বের কোথাও প্রাণ নেই এরকম কোন বার্তা আল-কুরআনে দেয়নি। মহাবিশ্বে বা মহাশূন্যে প্রাণের অস্তিত্ব সম্পর্কে সবচেয়ে স্পষ্ট বর্ণনা এসেছে আল কুরআনের সুরা শুরার ২৯ নং আয়াত। আল্লাহ পাক সেখানে স্পষ্ট বলেছেন, ‘তাঁর এক নিদর্শন নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন।’ [সুরা শুরা : ২৯] আল্লাহ পাক এখানে স্পষ্টই বলেছেন তিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডণ উভয়ে জীব জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। সুতরাং স্পষ্ট এ আয়াতের পর মহাশূন্যে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে আর কোনো যুক্তি টিকতে পারে না।

3060 views Answered

ভিন গ্রহের প্রণী বা এলিয়েন আছে কিনা সেটার সন্ধান কাজ এখনো চলেছে। তবে আমি বিশ্বাস করি তারা আমাদের গ্লাক্সিতে না থাকলেও অন্যকোন গ্লাক্সিতে আছে। আল -কোরান বলে- মহাবিশ্বের সব যায়গায় আল্লাহ বিভিন্ন প্রানী ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছেন। এটা থেকে এটাই বুঝতে পারি এলিয়ান আছে। বিজ্ঞান কি বলে? বিজ্ঞানীরা এখনো এলিয়েন খুঁজে পায় নি।তবে বিজ্ঞান মনে করে তারা থাকলেও মানুষের মতো হবে না। তারা যদি মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণী হয় বা তার থেকেও বেশি হয় তবে কি হবে? আমাদের কি টিকতে দিবে? তাদের সাথে কি বন্ধুত্ব করতে পারব?  বিজ্ঞান এরকম প্রশ্ন  নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো (UFO)এলিয়ান সম্মন্ধে তেমন কিছুই জানতে পারেনি। আমার মতামত - এলিয়েন আছে তবে সেটা আমাদের থেকে শ্রেষ্ঠ নয়। আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন -মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। এলিয়ান সমন্ধে জানার আগে আমাদের পৃথিবীর সকল প্রাণীকে জানা প্রয়োজন তা না হলে ভুল বসত পৃথিবীর প্রণীকেই এলিয়েন ভেবে বসব। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা সেটাই করছে। একটা কথায় বলব এমনটাও হতে পারে এলিয়ান মানুষকে দেখতে পায়। মানুষ তাদের খোঁজ করছে বলে তারা মানুষের কাছে ধরা দিচ্ছে না। হয়তো বা ভয় পাচ্ছে।

3060 views Answered

Related Questions

Next steps