user-avatar

Tanvir Hossain Bijoy

◯ TanvirHossainBijoy

আমি এসএসসি পাশ করেছি এইবছর, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য কলেজে ভর্তি হতে পারছি না।


অবশ্য কিছুদন পর ভর্তি হতে পারবো। 


কিন্তু এখন আমার ইচ্ছা মাদ্রাসায় পড়বো, কলেজের পড়ায় মন দিতে  পারবোনা এমন মনে হচ্ছে! 


তবে একটা সমস্যা,

আম্মু পুরো রাজিনা, তাই বলছি যে পাশাপাশি কলেজে ভর্তি হয়ে থাকি!


তো এখন জানতে চাই, এখন মাদ্রাসায় ভর্তি হলে ভবিষ্যৎ এ কি হতে পারে?

এক আলেমের সাথে কথা বলার পর বলছে যদি মাদ্রাসায় ভর্তি হও তাহলে তোমার আগ্রহের উপর ভিত্তি করে সামনে আগানো যাবে.......

আমার খুব ইচ্ছা হয়েছে মাদ্রাসায় পড়ার, কিন্তু সমস্যা হলো আম্মু রাজি হতে নাও পারে। কারণ আমি এক ছেলে আর আমার বোন ছোট, আর বাসায় দোকান আছে একটা। এখন বললে রাজি হতে নাও পারে কিন্তু আমার অনেক ইচ্ছে হয়েছে পড়ার।  এখন কি করে বললে রাজি করাতে পারবো? 


আমি এখন এসএসসি পরিক্ষার্থি
আমার যে বন্ধুরা আছে যারা নামাজ পড়েনা      আবার বেশিরভাগ দুনিয়াবি চিন্তা করে, গান বাজনা শোনে। তাদের কিভাবে বুঝাবো? কিভাবে তারা নামাজ পড়তে আগ্রহী হবে; পরকাল নিয়েও চিন্তা করবে আবার গান-বাজনা আস্তে আস্তে ছেড়ে দিবে।     একটু সহজভাবে গুছিয়ে বলুন যাতে তারা বুঝতে পারে,  সকলের মন্তব্য কামনা করছি।
আমি কমার্স এর ছাত্র, এই বছর এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছিলাম কিন্তু গনিত বিষয়ে ফেল করেছি। এটা কিভাবে হলো কিছুই বুঝতে পারিনাই।  এখন কথা হলো, আমার সবচেয়ে বেশি ইন্টারেস্ট প্রোগ্রামিং বা সফটওয়্যার গুলো নিয়ে। কিন্তু আমি জানতাম না যে এই বিষয়ে পড়তে হলে আবার বিজ্ঞান বিভাগ লাগে কিন্তু আমিতো কমার্স এর ছাত্র কিন্তু পরে আমি বিভাগ চেন্জ করে আর্টস বিভাগ  নিবো। কিন্তু আমার ইন্টারেস্ট বিষয় নিয়ে কিভাবে পড়তে পারি, এই নিয়ে আমি খুব চিন্তায় আছি। কেউ বলুন আমাকে কি করতে হবে, সবার মন্ত্যবের আশা করছি......
বর্তমানে মোবাইলের কি-বোর্ড গুলায় অনেক ধরণের ইমোজি/স্টিকার থাকে।  তাছাড়া এখন কথাবার্তায় তো ইমোজি ব্যবহার না করলে ভাব প্রকাশ ও হয়না।     এখন কথা হলো ইমোজি গুলো কি ব্যবহার করতে পারবো?  যেমন:- ইমোজি গুলো সো করতাছে না,  তাই লিখে দিলাম- মানুষের মুখের বিভিন্ন ধরণের ভঙ্গি, বিভিন্ন ধরনের প্রাণি Etc... Please Answer আমি জানি, গাছ-ফুল-ফল-বাড়ীঘর-যানবাহন...Etc... এগুলা ব্যবহার করলে সমস্যা নেই। তবে উপরের গুলো ব্যবহার করা জায়েজ নাকি নাজায়জ? 
সমস্যা হলো আমি কমার্স এর ছাত্র। আর এসএসসি তে যদি ৩.০০ পয়েন্ট আসে, তাহলে কি হওয়া যাবে? আর হওয়া গেলে কিভাবে পড়তে হবে, কেউ জানলে বলবেন প্লিজ। 
আমার এক বন্ধুকে নিচের নামের ঔষুধ গুলো দেয়া হয়েছে। TLR 3  Neso 20/500mg Indever 40mg Amit 10mg Xinarox CV 500mg এখন কথা হলো আমার বন্ধু জানেনা এই ঔষুধ গুলার কাজ কি। যদি কেউ যানেন তাহলে দয়া করে বলবেন প্লিজ।
আমি একটি  রুটিন চাই, যেটার অনুযায়ী এখন সুন্দর মতো চলতে পারি। আর প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের মতো করে নিবো। এখন কিছু করিনা। এসএসসি পরিক্ষা দিয়েছি, কিন্তু পাশ হয়নি গণিত বিষয়ে। বাসায় দোকান আছে। তাছাড়া আর কোনো কাজ নেই। এখন একটি রুটিন বলে সাহায্য করুন যা আমার সাথে সামন্জস্যপূর্ন। এমন রুটিন যা আমার সাস্থ্য ও মনকে ভালো রাখবে।  প্লিজ একটু কষ্ট করে আমাকে একটি রুটিন দিন।
আমি কিছুদিন আগে এসএসসি দেই। দুর্ভাগ্যবসত গনিতে পাশ করিনি। এখন কিছু করিনা। তবে আমার একটা ইচ্ছা ছিলো, মাদরাসায় পড়ার। এখন কথা হলো, আমি কি মাদরাসায় পড়তে পারবো?  একটা সমস্যাও আছে সেটা হলো, বাসায় দোকান আছে মাঝেমধ্যে বসতে হয়। আম্মু, আব্বু, আমি আর আমার ছোট বোন থাকি বাসায়। একটু ভেবে বলবেন প্লিজ।
মাঝে মধ্যেই মন খারাপ হয়ে যায়, তবে সব সময়ই হাসি খুশি থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু মাঝে মধ্যে মনে হয় কেউ আমার খবর নেয় না। একটি বন্ধুও মেসেজ করে কোনো খবর নেয় না। তাই হটাৎই খুব খারাপ লাগে। আমার মন খারাপ হলে আমি কোরআন তেলাওয়াত শুনি। আর কোনো মন ভালো করার উপায় থাকলে বলবেন। আরেকটি কথা, আমি ঘরে খুব শান্তভাবে থাকতে চাই কিন্তু উল্টাপাল্টা কিছু বললেই মাথা খুব গরম হয়ে যায়। এ সমস্যা আমার একটুও ভালো লাগেনা। প্লিজ কিছু উপদেশ দিয়ে সাহায্য করুন।
পরিক্ষার সেন্টারেই তার সাথে দেখা, অবশ্য পরিক্ষার সময় দরকারি কথা ছাড়া অন্য কোনো কথা হয়নি। যখন পরিক্ষা শেষ হয়ে যাবে তখন তাকে জিগ্যেস করি যে ফেসবুক ব্যবহার করে কিনা, পরে ফেসবুকে তার সাথে অনেক কথা বলি। আস্তে আস্তে তাকে ভালো লাগা শুরু হয়, একদিন তাকে বললাম যে তাকে আমার ভালো লাগে অবশ্য তাকে সরাসরি বলি নাই যে তাকে ভালোবাসি, কিন্তু কথা বলে বুঝাই যে তাকে ভালোবাসি। তারপর সে কিছু মনে করে নাই, ভালো মতোই বলে যে তার প্রেম-ভালোবাসা ভালো লাগেনা।  আমিও তাকে বললাম ঠিকআছে, কারণ ভাবলাম আরো কিছুদিন কথা বলে দেখি কি হয়। পরে নিয়মিতই কথা হতো।  সব বিষয়েই খুলে কথা বলতাম। এরপর আবার বললাম তোমার সাথে কথা না বললে আমার খারাপ লাগে কেনো,  সে বললো হয়তো ভালোবাসা। আবার বললো - কথা বলতে থাকো। আমি বললাম ঠিকআছে, কিন্তু আমার মধ্যেও ভয় কাজ করতো, কারন আমি তাকে লাইক করলেও ইসলামিক দিক থেকে, আবার ভবিষ্যৎ দিক দিয়ে চিন্তা করতাম। এতোদিন অপেক্ষা করলেও এখনও তার কথা ভাবলে খারাপ লাগে, অবশ্য তার সাথে এখনও কথা হয়, কিন্তু আগের মতো না।  এখন আমি কি করবো বুঝতে পারতাছি না, তার সাথে কথা হলেই খারাপ লাগে আবার কথা না হলেও খারাপ লাগে।  একটু সাজেশন দিয়ে করুন
পরিক্ষার সেন্টারেই তার সাথে দেখা, অবশ্য পরিক্ষার সময় দরকারি কথা ছাড়া অন্য কোনো কথা হয়নি। যখন পরিক্ষা শেষ হয়ে যাবে তখন তাকে জিগ্যেস করি যে ফেসবুক ব্যবহার করে কিনা, পরে ফেসবুকে তার সাথে অনেক কথা বলি। আস্তে আস্তে তাকে ভালো লাগা শুরু হয়, একদিন তাকে বললাম যে তাকে আমার ভালো লাগে অবশ্য তাকে সরাসরি বলি নাই যে তাকে ভালোবাসি, কিন্তু কথা বলে বুঝাই যে তাকে ভালোবাসি। তারপর সে কিছু মনে করে নাই, ভালো মতোই বলে যে তার প্রেম-ভালোবাসা ভালো লাগেনা।  আমিও তাকে বললাম ঠিকআছে, কারণ ভাবলাম আরো কিছুদিন কথা বলে দেখি কি হয়। পরে নিয়মিতই কথা হতো।  সব বিষয়েই খুলে কথা বলতাম। এরপর আবার বললাম তোমার সাথে কথা না বললে আমার খারাপ লাগে কেনো,  সে বললো হয়তো ভালোবাসা। আবার বললো কথা বলতে থাকো। আমি বললাম ঠিকআছে, কিন্তু আমার মধ্যেও ভয় কাজ করতো, কারন আমি তাকে লাইক করলেও ইসলামিক দিক থেকে, আবার ভবিষ্যৎ দিক দিয়ে চিন্তা করতাম। এতোদিন অপেক্ষা করলেও এখনও তার কথা ভাবলে খারাপ লাগে, অবশ্য তার সাথে এখনও কথা হয়, কিন্তু আগের মতো না।  এখন আমি কি করবো বুঝতে পারতাছি না, তার সাথে কথা হলেই খারাপ লাগে আবার কথা না হলেও খারাপ লাগে।  একটু সাজেশন দিয়ে করুন