الٓمٓرۚ تِلۡكَ ءَايَٰتُ ٱلۡكِتَٰبِۗ وَٱلَّذِيٓ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ ٱلۡحَقُّ وَلَٰكِنَّ أَكۡثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يُؤۡمِنُونَ

আলিফ লাম মী-ম র- তিলকা আ-য়া-তুল কিতা-বি ওয়াল্লাযীউনঝিলা ইলাইকা মির রব্বিকাল হাক্কুওয়ালা-কিন্না আকছারন্না-ছি লা-ইউ’মিনূন।

আলিফ, লাম, মীম, রা। এসব হচ্ছে গ্রন্থখানার আয়াতসমূহ। আর যা তোমার প্রভুর কাছ থেকে তোমার নিকট অবতীর্ণ হয়েছে তা পরমসত্য, কিন্তু অধিকাংশ লোক বিশ্বাস করে না।

ٱللَّهُ ٱلَّذِي رَفَعَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ بِغَيۡرِ عَمَدٖ تَرَوۡنَهَاۖ ثُمَّ ٱسۡتَوَىٰ عَلَى ٱلۡعَرۡشِۖ وَسَخَّرَ ٱلشَّمۡسَ وَٱلۡقَمَرَۖ كُلّٞ يَجۡرِي لِأَجَلٖ مُّسَمّٗىۚ يُدَبِّرُ ٱلۡأَمۡرَ يُفَصِّلُ ٱلۡأٓيَٰتِ لَعَلَّكُم بِلِقَآءِ رَبِّكُمۡ تُوقِنُونَ

আল্লা-হুল্লাযীরফা‘আছছামা-ওয়া-তি বিগাইরি ‘আমাদিন তারওনাহা- ছু ম্মাছ তাওয়া ‘আলাল ‘আরশি ওয়া ছাখখারশশামছা ওয়াল কামার কুল্লুইঁ ইয়াজরী লিআজালিম মুছাম্মা- ইউদাব্বিরুল আমর ইউফাসসিলুল আ-য়া-তি লা‘আল্লাকুম বিলিকাই রব্বিকুম তূকিনূন।

আল্লাহ্‌ই তিনি যিনি মহাকাশমন্ডলকে ঊর্ধ্বে স্থাপন করেছেন কোনো স্তম্ভ ছাড়া -- তোমরা তো এ দেখছ, আর তিনি আরশে সমাসীন হলেন, আর তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে অনুগত করলেন। প্রত্যেকে আবর্তন করছে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে। তিনিই ব্যাপার নিয়ন্ত্রণ করেন, বিশদভাবে বর্ণনা করেন নির্দেশাবলী, যেন তোমরা তোমাদের প্রভুর সঙ্গে সাক্ষাৎকার সন্বন্ধে নিশ্চিত বিশ্বাস করতে পার।

وَهُوَ ٱلَّذِي مَدَّ ٱلۡأَرۡضَ وَجَعَلَ فِيهَا رَوَٰسِيَ وَأَنۡهَٰرٗاۖ وَمِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ جَعَلَ فِيهَا زَوۡجَيۡنِ ٱثۡنَيۡنِۖ يُغۡشِي ٱلَّيۡلَ ٱلنَّهَارَۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَتَفَكَّرُونَ

ওয়া হুওয়াল্লাযী মাদ্দাল আরদা ওয়া জা‘আলা ফীহা-রওয়া-ছিয়া ওয়াআনহা-রওঁ ওয়া মিন কুল্লিছছামার-তি জা‘আলা ফীহা- ঝাওজাইনিছনাইনি ইউগশিল লাইলান্নাহা-র ইন্না ফী যা-লিকা লা আ-য়া-তিল লিকাওমিইঁ ইয়াতাফাক্কারূন।

আর তিনিই সেইজন যিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন, আর তাতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা ও নদনদী। আর প্রত্যেক ফলের ক্ষেত্রে -- তার মধ্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায়-জোড়ায় দুটি-দুটি। তিনি রাত্রিকে দিয়ে দিনকে আবৃত করেন। নিঃসন্দেহ এতে সাক্ষাৎ নিদর্শন রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা চিন্তা করে।

وَفِي ٱلۡأَرۡضِ قِطَعٞ مُّتَجَٰوِرَٰتٞ وَجَنَّـٰتٞ مِّنۡ أَعۡنَٰبٖ وَزَرۡعٞ وَنَخِيلٞ صِنۡوَانٞ وَغَيۡرُ صِنۡوَانٖ يُسۡقَىٰ بِمَآءٖ وَٰحِدٖ وَنُفَضِّلُ بَعۡضَهَا عَلَىٰ بَعۡضٖ فِي ٱلۡأُكُلِۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَأٓيَٰتٖ لِّقَوۡمٖ يَعۡقِلُونَ

ওয়া ফিল আরদিকিতা‘উম মুতাজা-বির-তুওঁ ওয়া জান্না-তুম মিন আ‘না-বিওঁ ওয়া ঝার‘উওঁ ওয়া নাখীলুন সিনওয়া-নুওঁ ওয়া গাইরু সিনওয়া-নিইঁ ইউছক- বিমাইওঁ ওয়াহিদিওঁ ওয়া নুফাদদিলুবা‘দাহা- ‘আলা-বা‘দিন ফিল উকুলি ইন্না ফী যালিকা লাআ-য়া-তিল লিকাওমিইঁ ইয়া‘কিলূন।

আর পৃথিবীতে আছে পাশাপাশি মাঠ, আর আঙুরের বাগান ও শস্যক্ষেত্র ও খেজুরের গাছ -- ভিড় ক’রে ও ভিড় না ক’রে -- ওদের পানি দেওয়া হয় একই পানি। আর তাদের কতকটাকে কতকটার উপরে প্রাধান্য দিয়েছি আস্বাদনের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহ এতে বিশিষ্ট নিদর্শন রয়েছে সেইসব লোকের জন্য যারা বুদ্ধি-বিবেচনা প্রয়োগ করে।

۞وَإِن تَعۡجَبۡ فَعَجَبٞ قَوۡلُهُمۡ أَءِذَا كُنَّا تُرَٰبًا أَءِنَّا لَفِي خَلۡقٖ جَدِيدٍۗ أُوْلَـٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بِرَبِّهِمۡۖ وَأُوْلَـٰٓئِكَ ٱلۡأَغۡلَٰلُ فِيٓ أَعۡنَاقِهِمۡۖ وَأُوْلَـٰٓئِكَ أَصۡحَٰبُ ٱلنَّارِۖ هُمۡ فِيهَا خَٰلِدُونَ

ওয়া ইন তা‘জাব ফা‘আজাবুন কাওলুহুম আইযা-কুন্না-তুর-বান আইন্না-লাফী খালকিন জাদীদিন উলাইকাল্লাযীনা কাফারু বিরব্বিহিম ওয়া উলাইকাল আগলা-লু ফীআ‘না-কিহিম ওয়া উলাইকা আসহা-বুন্না-রি হুম ফীহা- খা-লিদূ ন।

আর যদি তুমি তাজ্জব হও তবে আজব ব্যাপার হচ্ছে তাদের কথা -- "কী, আমরা যখন ধুলো হয়ে যাব তখন কি আমরা বাস্তবিকই নতুন জীবন লাভ করব?" এরাই তারা যারা তাদের প্রভুর প্রতি অবিশ্বাস পোষণ করে, আর এরাই -- এদের গলায় থাকবে শিকল, আর এরাই হবে আগুনের বাসিন্দা, তাতে তারা করবে অবস্থান।

وَيَسۡتَعۡجِلُونَكَ بِٱلسَّيِّئَةِ قَبۡلَ ٱلۡحَسَنَةِ وَقَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلِهِمُ ٱلۡمَثُلَٰتُۗ وَإِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغۡفِرَةٖ لِّلنَّاسِ عَلَىٰ ظُلۡمِهِمۡۖ وَإِنَّ رَبَّكَ لَشَدِيدُ ٱلۡعِقَابِ

ওয়া ইয়াছতা‘জিলূনাকা বিছছাইয়িআতি কাবলাল হাছানাতি ওয়া কাদ খালাত মিন কাবলিহিমুল মাছুলা-তু ওয়া ইন্না রব্বাকা লাযূমাগফিরতিললিন্না-ছি ‘আলাজু লমিহিম ওয়া ইন্না রব্বাকা লাশাদীদুল ‘ইক-ব।

আর ওরা তোমাকে ভালর আগেই মন্দকে ত্বরান্বিত করতে বলে, যদিও ওদের পূর্বে বহু লক্ষণীয় শাস্তি গত হয়েছে। আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু লোকদের জন্য তাদের অন্যায়াচরণ সত্ত্বেও ক্ষমার অধিকারী, আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু প্রতিফল দানে অতি কঠোর।

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡلَآ أُنزِلَ عَلَيۡهِ ءَايَةٞ مِّن رَّبِّهِۦٓۗ إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرٞۖ وَلِكُلِّ قَوۡمٍ هَادٍ

ওয়া ইয়াকূলুল্লাযীনা কাফারূ লাওলাউনঝিলা ‘আলাইহি আ-য়াতুম মির রব্বিহী ইন্নামা আনতা মুনযিরুওঁ ওয়া লিকুল্লি কাওমিন হা-দ ।

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে -- "কেন তাঁর কাছে তাঁর প্রভুর কাছ থকে কোনো নিদর্শন প্রেরিত হয় না?" তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, এবং সকল জাতির জন্যে একজন পথপ্রদর্শক।

ٱللَّهُ يَعۡلَمُ مَا تَحۡمِلُ كُلُّ أُنثَىٰ وَمَا تَغِيضُ ٱلۡأَرۡحَامُ وَمَا تَزۡدَادُۚ وَكُلُّ شَيۡءٍ عِندَهُۥ بِمِقۡدَارٍ

আল্লা-হু ইয়া‘লামুমা-তাহমিলুকুল্লুউনছা-ওয়ামা-তাগীদুল আরহা-মুওয়ামা-তাঝদা-দু ওয়া কুল্লুশাইইন ‘ইনদাহূবিমিকদা-র।

আল্লাহ্ জানেন প্রত্যেক স্ত্রীলোক যা গর্ভে ধারণ করে, আর যা জরায়ূ শুষে নেয়, আর যা তারা বর্ধিত করে। আর তাঁর কাছে প্রত্যেক বস্তুরই এক নির্দিষ্ট পরিমাপ রয়েছে।

عَٰلِمُ ٱلۡغَيۡبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ ٱلۡكَبِيرُ ٱلۡمُتَعَالِ

‘আ-লিমুল গাইবি ওয়াশশাহা-দাতিল কাবীরুল মুতা‘আ-ল।

তিনি অদৃশ্য ও দৃশ্য বিষয়ে জ্ঞাতা -- মহামহিম, চিরউন্নত।

سَوَآءٞ مِّنكُم مَّنۡ أَسَرَّ ٱلۡقَوۡلَ وَمَن جَهَرَ بِهِۦ وَمَنۡ هُوَ مُسۡتَخۡفِۭ بِٱلَّيۡلِ وَسَارِبُۢ بِٱلنَّهَارِ

ছাওয়াউম মিনকুম মান আছাররল কাওলা ওয়া মান জাহার বিহী ওয়া মান হুওয়া মুছতাখফিম বিল্লাইলি ওয়া ছা-রিবুম বিন্নাহা-র।

একসমান তোমাদের মধ্যে যে কথা লুকোয় ও যে তা খুলে বলে, আর যে রাত্রিবেলায় আ‌ত্মগোপন করে আর দিনের বেলায় বিচরণ করে।

لَهُۥ مُعَقِّبَٰتٞ مِّنۢ بَيۡنِ يَدَيۡهِ وَمِنۡ خَلۡفِهِۦ يَحۡفَظُونَهُۥ مِنۡ أَمۡرِ ٱللَّهِۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوۡمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُواْ مَا بِأَنفُسِهِمۡۗ وَإِذَآ أَرَادَ ٱللَّهُ بِقَوۡمٖ سُوٓءٗا فَلَا مَرَدَّ لَهُۥۚ وَمَا لَهُم مِّن دُونِهِۦ مِن وَالٍ

লাহূ মু‘আক্কিবা-তুম মিমবাইনি ইয়াদাইহি ওয়া মিনখালফিহী ইয়াহফাজূনাহূ মিন আমরিল্লাহি ইন্নাল্লা-হা লা-ইউগাইয়িরু মা-বিকাওমিন হাত্তা-ইউগাইয়িরূমা-বিআনফুছিহিম ওয়া ইযাআর-দাল্লা-হু বিকাওমিন ছূআন ফালা-মারদ্দা লাহূ ওয়ামা- লাহুম মিন দূ নিহী মিওঁ ওয়া-ল।

তাঁর জন্য প্রহরী রয়েছে তাঁর সম্মুখভাগে ও তাঁর পশ্চাদভাগে, ওরা তাঁকে রক্ষণাবেক্ষণ করে আল্লাহ্‌র আদেশক্রমে। আল্লাহ্ অবশ্যই কোনো জাতির অবস্থায় পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ না তারা নিজেরাই তা পরিবর্তন করে। আর যখন আল্লাহ্ কোনো জাতির জন্য অকল্যাণ চান তখন তা রদ করার উপায় নেই, আর তাদের জন্য তিনি ছাড়া কোনো অভিভাবক নেই।

هُوَ ٱلَّذِي يُرِيكُمُ ٱلۡبَرۡقَ خَوۡفٗا وَطَمَعٗا وَيُنشِئُ ٱلسَّحَابَ ٱلثِّقَالَ

হুওয়াল্লাযী ইউরীকুমুল বারকাখাওফাওঁ ওয়াতআমাওঁ ওয়া ইউনশিউছছাহা-বাছছিক ল।

তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের দেখান বিদ্যুৎ ভয়উদ্দীপক এবং আশাসঞ্চারক, আর তিনি নিয়ে আসেন ভারী মেঘ।

وَيُسَبِّحُ ٱلرَّعۡدُ بِحَمۡدِهِۦ وَٱلۡمَلَـٰٓئِكَةُ مِنۡ خِيفَتِهِۦ وَيُرۡسِلُ ٱلصَّوَٰعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَن يَشَآءُ وَهُمۡ يُجَٰدِلُونَ فِي ٱللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ ٱلۡمِحَالِ

ওয়া ইউছাব বিহুর র‘দুবিহামদিহী ওয়াল মালাইকাতুমিন খীফাতিহী ওয়া ইউরছিলুস সাওয়া-‘ইকা ফাইউসীবুবিহা- মাইঁ ইয়াশাউ ওয়া হুম ইউজা-দিলূনা ফিল্লা-হি ওয়া হুওয়া শাদীদুল মিহা -ল।

আর বজ্র-নিনাদ মহিমা ঘোষণা করে তাঁর প্রশংসার সাথে, আর ফিরিশ্‌তারাও তাঁর ভয়ে, আর তিনি বজ্রপাত প্রেরণ করেন, আর তা দিয়ে আঘাত করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন, তবু তারা আল্লাহ্‌র সন্বন্ধে তর্কাতর্কি করে, যদিও তিনি ক্ষমতায় কঠোর।

لَهُۥ دَعۡوَةُ ٱلۡحَقِّۚ وَٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا يَسۡتَجِيبُونَ لَهُم بِشَيۡءٍ إِلَّا كَبَٰسِطِ كَفَّيۡهِ إِلَى ٱلۡمَآءِ لِيَبۡلُغَ فَاهُ وَمَا هُوَ بِبَٰلِغِهِۦۚ وَمَا دُعَآءُ ٱلۡكَٰفِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَٰلٖ

লাহূদা‘ওয়াতুল হাক্কি ওয়াল্লাযীনা ইয়াদ‘ঊনা মিন দূ নিহী লা-ইয়াছতাজীবূনা লাহুম বিশাইইন ইল্লা- কাবা-ছিতিকাফ ফাইহি ইলাল মাই লিইয়াবলুগা-ফা-হু ওয়ামা-হুওয়া ব্বিা-লিগিহী ওয়ামা- দু‘আউল ক-ফিরীনা ইল্লা-ফী দালা-ল।

সত্যিকারের প্রার্থনা তাঁরই জন্য। আর তাঁকে ছেড়ে দিয়ে তারা যাদের কাছে প্রার্থনা জানায় তারা তাদের প্রতি কোনো প্রকারের সাড়া দেয় না, তবে যেন সে তার দুই হাত পানির দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে যাতে তা তার মুখে পৌঁছুতে পারে, কিন্তু তা তাতে পৌঁছুবে না। বস্তুতঃ অবিশ্বাসীদের প্রার্থনা ভ্রান্তিতে ভিন্ন নয়।

۩ وَلِلَّهِۤ يَسۡجُدُۤ مَن فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ طَوۡعٗا وَكَرۡهٗا وَظِلَٰلُهُم بِٱلۡغُدُوِّ وَٱلۡأٓصَالِ

ওয়ালিল্লা-হি ইয়াছজূদুমানফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ালআরদিতাও‘আওঁ ওয়াকারহাওঁ ওয়া জিলা-লুহুম বিল গুদুওবিওয়াল আ-সা-ল।(ছিজদাহ-২)

আর আল্লাহ্‌কেই সিজদা করে যারাই আছে মহাকাশ-মন্ডলে ও পৃথিবীতে -- স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়, আর তাদের ছায়াও সকালে ও সন্ধ্যায়।

قُلۡ مَن رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ قُلِ ٱللَّهُۚ قُلۡ أَفَٱتَّخَذۡتُم مِّن دُونِهِۦٓ أَوۡلِيَآءَ لَا يَمۡلِكُونَ لِأَنفُسِهِمۡ نَفۡعٗا وَلَا ضَرّٗاۚ قُلۡ هَلۡ يَسۡتَوِي ٱلۡأَعۡمَىٰ وَٱلۡبَصِيرُ أَمۡ هَلۡ تَسۡتَوِي ٱلظُّلُمَٰتُ وَٱلنُّورُۗ أَمۡ جَعَلُواْ لِلَّهِ شُرَكَآءَ خَلَقُواْ كَخَلۡقِهِۦ فَتَشَٰبَهَ ٱلۡخَلۡقُ عَلَيۡهِمۡۚ قُلِ ٱللَّهُ خَٰلِقُ كُلِّ شَيۡءٖ وَهُوَ ٱلۡوَٰحِدُ ٱلۡقَهَّـٰرُ

কুল মার রব্বুছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদিকুল্লিলা-হু কুল আফাত্তাখাযতুম মিন দূ নিহীআওলিয়াআ লা-ইয়ামলিকূনা লিআনফুছিহিম নাফ‘আওঁ ওয়ালা-দাররন কুল হাল ইয়াছতাবিল আ‘মা-ওয়াল বাসীরু আম হাল তাছতাবিজজু লুমা-তুওয়াননূরু আম জা‘আলূলিল্লা-হি শুরকাআ খালাকূকাখাল কিহী ফাতাশা-বাহাল খালকু ‘আলাইুহিম কুল্লিলা-হু খা-লিকুকুল্লি শাইয়িওঁ ওয়া হুওয়াল ওয়া-হিদুল কাহহা-র।

বলো -- "কে মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর প্রভু?" বল -- "আল্লাহ্‌।" বল, "তবে কি তোমরা তাঁকে ছেড়ে দিয়ে অভিভাবক-রূপে গ্রহণ কর তাদের যারা তাদের নিজেদের জন্যে কোনো লাভ কামাতে সক্ষম নয় আর ক্ষতিসাধনেও নয়?" বলো -- "অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি এক-সমান অথবা অন্ধকার আর আলোক কি সমান-সমান? অথবা তারা কি আল্লাহ্‌র এমন অংশী দাঁড় করিয়েছে যারা তাঁর সৃষ্টির মত সৃষ্টি করেছে, যার ফলে সৃষ্টি তাদের কাছে সন্দেহ ঘটিয়েছে?" বল -- "আল্লাহ্‌ই সব-কিছুর সৃষ্টিকর্তা, আর তিনি একক, সর্বাধিনায়ক।"

أَنزَلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ فَسَالَتۡ أَوۡدِيَةُۢ بِقَدَرِهَا فَٱحۡتَمَلَ ٱلسَّيۡلُ زَبَدٗا رَّابِيٗاۖ وَمِمَّا يُوقِدُونَ عَلَيۡهِ فِي ٱلنَّارِ ٱبۡتِغَآءَ حِلۡيَةٍ أَوۡ مَتَٰعٖ زَبَدٞ مِّثۡلُهُۥۚ كَذَٰلِكَ يَضۡرِبُ ٱللَّهُ ٱلۡحَقَّ وَٱلۡبَٰطِلَۚ فَأَمَّا ٱلزَّبَدُ فَيَذۡهَبُ جُفَآءٗۖ وَأَمَّا مَا يَنفَعُ ٱلنَّاسَ فَيَمۡكُثُ فِي ٱلۡأَرۡضِۚ كَذَٰلِكَ يَضۡرِبُ ٱللَّهُ ٱلۡأَمۡثَالَ

আনঝালা মিনাছছামাই মাআন ফাছা-লাত আওদিয়াতুম বিকাদারিহা-ফাহতামালাছ ছাইলু ঝাবাদার র-বিয়াওঁ ওয়া মিম্মা-ইউকিদূ না ‘আলাইহি ফিন্না-রিব তিগাআ হিলয়াতিন আও মাতা-‘ইন ঝাবাদুম মিছলুহূ কাযা-লিকা ইয়াদরিবুল্লা-হুল হাক্কা ওয়াল বাতিলা ফাআম্মাঝ ঝাবাদুফাইয়াযহাবুজুফাআওঁ ওয়া আম্মা-মা-ইয়ানফাউন্নাছা ফাইয়ামকুছু ফিল আরদি কাযা-লিকা ইয়াদরিবুল্লা-হুল আমছা-ল।

তিনি আকাশ থেকে পানি অবতারণ করেন, তারপর জলধারা প্রবাহিত হয় তাদের পরিমাপ অনুসারে, আর খরস্রোত বয়ে নিয়ে যায় ফেঁপে ওঠা ফেনার রাশি। আর যা তারা আগুনে গলায় গহনাগাটি বা যন্ত্রপাতি নির্মাণের উদ্দেশ্যে তা থেকেও ওঠে ওর মতো ফেনায়িত গাদ। এইভাবে আল্লাহ্ সত্য ও মিথ্যার দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। কাজেই যা কিছু গাদ -- তা চলে যায় জালরূপে, আর যা মানুষের উপকারে আসে তা কিন্তু থেকে যায় পৃথিবীতে। এইভাবে আল্লাহ্ উপমা দিয়ে থাকেন।

لِلَّذِينَ ٱسۡتَجَابُواْ لِرَبِّهِمُ ٱلۡحُسۡنَىٰۚ وَٱلَّذِينَ لَمۡ يَسۡتَجِيبُواْ لَهُۥ لَوۡ أَنَّ لَهُم مَّا فِي ٱلۡأَرۡضِ جَمِيعٗا وَمِثۡلَهُۥ مَعَهُۥ لَٱفۡتَدَوۡاْ بِهِۦٓۚ أُوْلَـٰٓئِكَ لَهُمۡ سُوٓءُ ٱلۡحِسَابِ وَمَأۡوَىٰهُمۡ جَهَنَّمُۖ وَبِئۡسَ ٱلۡمِهَادُ

লিল্লাযীনাছতাজা-বূলিরব্বিহিমুল হুছনা- ওয়াল্লাযীনা লাম ইয়াছতাজীবূলাহূলাও আন্না লাহুম মা-ফিল আরদিজামী‘আওঁ ওয়া মিছলাহূমা‘আহূলাফতাদাওঁ বিহী উলাইকা লাহুম ছূউল হিছা-ব ওয়ামা’ওয়া-হুম জাহান্নামু ওয়া বি’ছাল মিহা-দ ।

যারা তাদের প্রভুর প্রতি সাড়া দেয় তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ, আর যারা তাঁর প্রতি সাড়া দেয় না -- তাদের যদি থাকত পৃথিবীতে যা-কিছু আছে সবটাই ও সেই সঙ্গে তার সমপরিমাণ, তবে তারা নিশ্চয়ই তা মুক্তিপণরূপে অর্পণ করতো। এরাই -- এদের জন্য হবে মন্দ হিসাব, আর তাদের আবাস হবে জাহান্নাম, আর তা বড় নিকৃষ্ট বাসস্থান।

۞أَفَمَن يَعۡلَمُ أَنَّمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَ ٱلۡحَقُّ كَمَنۡ هُوَ أَعۡمَىٰٓۚ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ

আফামাইঁ ইয়া‘লামুআন্নামাউনঝিলা ইলাইকা মির রব্বিকাল হাক্কুকামান হুওয়া আ‘মা- ইন্নামা-ইয়াতাযাক্কারু ঊলুল আলবা-ব।

যেজন জানে যে তোমার প্রভুর কাছ থেকে তোমার নিকট যা অবতীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি তার মতো যে অন্ধ? নিঃসন্দেহ বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল স্মরণ করবে, --

ٱلَّذِينَ يُوفُونَ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ وَلَا يَنقُضُونَ ٱلۡمِيثَٰقَ

আল্লাযীনা ইঊফূনা বি‘আহদিল্লা-হি ওয়ালা-ইয়ানকুদূ নাল মীছা-ক।

যারা আল্লাহ্‌র অংগীকার রক্ষা করে ও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে না,

وَٱلَّذِينَ يَصِلُونَ مَآ أَمَرَ ٱللَّهُ بِهِۦٓ أَن يُوصَلَ وَيَخۡشَوۡنَ رَبَّهُمۡ وَيَخَافُونَ سُوٓءَ ٱلۡحِسَابِ

