কোরআন হাদিস মোতাবেগ একজন ইসলাম ধর্মের মেয়ের কত বছর বয়স থেকে পর্দায় থাকতে হবে?
5 Answers
সাত বছর থেকে পর্দা করা উচিত।
কারন সাত বছর পর থেকে মেয়েটিকে বাগেলা
বলে গন্য করা হয়,
কোন মেয়ে পর্দা না করলে সেই মেয়ের শরীরের যত টুকু
অংশ কোন পর পুরুষ দেখবে মৃত্যুর পর সেই মেয়ের
সেই সমস্থ স্থান গরম আগুনের সীসা ঢেলে দেওয়া হবে
মেয়ের বয়স ৭ হলে পর্দা করা ফরজ। যদি ৭ বছরে পর্দা না করে। তাহলে ১০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করা । এবং ১০ বছর বয়সে যদি পর্দা না করে , তাহলো কবিরাহ গুণাহ হবে। তবে, ৭ বছর বয়সে পর্দা না করলে গুণাহ হবে না। কারণ এসময় অনেক শিশুর জ্ঞান থাকেন। কুরআন হাদিসে পর্দা করার ব্যপারে তাগিদ দেওয়া থাকলেও এর সঠিক সময় বলা নেই। তবে তিরমিযির একটি হাদিস হলো, "যখন থেকে সাবলক হয়, তখন থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়। এবং তার পাপ লিপিবদ্ধ হয়" (তিরমিযি 1/252 পৃষ্টা)। এখন বলুন, প্রাপ্ত বয়স্কর সময় কত? ১০ বছর।
এর জন্য নির্দিষ্ট কোন বয়স নেই। শারীরিক গঠনে পরিবর্তন দেখা দিলে এবং সাবালিকা হ’লে তার উপর পর্দা ফরয হয়ে যায়। তবে সাবালিকা হওয়ার পূর্ব থেকেই পর্দার অভ্যাস গড়ে তোলা যরূরী (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১৭/২১৯)। ছাহাবায়ে কেরাম তাদের শিশুদের ছালাত ও ছিয়ামের প্রশিক্ষণ দিতেন। এমনকি ছিয়ামরত শিশুদের খেলনা দিয়ে খাবারের কথা ভুলিয়ে রাখতেন (বুখারী হা/১৯৬০, মুসলিম হা/১১৩৬)। সাধারণতঃ নয় বছর বয়সে মেয়েরা সাবালিকা হয়। যেমন আয়েশা (রা) বলেন, যখন কোন শিশু নয় বছর বয়সে পদার্পণ করে তখন সাবালিকা হয়ে যায় (তিরমিযী হা/১১০৯)
এর জন্য নির্দিষ্ট কোন বয়স নেই। শারীরিক গঠনে পরিবর্তন দেখা দিলে এবং সাবালিকা হলে তার উপর পর্দা ফরয হয়ে যায় তবে সাবালিকা হওয়ার পূর্ব থেকেই পর্দার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরী। (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১৭/২১৯) সাহাবায়ে কেরাম তাদের শিশুদের সালাত ও ছিয়ামের প্রশিক্ষণ দিতেন। এমনকি সিয়ামরত শিশুদের খেলনা দিয়ে খাবারের কথা ভুলিয়ে রাখতেন। (বুখারী হা/১৯৬০,মুসলিম/১১৩৬) সাধারণত:নয় বছর বয়সে মেয়েরা সাবালিকা হয়। যেমন: আয়েশা রাঃ বলেন,যখন কোন শিশু নয় বছর বয়সে পদার্পণ করে তখন সাবালিকা হয়ে যায়।(তিরমিযী হা/১১০৯)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy