ওয়া ইয়াকূলুল্লাযীনা কাফারূ লাছতা মুরছালান কুল কাফা-বিল্লা-হি শাহীদাম বাইনী ওয়া বাইনাকুম ওয়া মান ‘ইনদাহূ‘ইল মুল কিতা-ব।উচ্চারণ
এ অস্বীকারকারীরা বলে, তুমি আল্লাহর প্রেরিত নও। বলো, “আমার ও তোমাদের মধ্যে আল্লাহর সাক্ষ যথেষ্ট এবং তারপর আসমানী কিতাবের জ্ঞান রাখে এমন প্রত্যেক ব্যক্তির সাক্ষ।” ৬২ তাফহীমুল কুরআন
যারা কুফর অবলম্বন করেছে তারা বলে, তুমি রাসূল নও। বলে দাও, আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষীরূপে আল্লাহ এবং প্রত্যেক ওই ব্যক্তি যথেষ্ট, যার কাছে কিতাবের জ্ঞান আছে। #%৪৪%#মুফতী তাকী উসমানী
যারা কুফরী করেছে তারা বলেঃ তুমি (আল্লাহর) প্রেরিত নও; তুমি বলঃ আল্লাহ এবং যাদের নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে তারা আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট।মুজিবুর রহমান
কাফেররা বলেঃ আপনি প্রেরিত ব্যক্তি নন। বলে দিন, আমার ও তোমাদের মধ্যে প্রকৃষ্ট সাক্ষী হচ্ছেন আল্লাহ এবং ঐ ব্যক্তি, যার কাছে গ্রন্থের জ্ঞান আছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যারা কুফরী করেছে তারা বলে, ‘তুমি আল্লাহ্ র প্রেরিত নও।’ বল, ‘আল্লাহ্ এবং যাদের নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে, তারা আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট।’ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যারা কুফরী করে, তারা বলে, ‘তুমি রাসূল নও’। বল, ‘আল্লাহ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট এবং যার নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে সেও‘।আল-বায়ান
কাফিররা বলে, ‘তুমি আল্লাহর প্রেরিত নও।’ বল, ‘আমার ও তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং যাদের কিতাবের জ্ঞান আছে তারাও।’তাইসিরুল
আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে -- "তুমি আল্লাহ্র রসূল নও।" বলো -- "আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষীরূপে আল্লাহ্ই যথেষ্ট, আর সে যার কাছে রয়েছে ধর্মগ্রন্থের জ্ঞান।"মাওলানা জহুরুল হক
৬২
অর্থাৎ আসমানী কিতাবের জ্ঞান রাখে এমন প্রত্যেক ব্যক্তি একথার সাক্ষ্য দেবে যে, যাকিছু আমি পেশ করছি তা ইতিপূর্বে আগত নবীগণের শিক্ষার পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয়।
অর্থাৎ, তোমরা যে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতকে অস্বীকার করছ তাতে কি আসে যায়? তোমাদের অস্বীকৃতির কারণে সত্য মিথ্যা হয়ে যেতে পারে না। আল্লাহ তাআলা স্বয়ং তার রিসালাতের সাক্ষী এবং আসমানী কিতাবের জ্ঞান রাখে এমন যে-কোনও ব্যক্তি যদি ন্যায়নিষ্ঠতার সাথে সেই জ্ঞানের আলোকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তবে ‘তিনি একজন সত্য নবী’ এ সাক্ষ্য দিতে সে বাধ্য হবে।
৪৩. আর যারা কুফরী করেছে তারা বলে, তুমি আল্লাহর পাঠানো নও। বলুন, আল্লাহ্ এবং যাদের কাছে কিতাবের জ্ঞান আছে, তারা আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট।(১)
(১) অর্থাৎ আসমানী কিতাবের জ্ঞান রাখে এমন প্রত্যেক ব্যক্তি একথার সাক্ষ্য দেবে যে, যা কিছু আমি পেশ করেছি তা ইতিপূর্বে আগত নবীগণের শিক্ষার পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর কিছুই নয় এবং আমি আল্লাহরই রাসূল। পবিত্র কুরআনের অন্যান্য স্থানেও আল্লাহ তা'আলা আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদী ও নাসারাদের মধ্যে যা সত্যনিষ্ঠ তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সত্যয়নকারীরূপে উল্লেখ করেছেন। যেমন কুরআনে এসেছেঃ আল্লাহ বললেন, আমার শাস্তি যাকে ইচ্ছে দিয়ে থাকি আর আমার দয়া—তা তো প্রত্যেক বস্তুকে ঘিরে রয়েছে। কাজেই আমি তা নির্ধারিত করব তাদের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে, যাকাত দেয় ও আমার নিদর্শনে ঈমান আনে। যারা অনুসরণ করে বার্তাবাহক উম্মী নবীর, যার উল্লেখ তাওরাত ও ইনজীল, যা তাদের কাছে আছে তাতে লিখিত পায়। ডসূরা আল-আরাফঃ ১৫৬–১৫৭) আরও এসেছে, বনী ইসরাঈলের পণ্ডিতগণ এ সম্পর্কে জানে—এটা কি তাদের জন্য নিদর্শন নয়? (সূরা আস-শু'আরাঃ ১৯৭)
(৪৩) যারা অবিশ্বাস করেছে তারা বলে, ‘তুমি আল্লাহর প্রেরিত নও। তুমি বল, ‘আল্লাহ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট(1) এবং তারা যাদের নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে।’(2)
(1) সুতরাং তিনি জানেন যে, আমি তাঁর সত্য রসূল ও তাঁর বার্তা প্রচারক। আর তোমরা হলে মিথ্যাবাদী।
(2) কিতাবের অর্থ কিতাবের শ্রেণীকে বুঝানো হয়েছে; উদ্দেশ্য তাওরাত ও ইঞ্জীলের জ্ঞান। অর্থাৎ ইয়াহুদ ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে যারা মুসলমান হয়েছে; যেমন আব্দুল্লাহ বিন সালাম, সালমান ফারসী এবং তামীম দারী ইত্যাদি (রাঃ), এরাও জানত যে, আমি আল্লাহর রসূল। আরবের মুশরিকরা বিশেষ সমস্যার সময় ইয়াহুদ ও খ্রিষ্টানদের নিকট রুজু করত এবং তাদেরকে সমাধান জিজ্ঞাসা করত। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পথ দেখালেন যে, ইয়াহুদ ও খ্রিষ্টানরা জানে, তাদেরকে তোমরা জিজ্ঞাসা করে নাও। কিছু উলামা বলেন যে, কিতাব থেকে কুরআনকে এবং কিতাবের জ্ঞানী থেকে মুসলিমদেরকে বুঝানো হয়েছে। আবার কোন কোন আলেম কিতাবের অর্থ ‘লাওহে মাহফূয’ (সংরক্ষিত ফলক) নিয়েছেন, অর্থাৎ যার কাছে সংরক্ষিত ফলকের জ্ঞান রয়েছে অর্থাৎ মহান আল্লাহ। তবে প্রথম অর্থটাই বেশি উপযুক্ত।