ওয়াল্লাযীনা ইয়াসিলূনা মাআমারল্লা-হুবিহীআইঁ ইউসালা ওয়া ইয়াখশাওনা রব্বাহুম ওয়া ইয়া খা-ফূনা ছূআল হিছা-ব।

আর যারা সংযুক্ত রাখে যা অক্ষুন্ন রাখতে আল্লাহ্ আদেশ করেছেন, আর যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে, আর যারা ভয় করে মন্দ হিসাব সন্বন্ধে।

وَٱلَّذِينَ صَبَرُواْ ٱبۡتِغَآءَ وَجۡهِ رَبِّهِمۡ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنفَقُواْ مِمَّا رَزَقۡنَٰهُمۡ سِرّٗا وَعَلَانِيَةٗ وَيَدۡرَءُونَ بِٱلۡحَسَنَةِ ٱلسَّيِّئَةَ أُوْلَـٰٓئِكَ لَهُمۡ عُقۡبَى ٱلدَّارِ

ওয়াল্লাযীনা সাবারুব তিগাআ ওয়াজহি রব্বিহিম ওয়া আক-মুসসালা-তা ওয়া আনফাকূ মিম্মা-রঝাকনা-হুম ছিররওঁ ওয়া ‘আলা-নিয়াতাওঁ ওয়া ইয়াদরঊনা বিলহাছানাতিছ ছাইয়িআতা উলাইকা লাহুম ‘উকবাদ্দা-র।

আর যারা তাদের প্রভুর সন্তষ্টিলাভের অন্বেষণে অধ্যবসায় অবলন্বন করে, আর নামায কায়েম রাখে, আর আমরা তাদের যা জীবনোপকরণ দিয়েছি তা থেকে যারা গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, আর ভাল দিয়ে মন্দকে দূর করে, -- এরাই তারা যাদের জন্য রয়েছে চরমোৎকর্ষ আবাস, --

جَنَّـٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا وَمَن صَلَحَ مِنۡ ءَابَآئِهِمۡ وَأَزۡوَٰجِهِمۡ وَذُرِّيَّـٰتِهِمۡۖ وَٱلۡمَلَـٰٓئِكَةُ يَدۡخُلُونَ عَلَيۡهِم مِّن كُلِّ بَابٖ

জান্না-তু‘আদনিইঁ ইয়াদখুলূনাহা-ওয়া মান সালাহামিনআ-বাইহিম ওয়াআঝওয়া-জিহিম ওয়াযুররিইইয়া-তিহিম ওয়াল মালাইকাতুইয়াদখুলূনা ‘আলাইহিম মিন কুল্লি বা-ব।

নন্দন কানন যাতে তারা প্রবেশ করবে, আর তাদের পিতামাতাদের ও তাদের পতিপত্নীদের ও তাদের সন্তানসন্ততি দের মধ্যে যারা সৎকর্ম করেছে, আর ফিরিশ্‌তাগণ তাদের সামনে প্রবেশ করবে প্রত্যেক দরজা দিয়ে, --

سَلَٰمٌ عَلَيۡكُم بِمَا صَبَرۡتُمۡۚ فَنِعۡمَ عُقۡبَى ٱلدَّارِ

ছালা-মুন ‘আলাইকুম বিমা-সাবারতুম ফানি‘মা ‘উকবাদ্দা-র।

শান্তি বর্ষিত হোক তোমাদের উপরে যেহেতু তোমরা অধ্যবসায় অবলন্বন করেছিলে, কাজেই কত ভাল এই চরমোৎকর্ষ আবাস!

وَٱلَّذِينَ يَنقُضُونَ عَهۡدَ ٱللَّهِ مِنۢ بَعۡدِ مِيثَٰقِهِۦ وَيَقۡطَعُونَ مَآ أَمَرَ ٱللَّهُ بِهِۦٓ أَن يُوصَلَ وَيُفۡسِدُونَ فِي ٱلۡأَرۡضِ أُوْلَـٰٓئِكَ لَهُمُ ٱللَّعۡنَةُ وَلَهُمۡ سُوٓءُ ٱلدَّارِ

ওয়াল্লাযীনা ইয়ানকুদূ না ‘আহদাল্লা-হি মিম বা‘দি মীছা-কিহী ওয়া ইয়াকাতা‘ঊনা মাআমারল্লা-হু বিহীআইঁ ইঊসালা ওয়াইউফছিদূ না ফিল আরদি উলাইকা লাহুমুল লা‘নাতুওয়া লাহুম ছূূউদ্দা-র।

আর যারা আল্লাহ্‌র সাথের অংগীকার ভঙ্গ করে সেটির সুদৃঢ়ীকরণের পরে, আর ছিন্ন করে যা অক্ষুন্ন রাখতে আল্লাহ্ আদেশ করেছেন, আর পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, এরাই -- এদের জন্যেই রয়েছে ধিক্কার, আর এদেরই জন্যে আছে নিকৃষ্ট আবাস।

ٱللَّهُ يَبۡسُطُ ٱلرِّزۡقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقۡدِرُۚ وَفَرِحُواْ بِٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَمَا ٱلۡحَيَوٰةُ ٱلدُّنۡيَا فِي ٱلۡأٓخِرَةِ إِلَّا مَتَٰعٞ

আল্লা-হু ইয়াবছুতু র রিঝকালিমাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইয়াকদিরু ওয়া ফারিহূবিলহায়াতিদদুনইয়া-ওয়ামাল হায়া-তুদদুনইয়া- ফিল আ-খিরতি ইল্লা-মাতা-‘উ।

আল্লাহ্ জীবিকা বাড়িয়ে দেন যাকে তিনি ইচ্ছে করেন, আর তিনি মাপজোখ করেন। আর তারা পার্থিব জীবনে উল্লসিত। অথচ ইহকালের জীবনটা তো পরকালের তুলনায় যৎসামান্য সুখ-ভোগ বৈ নয়।

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَوۡلَآ أُنزِلَ عَلَيۡهِ ءَايَةٞ مِّن رَّبِّهِۦۚ قُلۡ إِنَّ ٱللَّهَ يُضِلُّ مَن يَشَآءُ وَيَهۡدِيٓ إِلَيۡهِ مَنۡ أَنَابَ

ওয়া ইয়াকূলুল্লাযীনা কাফারূলাওলাউনঝিলা ‘আলাইহি আ-য়াতুম মির রব্বিহী কুল ইন্নাল্লা-হা ইউদিল্লুমাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইয়াহদীইলাইহি মান আনা-ব।

