লাহুম ‘আযা-বুন ফিল হায়া-তিদদুনইয়া-ওয়ালা ‘আযা-বুল আ-খিরতি আশাক্কু ওয়ামা-লাহুম মিনাল্লা-হি মিওঁ ওয়া-ক।উচ্চারণ
এ ধরনের লোকদের জন্য দুনিয়ার জীবনেই রয়েছে আযাব এবং আখেরাতের আযাব এর চেয়েও বেশী কঠিন। তাদেরকে আল্লাহর হাত থেকে বাঁচাবার কেউ নেই। তাফহীমুল কুরআন
তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনেও শাস্তি রয়েছে আর আখেরাতের শাস্তি নিঃসন্দেহে অনেক বেশি কঠিন হবে। এমন কেউ নেই, যে তাদেরকে আল্লাহ (-এর শাস্তি) থেকে বাঁচাতে পারবে।মুফতী তাকী উসমানী
তাদের জন্য পার্থিব জীবনে আছে শাস্তি এবং পরকালের শাস্তিতো আরও কঠোর! এবং আল্লাহর শাস্তি হতে রক্ষা করার তাদের কেহ নেই।মুজিবুর রহমান
দুনিয়ার জীবনেই এদের জন্য রয়েছে আযাব এবং অতি অবশ্য আখেরাতের জীবন কঠোরতম। আল্লাহর কবল থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী নেই।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এদের জন্যে দুনিয়ার জীবনে আছে শাস্তি এবং আখিরাতের শাস্তি তো আরো কঠোর! এবং আল্লাহ্ র শাস্তি হতে রক্ষা করার এদের কেউ নেই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাদের জন্যই রয়েছে দুনিয়ার জীবনে আযাব, আর আখিরাতের আযাব তো আরো কঠিন। আল্লাহর আযাব থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী নেই।আল-বায়ান
দুনিয়ার জীবনে তাদের জন্য আছে শাস্তি, আর আখেরাতের শাস্তি অবশ্যই আরো বেশি কঠিন। আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচানোর তাদের কেউ নেই।তাইসিরুল
তাদের জন্য শাস্তি রয়েছে এই দুনিয়ার জীবনেই, আর পরকালের শাস্তি তো আরো কঠোর, আর তাদের জন্য আল্লাহ্র বিরুদ্ধে কোনো রক্ষাকারী নেই।মাওলানা জহুরুল হক
৩৪. তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনে আছে শাস্তি এবং আখিরাতের শাস্তি তো আরো কঠোর! আর আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করার মত তাদের কেউ নেই।(১)
(১) আল্লাহ তা'আলা কাফেরদের জন্য দুনিয়াতে যে শাস্তি রেখেছেন তার থেকে আখেরাতের শাস্তি যে কত ভয়াবহ এখানে সে কথাই তুলে ধরেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও লি'আনকারী পুরুষ ও মহিলাকে আখেরাতের শাস্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে সাবধান করে দিয়ে বলেছিলেন, “অবশ্যই দুনিয়ার আযাব আখেরাতের আযাবের চেয়ে অনেক সহজ।” (মুসলিমঃ ১৪৯৩) কারণ, দুনিয়ার আযাব যত দীর্ঘ সময়ই হোক না কেন তা তো লোকের মৃত্যুর সাথে সাথে বা দুনিয়ার শেষদিনটির সাথে সাথে শেষ হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে আখেরাতের আযাব কোন দিন শেষ হবার নয়, তা চিরস্থায়ী। আবার তার পরিমাণও অনেক বেশী। যার বর্ণনা আল্লাহ্ তা'আলা পবিত্র কুরআনের অন্যত্র করেছেন। (দেখুন, সূরা আল-ফাজরঃ ২৫, ২৬, সূরা আল-ফুরকানঃ ১১–১৫)
(৩৪) তাদের জন্য পার্থিব জীবনে আছে শাস্তি(1) এবং পরকালের শাস্তি তো আরো কঠোর।(2) আর আল্লাহর (শাস্তি) হতে রক্ষাকর্তা তাদের কেউ নেই।
(1) এর অর্থ হত্যা ও বন্দিদশা, যা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় এই কাফেরদের ভাগে আসে।
(2) যেমন নবী (সাঃ) লিআনকারী ও লিআনকারিণীকে বলেছিলেন, ‘‘দুনিয়ার শাস্তি আখেরাতের শাস্তির তুলনায় হাল্কা ও সহজ।’’ (মুসলিম, কিতাবুল লিআন, লিআনের সংজ্ঞা জানতে সূরা নূর ৭নং আয়াতের টীকা দ্রঃ) এ ছাড়া দুনিয়ার শাস্তি (যেমনই হোক এবং যতই হোক তা কাফেরদের জন্য) সাময়িক ও অস্থায়ী এবং আখেরাতের শাস্তি চিরস্থায়ী, যা শেষ হবে না। তাছাড়া জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুনের তুলনায় ঊনসত্তর গুণ বেশি তীব্র। অনুরূপ অন্য কিছুও রয়েছে। সুতরাং শাস্তির কঠিন হওয়ার ব্যাপারে কি সন্দেহ থাকতে পারে?