1 Answers
ডাক্তার মূত্রথলির সংক্রমণের রোগ নির্ণয় করেন উপসর্গগুলির ও শারীরিক পরীক্ষাগুলির উপর নির্ভর করে। যেসব পরীক্ষা দ্বারা এই রোগ নির্ণয় হয়, সেগুলি হল: মূত্রের বিশ্লেষণ সংক্রমণের সময়ে মূত্রে বেড়ে যাওয়া অ্যাসিডের মাত্রা দেখার জন্য ডিপ-স্টিক টেস্ট করা হয়। মূত্রে সংক্রমণ হয়েছে কিনা দেখার জন্য এটি হল খুব সাশ্রয়কর পরীক্ষা। নাইট্রাইটস এবং লিউকোসাইট এস্টারেস পরীক্ষা সংক্রমণের সময়ে মূত্রে শ্বেত রক্ত কণিকা আছে কিনা সনাক্ত করে। সংক্রমণ-সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি দেখার জন্য পরীক্ষাগারে কৃত্রিম উপায়ে মূত্রের নমুনা থেকে, ইউরিন কালচার করা হয়। প্রতিবিম্ব দ্বারা গবেষণা বারবার হওয়া ও উচ্চ-পর্যায়ের সংক্রমণে বিভিন্ন পরীক্ষা করে দেখা হয়, বা যে সংক্রমণে সাধারণ চিকিৎসা দ্বারা সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না সেক্ষেত্রে কিছু পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষাগুলির মধ্যে আছে: সিস্টোস্কপি আলট্রাসাউন্ড এক্স-রে প্রতিবিম্বকরণ ইন্ট্রাভেনাস পায়েলোগ্রাম (আইভিপি) কম্পিউটারাইজড টোমোগ্রাফি স্ক্যান (সি টি স্ক্যান) ম্যাগনেটিক রিজনেন্স ইমেজিং (এম আর আই) ইউরোডাইনামিক পরীক্ষা মূত্রথলির সংক্রমণের চিকিৎসার লক্ষ্য হল সংক্রমণকে সমূলে শেষ করা ও কষ্টকর উপসর্গগুলি থেকে রোগীকে মুক্তি দেওয়া। অ্যান্টিবায়োটিকস সাধারণত 5 দিনের অ্যান্টিবায়োটিকের ক্রমের পরে বড়োদের ক্ষেত্রে এবং 2 থেকে 3 দিনের ক্রমের পরে ছোটোদের ক্ষেত্রে মূত্রথলির সংক্রমণ সেরে যায়। লম্বা অ্যান্টিবায়োটিকের ক্রম নিলে বারবার সংক্রমণের ফিরে আসাতে বিলম্ব ঘটানো যায়। খুব বেশি সংক্রমণে, শিরায় প্রয়োগ করার অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। অন্যান্য ওষুধ ইউরিন অ্যালকালাইজার হল মূত্রে অ্যাসিডিটি কমানোর এবং জ্বালাভাব কমানোর ওষুধ। নিজ-সুরক্ষা অনেক পরিমানে জল জাতীয় পানীয় গ্রহণ করা, যাতে বারবার মূত্রত্যাগের মাধ্যমে সংক্রমণ পরিষ্কৃত হয়ে যায়। মূত্রনালীর সংক্রমণের সময়ে এনএসএআইডি (নন-স্টেরোইডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ) যেমন ইবুপ্রফেন বা অ্যাস্পিরিন খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে, কারণ এতে জটিলতা বাড়তে পারে। ক্রানবেরির রস মূত্রথলির সংক্রমণ ফিরে আসা আটকাতে সাহায্য করে। গরম জলের সেঁক পেটে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।