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে -- "কেন তাঁর কাছে তাঁর প্রভুর কাছ থেকে একটি নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না?" বলো -- "নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ ভ্রান্তপথে যেতে দেন যাকে তিনি ইচ্ছে করেন, আর তাঁর দিকে পরিচালিত করেন যে ফেরে;

ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَتَطۡمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكۡرِ ٱللَّهِۗ أَلَا بِذِكۡرِ ٱللَّهِ تَطۡمَئِنُّ ٱلۡقُلُوبُ

আল্লাযীনা আ-মানূওয়া তাতমাইন্নুকুলূবুহুম বিযিকরিল্লা-হি ‘আলা-বিযিকরিল্লা-হি তাতমাইন্নুল কুলূব।

"যারা আস্থা স্থাপন করেছে আর আল্লাহ্‌র গুণকীর্তনে যাদের হৃদয় প্রশান্ত হয়।" এটি কি নয় যে আল্লাহ্‌র গুণগানেই হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে?

ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّـٰلِحَٰتِ طُوبَىٰ لَهُمۡ وَحُسۡنُ مَـَٔابٖ

আল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি তূবা-লাহুম ওয়া হুছনুমাআ-ব।

যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদেরই জন্য পরম সুখ ও শুভ পরিণাম।

كَذَٰلِكَ أَرۡسَلۡنَٰكَ فِيٓ أُمَّةٖ قَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلِهَآ أُمَمٞ لِّتَتۡلُوَاْ عَلَيۡهِمُ ٱلَّذِيٓ أَوۡحَيۡنَآ إِلَيۡكَ وَهُمۡ يَكۡفُرُونَ بِٱلرَّحۡمَٰنِۚ قُلۡ هُوَ رَبِّي لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيۡهِ تَوَكَّلۡتُ وَإِلَيۡهِ مَتَابِ

কাযা-লিকা আরছালনা-কা ফীউম্মাতিন কাদ খালাত মিন কাবলিহাউমামুল লিতাতলুওয়া ‘আলাইহিমুল্লাযী আওহাইনাইলাইকা ওয়াহুম ইয়াকফুরূনা বিররহমা-নি কুল হুওয়া রববী লাইলা-হা ইল্লা হুওয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতুওয়া ইলাইহি মাতা-ব।

এইভাবে তোমাকে আমরা পাঠিয়েছি একটি জাতির মধ্যে যার পূর্বে বহু জাতি গত হয়ে গেছে, যেন তুমি তাদের কাছে পাঠ করতে পার যা আমরা তোমার কাছে প্রত্যাদেশ করছি, তথাপি তারা অবিশ্বাস করে পরম করুণাময়ের প্রতি! বল -- "তিনিই আমার প্রভু, তিনি ছাড়া অন্য উপাস্য নেই, তাঁরই উপরে আমি নির্ভর করি আর তাঁর কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন।"

وَلَوۡ أَنَّ قُرۡءَانٗا سُيِّرَتۡ بِهِ ٱلۡجِبَالُ أَوۡ قُطِّعَتۡ بِهِ ٱلۡأَرۡضُ أَوۡ كُلِّمَ بِهِ ٱلۡمَوۡتَىٰۗ بَل لِّلَّهِ ٱلۡأَمۡرُ جَمِيعًاۗ أَفَلَمۡ يَاْيۡـَٔسِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَن لَّوۡ يَشَآءُ ٱللَّهُ لَهَدَى ٱلنَّاسَ جَمِيعٗاۗ وَلَا يَزَالُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ تُصِيبُهُم بِمَا صَنَعُواْ قَارِعَةٌ أَوۡ تَحُلُّ قَرِيبٗا مِّن دَارِهِمۡ حَتَّىٰ يَأۡتِيَ وَعۡدُ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُخۡلِفُ ٱلۡمِيعَادَ

ওয়া লাও আন্না কুরআ-নান ছুইয়িরত বিহিল জিবা-লুআও কুত্তি‘আত বিহিল আরদুআও কুল্লিমা বিহিল মাওতা- বাল লিল্লা-হিল আমরু জামী‘আন আফালাম ইয়াইআছিল্লাযীনা আ-মানূআল্লাওঁইয়াশাউল্লা-হু লাহাদান্না-ছা জামী‘আওঁ ওয়ালা-ইয়াঝা-লুল্লাযীনা কাফারূতুসীবুহুম বিমা-সানা‘ঊ ক-রি‘আতুন আও তাহুল্লুকারীবাম মিন দা-রিহিম হাত্তা-ইয়া’তিয়া ওয়া‘দুল্লা-হি ইন্নাল্লা-হা লা-ইউখলিফুল মী‘আ-দ ।

আর যদি এমন একখানা কুরআন থাকত যার দ্বারা পাহাড়গুলো হটিয়ে দেয়া যেতো, অথবা তার দ্বারা পৃথিবীকে ছিন্নভিন্ন করা যেতো, অথবা মৃতকে তার দ্বারা কথা বলানো যেতো। বস্তুতঃ হুকুম পুরোপুরি আল্লাহ্‌র। যারা বিশ্বাস করেছে তারা কি জানে না যে, যদি আল্লাহ্ তেমন ইচ্ছে করতেন তবে সব মানুষকে একই সাথে সৎপথে চালিত করতেন? আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা যা করে সেজন্য তাদের উপরে বিপর্যয় আঘাত হানতে ক্ষান্ত হবে না, অথবা এটি তাদের বাড়িঘরের নিকটেই আপতিত হতে থাকবে, যে পর্যন্ত না আল্লাহ্‌র ওয়াদা সমাগত হয়। আল্লাহ্ আলবৎ ওয়াদা খেলাপ করেন না।

وَلَقَدِ ٱسۡتُهۡزِئَ بِرُسُلٖ مِّن قَبۡلِكَ فَأَمۡلَيۡتُ لِلَّذِينَ كَفَرُواْ ثُمَّ أَخَذۡتُهُمۡۖ فَكَيۡفَ كَانَ عِقَابِ

ওয়া লাকাদিছতুহঝিআ বিরুছুলিম মিন কাবলিকা ফাআমলাইতুলিল্লাযীনা কাফারূছু ম্মা আখাযতুহুম ফাকাইফা ক-না ‘ইক-ব।

আর নিশ্চয়ই তোমার পূর্বে রসূলগণকে ঠাট্টাবিদ্রূপ করা হয়েছিল, সুতরাং যারা অবিশ্বাস করেছিল তাদের আমি অবকাশ দিয়েছিলাম, তারপর আমি তাদের পাকড়াও করেছিলাম, কাজেই কেমন ছিল আমার প্রতিফলদান!

أَفَمَنۡ هُوَ قَآئِمٌ عَلَىٰ كُلِّ نَفۡسِۭ بِمَا كَسَبَتۡۗ وَجَعَلُواْ لِلَّهِ شُرَكَآءَ قُلۡ سَمُّوهُمۡۚ أَمۡ تُنَبِّـُٔونَهُۥ بِمَا لَا يَعۡلَمُ فِي ٱلۡأَرۡضِ أَم بِظَٰهِرٖ مِّنَ ٱلۡقَوۡلِۗ بَلۡ زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُواْ مَكۡرُهُمۡ وَصُدُّواْ عَنِ ٱلسَّبِيلِۗ وَمَن يُضۡلِلِ ٱللَّهُ فَمَا لَهُۥ مِنۡ هَادٖ

আফামান হুওয়া কাইমুন ‘আলা-কুল্লি নাফছিম বিমা কাছাবাত ওয়া জা‘আলূলিল্লা-হি শুরকাআ কুল ছাম্মূহুম আম তুনাব্বিঊনাহূবিমা-লা-ইয়া‘লামুফিল আরদিআম বিজাহিরিম মিনাল কাওলি বাল ঝুইয়িনা লিল্লাযীনা কাফারূমাকরুহুম ওয়াসুদ্দূ‘আনিছ ছাবীলি ওয়ামাইঁ ইউদলিলিল্লা-হু ফামা-লাহূমিন হা-দ ।

তবে কি প্রত্যেক সত্ত্বা কি অর্জন করছে তাতে যিনি অধিষ্ঠিত রয়েছেন? তথাপি তারা আল্লাহ্‌র সাথে অংশী দাঁড় করায়! তুমি বল -- "ওদের নাম দাও।" তবে কি তোমরা তাঁকে জানাতে চাও পৃথিবীতে এমন কিছু বিষয় যা তিনি জানেন না? না এটি বাহ্যতঃ একটি কথা মাত্র? না, ওদের ছলা-কলা চিত্তাকর্ষক মনে হয় তাদের কাছে যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, আর তাদের ফিরিয়ে আনা হয় সৎপথ থেকে। আর যাকে আল্লাহ্ পথভ্রষ্ট হতে দেন তার জন্য তবে কোনো পথপ্রদর্শক নেই।

لَّهُمۡ عَذَابٞ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَاۖ وَلَعَذَابُ ٱلۡأٓخِرَةِ أَشَقُّۖ وَمَا لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مِن وَاقٖ

লাহুম ‘আযা-বুন ফিল হায়া-তিদদুনইয়া-ওয়ালা ‘আযা-বুল আ-খিরতি আশাক্কু ওয়ামা-লাহুম মিনাল্লা-হি মিওঁ ওয়া-ক।

তাদের জন্য শাস্তি রয়েছে এই দুনিয়ার জীবনেই, আর পরকালের শাস্তি তো আরো কঠোর, আর তাদের জন্য আল্লাহ্‌র বিরুদ্ধে কোনো রক্ষাকারী নেই।

۞مَّثَلُ ٱلۡجَنَّةِ ٱلَّتِي وُعِدَ ٱلۡمُتَّقُونَۖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ أُكُلُهَا دَآئِمٞ وَظِلُّهَاۚ تِلۡكَ عُقۡبَى ٱلَّذِينَ ٱتَّقَواْۚ وَّعُقۡبَى ٱلۡكَٰفِرِينَ ٱلنَّارُ

মাছালুল জান্নাতিল লাতী উ‘ইদাল মুত্তাকূনা তাজরী মিন তাহতিহাল আনহা-রু উকুলুহা-দাইমুওঁ ওয়াজিল্লুহা- তিলকা ‘উকবাল্লাযী নাত্তাকাওঁ ওয়া ‘উকবাল কাফিরীনান্না-র।

ধর্মভীরুদের কাছে যেটি প্রতি‌শ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেই স্বর্গোদ্যানের উপমা হচ্ছে -- তার নিচে দিয়ে বয়ে যাচ্ছে ঝরনারাজি, তার ফলফসল চিরস্থায়ী আর তার ছায়াও। এই তাদের প্রতিফল যারা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করে, আর অবিশ্বাসীদের পরিণাম হচ্ছে আগুন।

وَٱلَّذِينَ ءَاتَيۡنَٰهُمُ ٱلۡكِتَٰبَ يَفۡرَحُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَۖ وَمِنَ ٱلۡأَحۡزَابِ مَن يُنكِرُ بَعۡضَهُۥۚ قُلۡ إِنَّمَآ أُمِرۡتُ أَنۡ أَعۡبُدَ ٱللَّهَ وَلَآ أُشۡرِكَ بِهِۦٓۚ إِلَيۡهِ أَدۡعُواْ وَإِلَيۡهِ مَـَٔابِ

ওয়াল্লাযীনা আ-তাইনা-হুমুল কিতা-বা ইয়াফরহূনা বিমাউনঝিলা ইলাইকা ওয়া মিনাল আহঝা-বি মাইঁ ইউনকিরু বা‘দাহূ কুল ইন্নামাউমিরতুআন আ‘বুদাল্লা-হা ওয়ালাউশরিকা বিহী ইলাইহি আদ‘ঊ ওয়া ইলাইহি মাআ-ব।

আর যাদের আমরা ধর্মগ্রন্থ দিয়েছি তারা আনন্দ বোধ করে যা তোমার কাছে অবতীর্ণ হয়েছে তাতে, আর গোত্রদের মধ্যে এমনও আছে যে এর কিছুটা অস্বীকার করে। তুমি বলো -- "নিঃসন্দেহ আমি আদিষ্ট হয়েছি যে আমি আল্লাহ্‌রই উপাসনা করবো এবং তাঁর সাথে কোন অংশী দাঁড় করাবো না। তাঁরই প্রতি আমি আহ্বান করি এবং তাঁরই নিকট আমার প্রত্যাবর্তন।"

وَكَذَٰلِكَ أَنزَلۡنَٰهُ حُكۡمًا عَرَبِيّٗاۚ وَلَئِنِ ٱتَّبَعۡتَ أَهۡوَآءَهُم بَعۡدَمَا جَآءَكَ مِنَ ٱلۡعِلۡمِ مَا لَكَ مِنَ ٱللَّهِ مِن وَلِيّٖ وَلَا وَاقٖ

ওয়া কাযা-লিকা আনঝালনা-হু হুকমান ‘আরবিইইয়াওঁ ওয়ালাইনিততাবা‘তা আহওয়াআহুম বা‘দা মা-জাআকা মিনাল ‘ইল মি মা-লাকা মিনাল্লা-হি মিওঁ ওয়ালিইয়িওঁ ওয়ালা-ওয়া-ক।

আর এইভাবে আমরা এটি অবতারণ করেছি -- একটি হুকুম আরবীতে। আর তুমি যদি তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করো তোমার কাছে জ্ঞানের যা এসেছে তার পরে তবে আল্লাহ্‌র বিরুদ্ধে তুমি পাবে না কোনো বন্ধুবান্ধব, আর না কোনো রক্ষক।

وَلَقَدۡ أَرۡسَلۡنَا رُسُلٗا مِّن قَبۡلِكَ وَجَعَلۡنَا لَهُمۡ أَزۡوَٰجٗا وَذُرِّيَّةٗۚ وَمَا كَانَ لِرَسُولٍ أَن يَأۡتِيَ بِـَٔايَةٍ إِلَّا بِإِذۡنِ ٱللَّهِۗ لِكُلِّ أَجَلٖ كِتَابٞ

ওয়া লাকাদ আরছালনা-রুছুলাম মিন কাবলিকা ওয়া জা‘আলনা-লাহুম আঝওয়া-জাওঁ ওয়া যুররিইইয়াতাওঁ ওয়ামা-ক-না লিরছূলিন আইঁ ইয়া’তিয়া বিআ-য়াতিন ইল্লা-বিইযনিল্লা হি লিকুল্লি আজালিন কিতা-ব।

আর অবশ্যই তোমার পূর্বে আমরা বহু রসূল পাঠিয়েছি, আর তাঁদের জন্য আমরা দিয়েছিলাম স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি, আর কোনো রসূলের পক্ষে এটি নয় যে তিনি কোনো নিদর্শন উপস্থাপিত করবেন আল্লাহ্‌র অনুমতি ব্যতীত। প্রত্যেক নির্ধারিত কালের জন্য বিধান রয়েছে।

يَمۡحُواْ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ وَيُثۡبِتُۖ وَعِندَهُۥٓ أُمُّ ٱلۡكِتَٰبِ

ইয়ামহূল্লা-হু মা-ইয়াশাউ ওয়া ইউছবিতু ওয়া ‘ইনদাহূ উম্মুল কিতা-ব।

আল্লাহ্ বিলুপ্ত করেন যা তিনি ইচ্ছে করেন, আর প্রতিষ্ঠিত করেন, আর তাঁরই কাছে রয়েছে ধর্মগ্রন্থের ভিত্তি।

وَإِن مَّا نُرِيَنَّكَ بَعۡضَ ٱلَّذِي نَعِدُهُمۡ أَوۡ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِنَّمَا عَلَيۡكَ ٱلۡبَلَٰغُ وَعَلَيۡنَا ٱلۡحِسَابُ

ওয়া ইম্মা- নুরিইয়ান্নাকা বা‘দাল্লাযীনা‘ইদুহুম আও নাতাওয়াফফাইয়ান্নাকা ফাইন্নামা‘আলাইকাল বালা-গু ওয়া ‘আলাইনাল হিছা-ব।

আর তোমাকে যদি আমরা দেখাই ওদের যা ওয়াদা করেছি তা থেকে কিছুটা, অথবা তোমার মৃত্যু ঘটিয়ে দিই, -- সর্বাবস্থায়ই তোমার উপরে হচ্ছে পৌঁছে দেওয়া, আর আমাদের উপরে হচ্ছে হিসাব গ্রহণ।

أَوَلَمۡ يَرَوۡاْ أَنَّا نَأۡتِي ٱلۡأَرۡضَ نَنقُصُهَا مِنۡ أَطۡرَافِهَاۚ وَٱللَّهُ يَحۡكُمُ لَا مُعَقِّبَ لِحُكۡمِهِۦۚ وَهُوَ سَرِيعُ ٱلۡحِسَابِ

আওয়ালাম ইয়ারও আন্না-না’তিল আরদা নানকুসুহা-মিন আতার-ফিহা- ওয়াল্লা-হু ইয়াহকুমূলা-মু‘আক্কিবা লিহুকমিহী ওয়া হুওয়া ছারী‘উল হিছা-ব।

ওরা কি দেখে না যে আমরা এই দেশটাকে নিয়ে চলেছি, একে সংকুচিত করছি তার চৌহদ্দি থেকে? আল্লাহ্ রায় দান করেন, তাঁর হুকুম প্রতিহত হবার নয়। আর তিনি হিসেব-নিকেশে তৎপর।

وَقَدۡ مَكَرَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡ فَلِلَّهِ ٱلۡمَكۡرُ جَمِيعٗاۖ يَعۡلَمُ مَا تَكۡسِبُ كُلُّ نَفۡسٖۗ وَسَيَعۡلَمُ ٱلۡكُفَّـٰرُ لِمَنۡ عُقۡبَى ٱلدَّارِ

ওয়া কাদ মাকার ল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফালিল্লা-হিল মাকরু জামী‘আইঁ ইয়া‘লামুমাতাকছিবুকুল্লুনাফছিওঁ ওয়া ছাইয়া‘লামুল কুফফা-রু লিমান ‘উকবাদ দা-র।

আর তাদের পূর্ববর্তীকালে যারা ছিল তারাও নিশ্চয়ইচক্রান্ত করেছিল, কিন্তু সমস্ত চক্রান্তই আল্লাহ্‌র। তিনি জানেন প্রত্যেক সত্ত্বা কী অর্জন করে। আর অবিশ্বাসীরা অচিরেই জানতে পারবে কার জন্য রয়েছে চরমোৎকর্ষ আবাস।

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ لَسۡتَ مُرۡسَلٗاۚ قُلۡ كَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدَۢا بَيۡنِي وَبَيۡنَكُمۡ وَمَنۡ عِندَهُۥ عِلۡمُ ٱلۡكِتَٰبِ

ওয়া ইয়াকূলুল্লাযীনা কাফারূ লাছতা মুরছালান কুল কাফা-বিল্লা-হি শাহীদাম বাইনী ওয়া বাইনাকুম ওয়া মান ‘ইনদাহূ‘ইল মুল কিতা-ব।

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে -- "তুমি আল্লাহ্‌র রসূল নও।" বলো -- "আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষীরূপে আল্লাহ্‌ই যথেষ্ট, আর সে যার কাছে রয়েছে ধর্মগ্রন্থের জ্ঞান।"