1 Answers

অ্যালার্জির লক্ষণ :

অ্যালার্জি হলে নানা ধরনের লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন -

*বারবার হাঁচি হওয়া, সর্দি লাগতে পারে।

*চোখ থেকে পানি পড়া, চোখ চুলকানো, লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি অ্যালার্জির লক্ষণ।

*দিনের নির্দিষ্ট সময় নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।

*পেটের নানা গণ্ডগোল দেখা দেওয়া। বিশেষ করে ডায়রিয়া হওয়া।

*নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

*শরীরে দানা, গোটা, চাকা ইত্যাদি বের হওয়া।

*জ্বর আসা, বমি বমি লাগা।

*গলা, জিভ শুকিয়ে আসা, গলা খুশখুশ করা।

অনেক সময় লক্ষণ দেখেও বোঝা যায় না যে সেটা অ্যালার্জি কিনা। কারণ অনেক সময় বদহজম হলেও ডায়রিয়া, বমি বমি লাগা, মাথাব্যথা করা, কাজে উত্‍সাহ না পাওয়া ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বদহজম হলে নানা ধরনের খাবার খেলে প্রতিক্রিয়া হতে পারে। কিন্তু অ্যালার্জিতে নির্দিষ্ট কিছু খাবারে সমস্যা হয়। এছাড়া কোনো খাবারে অ্যালার্জি হলে সাধারণত ২ ঘণ্টার মধ্যে নানা রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেখানে বদহজম হলে আরো একটু বেশি সময় নেয়। আবার অতিরিক্ত গরমেও নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। তবে অ্যালার্জি হলে শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি শরীরে ইরিটেশন বা ডায়রিয়া হয়।

যদি লক্ষণ দেখে বুঝতে না পারেন যে অ্যালার্জি হয়েছে কি না, তাহলে কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখুন -

*কী কারণে লক্ষণগুলো দেখা দেয়। বছরের নির্দিষ্ট কোনো সময়ে বা নির্দিষ্ট কিছু খেলে সমস্যা হয় কি না খেয়াল করুন।

*শরীরের কোন অংশে এই প্রতিক্রিয়াগুলো হয়।

*এই প্রতিক্রিয়াগুলোর জন্য আপনি কতখানি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

*বাড়ি পরিষ্কার করার সময়, রোদে গেলে বা সকালের দিকে বারবার হাঁচি হয় কি না।

*কী ধরনের খাবার খেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

*কোনো বিশেষ প্রাণী কাছে আসলে সমস্যা হয় কি না।

আপনার লক্ষ্য করা বিষয়গুলো লিখে রাখুন এবং ডাক্তারকে জানান। এতে ডাক্তারের সমস্যা বুঝতে সুবিধা হবে। অ্যালার্জির ধরন নির্ণয় করা হয় রক্ত পরীক্ষা ও ত্বক পরীক্ষার মাধ্যমে। ত্বক পরীক্ষারও রয়েছে নানা পদ্ধতি। যেমন স্কিন প্রিক টেস্ট, ইন্ট্রাডার্মাল টেস্ট, স্কিন প্যাচ টেস্ট। অ্যালার্জির ধরন নির্ণয়ের পর ডাক্তার ওষুধ ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

3132 views

Related Questions