1 Answers

হে ফিভারের রোগ নির্ণয় করা সহজ ও সোজা। দুটি প্রধান উপায় অবলম্বন করে অবস্থা নিরূপণ করা হয়। সেগুলি হল: রক্ত পরীক্ষা করে শরীরকে আক্রান্ত করে এমন অ্যালার্জিকে চিহ্নিত করা এবং রক্তে অ্যালার্জি-প্রতিরোধী অ্যান্টিবডিগুলির পরিমাণ নির্ধারণ করা। সম্ভাব্য অ্যালার্জির কারণ বা অ্যালার্জেনগুলি সনাক্ত করতে স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয়। অল্প পরিমাণ অ্যালার্জেন শরীরের মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। যদি কোন ব্যক্তির কোন নির্দিষ্ট পদার্থে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, তবে সেই প্রবেশের জায়গায় একটা ফোলা অংশ দেখা দেয়। অ্যালার্জির প্রতিরোধের জন্য এবং হে ফিভার থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী কারণ থেকে দূরে থাকা। কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গগুলির জন্য ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। আরো গুরুতর ক্ষেত্রে, শক্তিশালী ওষুধের একটি কোর্স দেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে কয়েকটি হল: চুলকানি, ফোলাভাব এবং নাক দিয়ে জল পড়ার জন্য নাসাল কর্টিকোস্টেরয়েডস। চুলকানি, হাঁচি এবং নাক দিয়ে জল পড়ার জন্য জন্য অ্যান্টিহিস্টামাইনস। এটি ওষুধ বা স্প্রে হিসাবে দেওয়া যেতে পারে। এটি কাজ করে রাসায়নিক হিস্টামাইনকে প্রতিরোধ করতে, যা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়াস্বরূপ নিষ্কৃত হয়। ডেকনজেস্টেন্টস বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায় এবং এটি বন্ধ নাক থেকে মুক্তি দেয়। এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে যেমন, উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ব্যথা এবং অনিদ্রা। লিউকোট্রিয়েন মডিফায়ার একটি ওষুধ যা লিউকোট্রিয়েনকে বাধা দেয়, যা এইসব উপসর্গগুলির জন্য দায়ী, যেমন অতিরিক্ত শ্লেষ্মা উৎপাদন এবং নাক দিয়ে জল পড়া। এই উপসর্গগুলো থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ওরাল কর্টিকোস্টেরয়েডস। নাক দিয়ে জল পড়া এবং গ্রন্থিগুলি থেকে শ্লেষ্মা উৎপাদন কমাতে নাসাল ইপ্রাট্রোপিয়াম। অন্যান্য প্রতিকারগুলি হল, অ্যালার্জি শটস, জিভের নিচে অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ট্যাবলেট রাখা, বাষ্পের ইনহেলেশন বা অন্তঃশ্বসন এবং সাইনাসের রিনসিং।

6920 views

Related Questions