3 Answers
মুখে জীবানুর কারনে হয়। শুষ্ক এবং তৈলাক্ত দু ধরনের ত্বকেই কমবেশি ব্রণের দেখা মেলে। তবে আনুপাতিক হারে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরাই ব্রণ সমস্যায় বেশি ভোগেন। এছাড়া ব্রণের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে সহজ-স্বাভাবিক আরও যেসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে সেগুলো হলো — ♠ বেশি করে পানি খাওয়া। ♠ চুলে খুশকি থাকলে তা দূর করা। ♠ খাবারের তালিকায় শাকসবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া। ♠ ভাজা-পোড়া খাবার এড়িয়ে চলা। ♠ নিয়মিত গোসল করা। ♠ পেটের সমস্যা থাকলে পেট পরিষ্কার রাখার উদ্যোগ নেওয়া। ♠ ভিটামিন ও মিনারেল-যুক্ত খাবার খাওয়া। ♠ পরিধেয় বস্ত্র ও তোয়ালে পরিষ্কার রাখা। ♠ দুশ্চিন্তা না করা। ♠ সম্ভব হলে মাসে একবার ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের উপরিভাগ পরিষ্কার রাখা। ♠ তৈলাক্ত ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন ব্যবহার করা।
তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরীদের একটি খুব সাধারণ সমস্যা হল ব্রণ।কেউ কেউ এই সমস্যার কারণে মানসিকভাবে দুষ্চিন্তাগ্রস্থ থাকে। অনেক কারণেই ব্রণ হতে পারে। তবে শরীরে হরমোন পরিবর্তনের সময় ব্রণের খুব প্রকোপ দেখা দেয় ।ব্রণেরকারণ:১.অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক ।২.হোয়াইট হেডস ।৩.ব্ল্যাক হেডস ।৪.বংশগত কারণ বা হেরডিটারি ফ্যাক্টর।৫.অতিরিক্ত এন্ড্রোজেন(androgen ) হরমোনের কারণে ।৬. ৭টি খাবার যা ব্রণ তৈরিতে সাহায্য করেকিছু কিছু খাবারও ব্রণ তৈরিতে সাহায্য করে ।যদি আপনার ত্বকে ব্রণের প্রকোপ হয় ,তাহলে নিচে বর্ণিত ৭টি খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।১.অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার :বর্তমান সময়ে ফাস্ট ফুড খাবার খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ।কিন্তু এই খাবারগুলো স্বাস্থ্যসম্মত নয় ।এগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে তেল ।যা ত্বকে ব্রণ তৈরি করতে সাহায্য করে ।তাই এসব খাবার বাদ দেয়া উচিত্ ।ভাজা খাবার যদি খেতেই হয় তবে স্বল্প পরিমাণে প্রাকৃতিক তেলে ভাজা খাবার খাওয়া যেতে পারে ।২.অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার :একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে চিনি আমাদের শরীরে দরকার ।তবে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার যেমন চকলেট,ক্যান্ডি,মিষ্টি বিস্কুট ,এমনকি জুস (আরো)ব্রণের সাতকাহন !
ব্রন খুবই অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। কম বেশি সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তবে মুখে ব্রন উঠে যতটা না অস্বস্তিতে ফেলে তার থেকে বেশি অস্বস্থি হয় যখন ব্রনের দাগ মুখে গেড়ে বসে। আর তখনই ভর করে দুশচিন্তার। যার কারনে ব্রনের প্রকপ আরও বেড়ে যায় এবং তার থেকে সৃষ্টি হয় দাগের। তাই ব্রন ও ব্রনের দাগের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য রয়েছে ব্রনের দাগ দূর করার সহজ ৮ টি উপায়। চলুন জেনে নেই ব্রনের দাগ দুর করার উপায়গুলি - ১. ব্রনের দাগ দূর করতে মধু একটি কার্যকারি উপাদান। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে তা ধুয়ে ফেলুন। ২. মধুর সাথে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধুমাত্র দাগের উপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে সারারাতও রাখতে পারেন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার মুখের দাগ দূর হয়ে গোছে। ৩. ২-৩ টি এস্পিরিন ট্যাবলেট এর সাথে ২ চামচ মধু ও ২-৩ ফোঁটা পানি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। এস্পিরিন এর স্যালিসাইলিক এসিড ব্রণের দাগ দূরের জন্য খুবই সহায়ক। ৪. ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সামান্য পানি একসাথে মিশিয়ে মুখে ২-৩ মিনিট ঘষুন এবং শুকানোর জন্য কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে এর উপর কোনও ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা অলিভ অয়েল লাগান। সপ্তাহে অন্তত দু'দিন এটি ব্যাবহার করুন, ভালো ফল পাবেন। ৫. দিনে দুইবার অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগান এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধুমাত্র ব্রণের দাগই দূর করবে না, বরং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং টানটান হবে। ৬. একটি লাল টমেটোর কিছু অংশ নিয়ে তার রস নিন। এরপর তা শশার রসের সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাকটি লাগান। ব্রণের দাগ দূর তো হবেই সেই সাথে রোদে পোড়া দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। ৭. লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন। যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ৮. ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল, ২ টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। একটানা ৭-১০ দিন এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্রণ থাকা অবস্থায় দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।-সূত্র: উইমেন্স মেকওভার। তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy