5 Answers
মুখের তেল তেল ভাব দূর করতে করনীয়: * দিনের শুরুতেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। রাতে যদি ডিপ ক্লিন করে থাকেন ত্বক, তাহলে সকালে পরিষ্কার করুন সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে। * মুখে উষ্ণ পানির ঝাপটা দিন। তারপর ফেসওয়াশ লাগান। ম্যাসাজ করে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে যেন সাবান লেগে না থাকে। * এবার ১ মগ হালকা উষ্ণ পানির সাথে ১ চামচ লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। * এই পানি দিয়ে মুখে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে পানির ঝাপটা দিয়ে। * চোখ বন্ধ রাখবেন, নাহলে চোখ জ্বলতে পারে। * লবণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুখ ভালো করে মুছে নিন। যদি চিটচিটে ভাব বেশী মনে হয়, বা অস্বস্তি লাগে, তাহলে মিনিট দশেক পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে নিন। * মনে রাখবেন , তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সাধারণ পানির বদলে ফিল্টার করা পানি বা ফুটানো পানি ব্যবহার করাই ভালো
মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে যা করবেনঃ ১। দিনের শুরুতেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। রাতে যদি ডিপ ক্লিন করে থাকেন ত্বক, তাহলে সকালে পরিষ্কার করুন সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে। ২। মুখে উষ্ণ পানির ঝাপটা দিন। তারপর ফেসওয়াশ লাগান। ম্যাসেজ করে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে যেন সাবান লেগে না থাকে। ৩। এবার ১ মগ হালকা উষ্ণ পানির সাথে ১ চামচ লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ৪। এই পানি দিয়ে মুখে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে পানির ঝাপটা দিয়ে। ৫। চোখ বন্ধ রাখবেন, নাহলে চোখ জ্বলতে পারে। ৬। লবণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুখ ভালো করে মুছে নিন। যদি চিটচিটে ভাব বেশী মনে হয়, বা অস্বস্তি লাগে, তাহলে মিনিট দশেক পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে নিন। ৭। মনে রাখবেন , তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সাধারণ পানির বদলে ফিল্টার করা পানি বা ফুটানো পানি ব্যবহার করাই ভালো। তৈলাক্ত ত্বকে যা ব্যবহার করবেন না । ৮। তৈলাক্ত ত্বকে খুব বেশী প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো, এতে ব্রণের সমস্যা বাড়ে। ৯। ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করবেন না তৈলাক্ত ত্বকে, এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। ১০। তৈলাক্ত ত্বকে স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। ১১। দিনের যে কোন সময় ত্বক তৈলাক্ত মনে হয়ে টিস্যু বা রুমাল পানিতে ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মুখে মুছে নিন। সুযোগ পেলে বরং ঘষে নিন। ত্বকের বাড়তি তেল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ---কালেক্টেড!
তৈলাক্ততা কমানোর জন্য সাবান দিয়ে দিনে কয়েকবার মুখ ধুতে হবে। তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছতে হবে, সেটাও বারবার ধুয়ে পরিস্কার রাখতে হবে। বেশি করে শাক-সব্জি খেতে হবে । তৈলাক্ত, ঝাল, ভাজাপোড়া খাবারসহ চকলেট, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্টফুড খাওয়া কমাতে হবে। এবং স্কয়ারের fona cream ব্যবহার করুন, দ্রুত কমে যাবে।
আপনি তেল জাতীয় খাবার খাওয়া একটু কমিয়ে দেন, কোথাও যাওয়ার আগে মুখে facewash করতে পারেন, আবার বাইরে থেকে এসেও একবার facewash দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে নিতে পারেন। ( fair and handsome ক্রীমটা ব্যবহার করতে পারেন, কাজে দেবে)
মুখের তৈলাক্তভাব দূর করার উপায়: *প্রতিদিন বাইরে থেকে বাসায় ফিরে চালের গুড়ার সাথে সামান্য দারুচিনি ও শঙ্খের গুঁড়ো পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্ট করে সারা মুখে ও গলায় লাগান। ৪-৫ মিনিট রাখার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব যেমন কমবে তেমনি আপনাকে অনেকক্ষণ ফ্রেশ রাখবে। *পুদিনা পাতা পরিস্কার করে ধুয়ে অল্প পানিতে ফুটিয়ে ছেকে নিন। তারপর এই নির্যাস বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে এসেই ফ্রিজে রাখা পুদিনার নির্যাস ত্বকে লাগান। এতে ত্বকের তৈলাক্ততা কমবে। একবার তৈরী করা পুদিনার নির্যাস এক সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। *তৈলাক্ত ত্বকে বেশি গরমে ব্রণ বা র্যা শের সমস্যা দেখা দেয়। এ সময়ে তাই প্যাক হিসেবে লবঙ্গ ও ময়দার পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সমস্যা কমার পাশাপাশি মুখের তৈলাক্ততাও অনেকাংশে দূর হবে। *গোসলের পানিতে আধা চা চামচ কর্পূর মিশিয়ে গোসল করুন। এতে অনেকক্ষণ ফ্রেশ থাকা যায়। *তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা মেকআপ নেয়ার আগে মুলতানি মাটি, শঙ্খ গুঁড়া ও ক্যালামাইন পাউডারের সংমিশ্রনে তৈরি একটি বিশেষ পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ১ টেবিল চামচ শঙ্খ গুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ ক্যালামাইন পাউডার মিশিয়ে বাইরে যাওয়ার আগে পাউডারের মতো লাগান। এটি যেমন সানব্লকের কাজ করবে তেমনি এই পাউডার মুখের অতিরিক্ত ঘাম কন্ট্রোল করে বলে মেকআপও দীর্ঘস্থায়ী হবে। ...নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমেই ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করা সম্ভব। আসলে একদিনে ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করা সম্ভব নয়। প্রতিদিন রূপচর্চা করলে ত্বক আপনার নিয়ন্ত্রনে থাকব। তাই নিয়ম করে কিছু পরিচর্যা করুন । যা আপনার মুখের তৈলাক্ততা দূর করে আপনাকে করে তুলবে সজীব ও সুন্দর।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy