কোন কিরিম থাকলে নাম বলো এবংকত টাকা কিরিম

এর দাম। 

3107 views

2 Answers

আমাদের দেশে মানুষের জীবন যাত্রায় চামড়ার রং খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গায়ের রং ফর্সা না কালো তা দিয়ে লোক বিচার করার নজিরও কম নয়। তাই ফর্সা নন, এমন লোকেদের অনেকেই সবসময়ই গায়ের রং নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ থাকে না। সেই চিন্তা থেকে হিনম্মন্যতা আসে যা মানসিকভাবে তাদের পিছিয়ে দেয়।আমরা সকলেই জানি, গায়ের রং কি হবে তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা আমাদের নেই। সেটা জন্মের সময়ই ঠিক হয়ে যায় এবং তা জিনগত ব্যাপার।কিন্তু এরপরও মানুষের ফর্সা হওয়ার প্রতিযোগিতার শেষ নেই। অনেকেই ফর্সা হতে নামদামী কসমেটিকসও ব্যবহার করে থাকেন। এখনকার দিনে সুন্দর দেখতে লাগা যেহেতু খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই সকলেই চায় নিজেকে সুন্দর করে তুলতে। তাতে আত্মবিশ্বাসও অনেকটাই বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন মানসিক বিশেষজ্ঞরাসেজন্য কয়েকটি ঘরোয়া উপকরণ নিয়ে চামড়ার রং উজ্বল দিকটি তুলে ধরা হলো। এর মাধ্যমে আগের চেয়ে অনেকটা ফরসা হয়ে উঠবে। দুধ: দুধ হলো আল্লাহর এক বিরাট নিয়ামত। আর দুধ গোসল ত্বককে ফর্সা হতে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি সাহায্য করে। এ দিয়ে গোসল করলে আলাদা করে সাবান বা শ্যাম্পুর প্রয়োজন হয় না, ত্বকও ফর্সা হয়ে ওঠে। ডাবের পানি: ডাব বা নারকেলের জল ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। ত্বকের উজ্বলতা ফেরাতে, কালো ছোপ দূর করতে এর জুড়ি নেই। লেবু: ত্বকের রং ফেরাতে লেবু সবসময়ই ব্যবহার করা হয়। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে চামড়ায় লাগান। এটি স্বাভাবিক ব্লিচের কাজ করবে ও ত্বকের জেল্লা বাড়াবে। গোলাপ জল: গোলাপ জল মিশিয়ে গোসল করুন। তাতে অনেকটা লেবুর রসও মিশিয়ে দিন। লেবু ব্লিচের কাজ করবে ও গোলাপ জল গোসলের পরে জেল্লা ফিরিয়ে আনবে। ডিমের কুসুম: ডিমের সাদা অংশের পাশাপাশি কুসুমও ত্বকের জন্য উপকারী। কুসুম ফেটিয়ে তা ত্বকে মাখতে পারেন। তবে তা তোলার সময়ে ভিনিগার ব্যবহার করবেন। তাতে গন্ধ চলে যাবে আর আপনি ত্বক ফর্সা হবে। দই: ত্বকের রং ফেরাতে টক দই ও লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে ত্বকে লাগান। এতে খানিক জ্বালা ভাব অনুভূত হলেও ফর্সা হতে দারুণ কাজ দেবে। জিরে: গোসলের পানিতে জিরে ভিজিয়ে রেখে তা ব্যবহার করুন। এটির ব্যবহারে মাত্র ১০ দিনেই ত্বকের জেল্লা না ফিরলেও দারুণ কাজ দেবে। জিরে বেঁটে নিয়ে তাতে দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন। ত্বকের রং ফেরাতে দারুণ কাজ দেবে।এভাবে আপনি সাত দিনই নিজের ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করে তুলতে পারেন সহজেই।

3107 views

মেলানিন' নামক এক ধরনের পদার্থ মানুষের skin color নির্ধারণ করে। কে কোন রঙের হবে তা ঠিক করেন সৃষ্টিকর্তা। মানুষের কোন সাধ্য নাই এই জিনিস চেঞ্জ করার!!
গায়ের কালো রং যে আসলে কোনো মুখ্য বিষয় না I এইটা দিয়ে আসলেই কিচ্ছু হয়না আর মন-খারাপের কিচ্ছু নেই ! পৃথিবীতে অনেক বিশাল বিশাল মানুষ আছে যাদের গায়ের রং কুচকুচে কালো কিন্তু,তাদের কে সবাই খুব পছন্দ করেন (এই যেমন-অপরাহ উইনফ্রে !) আবার অনেকেই আছে যারা একেবারে ফর্সা কিন্তু তাদের মানুষ দুই চোখে দেখতে পারেনা (এই যেমন জর্জ বুশ !) যাইহোক, আমাদের ত্বকে ২ টা স্তর থাকে একটা হলো এপিডার্মিস আরেকটা এন্ডডার্মিস ! এই এপিডার্মিস আবার কয়েকটা উপস্তরে ভাগ করা থাকে এর সবচেয়ে ভিতরের স্তরে হলো স্ট্যটাম ব্যাসল ,এই স্ট্যটাম ব্যাসালে মেলানোসাইট নামক কোষ থাকে এবং সেই কোষ থেকে মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ উত্পন্ন আর যা ঠিক করে আমাদের ত্বক কালো, ফর্সা নাকি শ্যামলা হবে ! যদি মেলানিন বেশি থাকে তাহলে কালো আর কম থাকলে ফর্সা আর মিডিয়াম থাকলে শ্যামলা ! আর এই মেলানিন নিয়ন্ত্রণে রাখার কোনো উপায় এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি তাহলে, আমরা যে অনেকেই ত্বক ফর্সা করে বসে আছেন ? সেইখেত্রেও কিন্তু একই কথা প্রযোজ্য তাদের করার পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ! হয়ত কোনো ক্ষেত্রে ত্বক উজ্জল করেই কাজটা সম্ভব হচ্ছে আবার কোনো ক্ষেত্রে নতুন কিছু সংযোজন করা হচ্ছে ইত্যাদি ! তবে, নিতান্তই ত্বক ফর্সা করার ইচ্ছা হলে কম-খরচে যার কথা বলব তাহলো- লেজার ট্রিটমেন্ট ! ত্বকের লেজার ট্রিটমেন্ট রয়েছে যার দ্বারা আগের চেয়ে ত্বক অনেক বেশি উজ্জল হবে অর্থাত অনেক বেশি ফর্সা মনে হবে ! (এইটা এত বড় গলায় বলার কারণ হচ্ছে আমার এক আপু এই কাজটা করেছেন তার অবস্য এর জন্য প্রায় ৩ বার করতে হয়েছে ! আগে তার শরীর ছিল কুচকুচে কালো আর এখন দেখলে চেনাই যায়না !) আর এই লেজার ট্রিটমেন্ট করার অনেক জায়গায় বাংলাদেশে আছে একটু খোজ নিয়ে দেখা যেতে পারে ! তবে, হ্যা এই ট্রিটমেন্ট করার পর কিন্তু, কয়েক মাস কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে ,কিছু খাদ্যভাস মেনে চলতে হবে।  তবে, যাই হোক না কেন আমি কিন্তু, আগেই বলেছি ফর্সা কিংবা কালো দুটোর একটাও মুখ্য বিষয় না ! বিশ্বাস করুন এইটা দিয়ে আসলেই কিচ্ছু হয়না তবে, যদি মনে হয় নিতান্তই খুব দরকার তাহলে তার সমাধান তো দিয়েছেই ত্বকের লেজার ট্রিটমেন্ট ! শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

3107 views

Related Questions