1 Answers
ভালোবাসা উৎসাহিত করার জন্য দেহে রয়েছে একটি বিশেষ হরমোন ‘অক্সিটোসিন’। অক্সিটোক্সিন হরমোনটি ভালোবাসায় উৎসাহিত করে। একে অনেকে নৈতিক হরমোন বলেও মনে করেন। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, এ হরমোনটি মানুষকে মিথ্যাবাদী ও অসৎ হতে উৎসাহিত করে! গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে প্রসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস-এ। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, এটি শরীরে বেশি থাকলে তা যেমন মানুষকে ভালোবাসতে উৎসাহিত করে, তেমন তা মানুষকে অসৎও করে দেয়। ফলে যাদের মনে বেশি ভালোবাসা থাকে তাদের আবার অসৎ হওয়ার প্রবণতাও বেশি থাকে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট। ইউনিভার্সিটি অফ আমস্টারডামের গবেষক কারস্টেন ডি ড্রিউ বলেন, ‘এ গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, অক্সিটোক্সিন নৈতিক হরমোন নয়। এটি মানুষকে নৈতিক বা অনৈতিক করে না। এটি মানুষের দৃষ্টি তাদের নিজের দিক থেকে গ্রুপ বা দলের দিকে নিয়ে যায়।’ গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক বেছে নেন। তাদের ওপর এ হরমোনটি প্রয়োগ করার পর তুলনামূলকভাবে অসৎ হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ডি ড্রিউ আরো বলেন, ‘এটি মানুষকে দলবদ্ধ অবস্থায় অসৎ হতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে এ হরমোন গ্রহণকারীদের মধ্যে ধোঁকা দেওয়া ও টাকা চুরির প্রবণতা বেড়ে যায়।’ এ ছাড়াও অক্সিটোসিন হরমোনটি গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ছাড়া এটি নারীদের সন্তানের জন্য দুধ উৎপাদন ও মাতৃত্বজনিত নানা ঘটনা উৎসাহিত করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy