1 Answers
অ্যালার্জিকে এখন মোটামুটি একটি সাধারণ রোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। বংশগতি, দূষণ, খাবার ইত্যাদি অনেক কারণে অ্যালার্জির প্রকোপ বেড়ে গিয়েছে অনেক। অ্যালার্জি হলো আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ারই আরেক নাম। আমাদের শরীরে যখন কোনো বহিরাগত উপদান প্রবেশ করে, তখন শরীর তা সহ্য করতে না পেরে যে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাকেই অ্যালার্জি বলে।
অ্যালার্জি নানা ধরনের হতে পারে। যেমন -
*ডাস্ট অ্যালার্জি : ঘরের কোনা, বইপত্র, তোশক, বালিশ, পুরোনো কাপড় বা পুরোনো যে কোনো জিনিসে যে ধুলোর আস্তরণ পড়ে থাকে সেখান থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।
*কসমেটিক অ্যালার্জি : বিভিন্ন কসমেটিকস যেমন ডিওডোরেন্ট, শ্যাম্পু, লোশন, মেকআপ ইত্যাদি থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।
*এগজিমা : সাধারণত ত্বক কোনো কিছু সহ্য করতে না পারলে ইরিটেশন বা র্যাশ থেকে এগজিমা হতে পারে।
*সান অ্যালার্জি : সূর্যের আলো সহ্য না হলে সান অ্যালার্জি হতে পারে।
*ফুড অ্যালার্জি : অনেক সময় খাবার থেকে যেমন ডিম, দুধ, ময়দা, সি-ফুড ইত্যাদি থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে।
*ল্যাটেক্স অ্যালার্জি : রাবার বা ইলাস্টিক থেকে অনেক সময় অ্যালার্জি হতে পারে।