5 Answers
এমন কিছু অসাধারণ
খাবারের নাম, খাদ্য
তালিকায় যারা স্থান পেলে
বাড়বে দেহের উচ্চতা।
১. আপেল :
আপেলে থাকা ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে। তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘন্টা আগে একটি করে আপেল খেতে
দিন এতে করে ফাইবারটি
লম্বা হতে সাহায্য
করে থাকবে।
২. আভাকাডো :
দুপুরে খাবার সময়ে অর্ধেকটা আভাকাডো দেহে বিভিন্ন পুষ্টি
সরবরাহ করে থাকে। এত করে লম্বা হতে সহায়তা করে থাকে।
৩. স্যুপ :
স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে ক্যালরি রয়েছে যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে।
৪. মটরশুটি, ছোলা, মসূর :
এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস,
ভিটামিন বি এবং আয়রন
রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বুদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে
থাকে।
৫. ডার্ক চকোলেট :
বাচ্চাদের এমনিতে চকোলেট খেতে দেয়া হয় না। কিন্তু এই ডার্ক চকোলেটও বাচ্চাদের
লম্বা করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ক্যালরি কোষ বদ্ধি করে ফলে বাচ্চারা লম্বা হয়ে
ওঠে।
৬. ডিম :
ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে প্রোটিন এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। এর ফলে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হয়।
৭. বাদাম :
বাদাম বা কাজুবাদামও
স্বাস্থ্য উপযোগী একটি
খাবার। এটিতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন, ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়, এবং লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে।
লম্বা হওয়ার জন্য যেসব খাবার গ্রহণ করবেনঃ প্রোটিন ও ভিটামিন,আপনার খাদ্য তালিকাতে যোগ করুন লম্বা হতে চাইলে। যেমন ধরুন, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করে, কারণ এতে ক্যালসিয়াম গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়, হাড়েড় গঠন সবল হয় ও রোগ োটিন ও পুষ্টির অভাবে, বেড়ে ওঠার হার স্থিমিত হয় এবং লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাই এই সব খাবারের সাথে সম্পূরক পুষ্টি যোগানকারি প্রতিরোধ শক্তি বেড়ে ওঠে। নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু সারিয়ে, নতুন টিস্যুর গঠনে সাহায্য করে প্রোটিনযুক্ত খাবার আপনাকের স্বাস্থ্যবান বানায় ও লম্বা হতেও সাহায্য করে। ভিটামিন ডি ও প্রোটিন ছাড়াও, ক্যালসিয়াম আরেকটা অতি প্রয়োজনীয় মিনারেল উচ্চতা বাড়ানোর জন্য। ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার আপনার হাড়ের বেড়ে ওঠা ও শক্তিশালী হতে সাহায্য করে থাকে। তাই শক্ত, সবল, স্বাস্থ্যকর হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, তার সাথে দুগ্ধ জাতীয় খাবার যেমন দুধ, পনীর (চিজ্), দই ইত্যাদি গ্রহণ করুন।
মিনারেলস:
পর্যাপ্ত পরিমান বিভিন্ন রকমের মিনারেল আমাদের খাবার তালিকায় রাখতে হবে।আমাদের দেহে প্রতিটি কাজে মিনারেলের ভূমিকা রয়েছে ।হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।বিষেশভাবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যেন পরিমান মত গ্রহন করা হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ছোট মাছ,খেজুর,বাধাকপি,ফুলকপি, ব্রোকলি,পালং শাক, পুই শাক ইত্যাদিতে ভাল পরিমান ক্যালসিয়াসম আছে।
দুগ্ধজাত খাবার,মাছ, মাংস, এমনকি সবজিতেও ফসফরাস আছে।আয়রন পাওয়া যায় খেজুর, ডিমের কুসম,কলিজা,পরুর মাংসে।ম্যাগনেসিয়াম আছে আপেল, জাম্বুরা, ডুমুর,লেবু ইত্যাদিতে।জিন্ক পাওয়া যায় ডিম, সূর্যমূখীর বীচিতে।
ভিটামিন :
আমাদের প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু খাবারের ভিটামিন দেহে কতটুকু গৃহিত হচ্ছে তা বোঝা বেশ কঠিন। তাই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।Vitamin B-1 আছে চীনা বাদাম,লাল চাল,গমে। Vitamin B-2 আছে মাছ, ডিম, দুধে। Vitamin B-6 রয়েছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংসে।
Vitamin D পাওয়া যায় মাছের তেল, দুগ্ধজাত খবার থেকে।Vitamin E আছে ডিম, সয়াবিন, গমে। Vitamin A আছে ডিমের কুসুম, গাজর,দুধ ,কলিজায়।
প্রোটিন:
হাড়ের বৃদ্ধির সাথে সাথে মাংস পেশীরও বৃদ্ধি পেতে হবে লম্বা হওয়ার জন্য।আর মাংস পেশির বৃদ্ধি ও মজবুত হওয়ার জন্য প্রয়োজন প্রোটিন।খাবার তালিকায় ভাল মানের প্রোটিন যেমন- মাছ, মাংস, ডিম রাখুন।বিভিন্ন রকমের ডাল,মটরশুটি, সীমের বীচি, কাঠালের বীচি ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন পাওয়া যায়।খাবার তালিকায় সয়া প্রোটিন,বিভিন্ন রকমের প্রোটিন সেইক যোগ করতে পারেন।
কার্বোহাইড্রেট:
অনেকেই লম্বা হওয়ার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশী পরিমানে গ্রহন করে থাকেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট লম্বা হওয়াকে বাধাগ্রস্থ করে।কারণ বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট গ্রহন মানে রক্তে বেশী পরিমান গ্লুকোজ।এর ফলে ইনসুলিন নামক হরমোনও নিঃসৃত হবে বেশী।এবং ইনসুলিন দেহের গ্রোথ হরমনের কার্যকারীতা কমিয়ে দেয়।তাই খাবার তালিকায় লাল আটা, লাল চাল, ওট ইত্যাদি রাখুন ময়দা, সাদা আটা, পলিশ চালের পরিবর্তে।
পানি:
পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে , প্রায় ১.৫ থেকে ২ লিটার দৈনিক।
প্রোটিন ও পুষ্টির অভাবে, বেড়ে ওঠার হার স্থিমিত হয় এবং লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। তাই এই সব খাবারের সাথে সম্পূরক পুষ্টি যোগানকারি প্রোটিন ও ভিটামিন,আপনার খাদ্য তালিকাতে যোগ করুন লম্বা হতে চাইলে। যেমন ধরুন, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করে, কারণ এতে ক্যালসিয়াম গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়, হাড়েড় গঠন সবল হয় ও রোগ প্রতিরোধ শক্তি বেড়ে ওঠে। নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু সারিয়ে, নতুন টিস্যুর গঠনে সাহায্য করে প্রোটিনযুক্ত খাবার আপনাকের স্বাস্থ্যবান বানায় ও লম্বা হতেও সাহায্য করে। ভিটামিন ডি ও প্রোটিন ছাড়াও, ক্যালসিয়াম আরেকটা অতি প্রয়োজনীয় মিনারেল উচ্চতা বাড়ানোর জন্য। ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার আপনার হাড়ের বেড়ে ওঠা ও শক্তিশালী হতে সাহায্য করে থাকে। তাই শক্ত, সবল, স্বাস্থ্যকর হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, তার সাথে দুগ্ধ জাতীয় খাবার যেমন দুধ, পনীর (চিজ্), দই ইত্যাদি। এখানে দেখুন এরকম কিছু অবিশ্বাস্য খাবার যা আপনার লম্বা হওয়ার প্রচেষ্টায় সাহায্য করবে। উচ্চতা বাড়াতে এগুলো আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন। এই খাবারগুলো ছাড়াও কিছু কসরত যেমন, লাফান দড়ি (স্কিপিং), সাঁতার কাটা, হাত/পা প্রসারিত করা যাতে পেশী নমনীয় হয়, এরকম কিছু জিনিস যা লম্বা হতে সাহায্য করবে। মাছ সামুদ্রিক মাছ প্রোটিন ও ভিটামিনে ভরপুর। স্যালমন ও টুনার মত মাছে আছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন ডি ও প্রোটিন, যেটা আপনার উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে। ডিম ডিম একটা দারুণ খাবার, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। সুস্থ্য শরীর ও শক্ত হাড়ের জন্য খাবারে সেদ্ধ ডিম অবশ্যই রাখুন। সেদ্ধ কারণ এটা একটা ভাল উপায় রান্না করার, যাতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও পুষ্টিগুলো হারিয়ে যায় না। সয়া হাড়ে যাতে ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম সঠিক ভাবে প্রবেশ করে, তাই সয়াযুক্ত খাবার অবশ্য্ই খান। যেমন ধরুন, সয়াবীন ও সয়াযুক্ত দুধ। তোফু ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ও কম ক্যালোরিযুক্ত তোফু একটা অতি আবশ্যক খাবার নিজের খাদ্য তালিকার জন্য। তোফুতে মেদ বা ফ্যাট কম, এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে থাকে। কুমড়োর বিচি কুমড়োর বিচি শরীরের নষ্ট হয়ে যাওয়া টিস্যু সারায়, এবং নতুন টিস্যুর গঠনেও সাহায্য করে। এছাড়া এই বিচিতে থাকা এ্যামিনো এ্যাসিড শরীরের বেড়ে ওঠায় খুব সাহায্য করে থাকে। গাজর গাজরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি ও এ আছে। ভিটামিন এ আপনার হাড়ের ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখে। এতে হাড় শক্ত ও সুস্হ্য্ থাকে। এছাড়াও ভিামিন এ আপনার দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ও ত্বক উজ্জ্বল করে। পালং শাক এটা আরেকটা দুর্ধর্ষ খাবার, যা আপনার উচ্চতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে। এই সবুজ শাকটিতে প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও পুষ্টি আছে। চেষ্টা করবেন পালং শাক ও ব্রোকোলি আপনার নিয়মিত খাবারের অঙ্গ যেন হয়। দুধ বেড়ে ওঠা ও হাড় শক্ত রাখতে, ক্যালসিয়াম খুবই প্রয়োজনীয় শরীরের জন্য। দুধ উচ্চতা বর্ধক হিসেবে কাজ করে, এবং এতে উপস্থিত ভিটামিন এ ক্যালসিয়াম ধরে রাখতে সা্হায্য করে থাকে। সুস্থ্য শরীরের জন্য, দিনে ২-৩ গ্লাস দুধ অবশ্যই খাবেন। কলা মজবুত ও স্বাস্থ্যকর হাড়ের জন্য, আপনার নিয়মিত কলা খাওয়া উচিত। উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করা ছাড়াও, কলা হজমে সাহায্য করে ও পেট পরিস্কারও করে। মুরগির মাংস অন্য সব আমিষ খাবারের সাথে মুরগির একটা বড় পার্থক্য, যে এতে প্রোটিনের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। মুরগির মাংস খেলে শরীরের টিস্যু ও পেশীর গঠনে সাহায্য করে প্রোটিন। সবুজ বিনস্ হাড়ের টিস্যুর গঠন, হাড়ের বেড়ে ওঠা ও শরীরের রক্ত চলাচলে উন্নতি করা - সবেতেই মিনারেলের প্রয়োজন। আপনি যদি প্রাকৃতিক নিয়মে নিজের উচ্চতা বাড়াতে চান, তাহলে প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ সবুজ বিনস্ অবশ্যই খান। দই যে কোনও দুগ্ধ জাতীয় খাবার প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। এছাড়া দই-এ ভিটামিন এ, বি, ডি ও ই আছে, যা উচ্চতা বাড়াতে সাহা্য্য করে। হজমের জন্যেও দই খুব ভাল।
যেসব খাবার লম্বা হতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেঃ ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, মাংস, বাদাম, মাছ, বিভিন্ন রকম শাক ও সবজি, ছোলা, পানি, চকলেট, মৌসুমি ফল।