মেয়ে:রাতে বিছানায় প্রস্রাব হয়ে যায়, প্রায় প্রতিদিনই হয়ে থাকে,কিভাবে বন্ধ করবো?
বয়স ১৭ চলচে আমার ছোট বেলা থেকেই রাতে বিছানায় প্রস্রাব হয়ে যায়,অনেক খেয়াল করেও বব্ধ করতে পারছিনা।আর আমার ঘুমের মাত্রাটাও অনেক বেশি....
কিভাবে বন্ধ করবো এটা???
2 Answers
বিছানায় প্রস্রাব করা সমস্যাটিকে ডাক্তারি পরিভাষায় নকচারনাল এনুরেসিস বলে। শিশুদের ক্ষেত্রে হলে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বড় হওয়ার পরও এটা হলে, তবে এটা রোগ। এই রোগের নির্দিষ্ট কারণ খোঁজে পাওয়া যায় না। কিছু ক্ষেত্রে নিম্নের কারণগুলো লক্ষ করা যায়- প্রথমত. প্রস্রাব করার ভুল টেকনিক অর্থাৎ ঘুমের সময় প্রস্রাব না করে ঘুমাতে গেলে বা রাতে প্রস্রাবের বেগ অনুভূত হলে আলসেমি করে বাথরুমে প্রস্রাব না করা। দ্বিতীয়ত. প্রস্রাব প্রণালীতে দীর্ঘমেয়াদি ইনফেকশন থাকলে এ সমস্যা থাকতে পারে। তবে পুরুষের তুলনায় মেয়েদের এ রোগ বেশি হয়। তৃতীয়ত. মূত্র সংবহনতন্ত্রের গঠনের যদি কোনো বিকৃতি থাকে যেমন- ক্ষুদ্রাকৃতি কিডনি, একের অধিক বৃক্কনালী বা ইউরেটার, মূত্রথলির নিচের ভাগ নিয়মিত কাজ না করা। চতুর্থত. অনেক সময় অধিক প্রস্রাব হয় তখন রোগ যেমন কিডনি ফেইলিউর, হার্ট ফেইলিউর, প্রস্রাব বর্ধক ওষুধ ব্যবহার ইত্যাদিতেও বিছানায় প্রস্রাব হতে পারে। পঞ্চমত. মূত্রথলির স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যার কারণেও প্রস্রাব বেশি হতে পারে। যার ফলে মূত্রথলির ওভারলোডও হতে পারে। এটা থেকে মুক্তি পেতে: * শোয়ার আগে (দিন কিংবা রাত) প্রস্রাব করে শোতে হবে এবং সম্ভব হলে মাঝরাতে একবার প্রস্রাব করা উচিত। * প্রস্রাবে ইনফেকশন থাকলে স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদি অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। এর পরও অসুবিধা থাকলে এমাইট্রিপলিন বা নরট্রিপলিন জাতীয় ওষুধ রাতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার করা যেতে পারে। * চিকিৎসাব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত।
আমার মতে এটা আপনার প্রসাবের ধারন ক্ষমতা কমেছে তাই এমনটি হয়েছে .এক্ষেত্রে আপনার প্রসাবের ধারন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য রাতে শোয়ার আগে ২ টা পেয়াজ কুচি করে লবন দিয়ে খেয়ে ফেলবেন .এতে উক্ত সমস্যাটি সমাধান হবে .