7 Answers
সালফার (sulphur) এবং ভিটামিন ই এমন উপাদান যা চুল পড়া রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। রসুন ও পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুড় পরিমাণে সালফার থাকে যা চুলের জন্য খুবই উপকারী। এটা বাবহার করবেন এভাবে * সমপরিমাণ পেঁয়াজের রস ও ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১ ঘন্টা। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২ বার করে নিয়মিত ব্যবহার করুন। # রঁসুনের ৫/৬ টি কোয়া নিয়ে বেঁটে নিন। এবার এই বাঁটা অংশটি নারিকেল তেলে কিছুক্ষন চুলায় ফুটিয়ে নিন। মিশ্রনটি ঠান্ডা হলে মাথার ত্বকে লাগান। সপ্তাহে ২/৩ বার করে নিয়মিত ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। আর ভিটামিন ই ইক্যাপ নামে বাজারে পাওয়া যায়, এটা খেতে পারেন এবং তেলের সাথে চুলে ব্যাবহার করতে পারেন।
নিচের ককিছু সসহজ পপদ্ধতি দিলাম অনুসরন করুন আশা করি ভালো ফল পাবেন নারিকেল তেলের সাথে দারুচিনি গুড়া করে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করলেও চুল পড়া বন্ধ হয়। ঘুমানোর আগে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে হালকাভাবে চুল আচড়ে নেবেন। এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন হয়ে থাকে। . আমলকি ও জবাফুল নারকেল তেলে ফুটিয়ে বোতলে ভরে রাখুন। শ্যাম্পু করার আগে ওই তেলে চুলের গোড়ায় ম্যাসেজ করেন। . সবুজ সাকসবজি ফলমূল বেশি খান। বেশি করে প্রোটিনযুক্ত খাবার ও প্রচুর পানি পান করুন।
১. দৈনিক চুল ধোয়ার জন্য হালকা ধরণের শ্যম্পুর ব্যবহার করুন ২. ভিটামিন E গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন ৩. খাদ্য তালিকায় প্রোটিন যোগ করুন ৪. ম্যসাজের জন্য এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করুন ৫. ভেজা চুলে চিরুনি ব্যবহার করবেন না ৬. পিঁয়াজ, আদা বা রসুনের রস ৭. পানি গ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে দিন ১০. অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন ১১. ধূমপান করবেন না ১২. নিয়মিত শরীরচর্চ করবেন ১৩. মানসিক চাপের বিরুদ্ধে লড়াই করুন ১৪. ঘন ঘন heating and drying থেকে বিরত থাকুন ১৫. মাথা ঘামতে দিবেন না ১৬. কেমিকেল পরিহার করুন
চুল পড়া কমানো যায় এই সহয কাজ টি করে কাজ টি হল : প্রতিদিন ২ টেবিলচামচ লেবুর রস এবং ২ টেবিলচামচ আমলকির রস এক সাথে মিশিয়ে গোসলের ১৫ মিনিট আগে চূৃুলে তে লাগিয়ে নিন এবং ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন আশা করি চুল পড়া থেকে মুক্তি পাবেন
ক্যাস্টর অয়েল চুল পড়া সমস্যার সমাধানের জন্য যে সমাধানটি সবচাইতে বেশী কার্যকর তা হচ্ছে ক্যাস্টর অয়েল। বিভিন্ন উপায়ে এই ক্যাস্টর অয়েল চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারলে চুল পড়ার সমস্যা একেবারেই নিরাময় করতে পারবেন। শুধু তাই নয় নতুন করে চুল গজাতেও সাহায্য করবে ক্যাস্টর অয়েল। আর সেই সাথে চুল ও মাথার ত্বকের নানা সমস্যা থেকেও মুক্তি পাবেন চিরকালের জন্য। জেনে নিন ব্যবহারবিধি – শুধুমাত্র ক্যাস্টর অয়েল হাতে তালুতে নিয়ে চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বক থেকে চুলের ডগা পর্যন্ত ভালো করে ম্যাসেজ করার অভ্যাস অনেকটা পরিবর্তন আনতে সক্ষম। – তবে লক্ষ্য রাখবেন অতিরিক্ত তেল ব্যবহার যাতে না করা হয়। কারণ ক্যাস্টর অয়েল অন্যান্য তেলের তুলনায় অনেক বেশী ঘন থাকে যা ধুয়ে ফেলতে কষ্ট হবে। – সব চাইতে ভালো ফলাফল পাবেন যদি পুরোরাত ক্যাস্টর অয়েল চুলে রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে পারলে। কিন্তু যদি হাতে সময় না থাকে তাহলে ১৫-২০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রাখুন ক্যাস্টর অয়েল। – কুসুম গরম পানি দিয়ে প্রথমে চুল ধুয়ে নিন ভালো করে। লক্ষ্য রাখবেন যেন পানি বেশী গরম না হয়ে যায়। ২ ভাগ সাধারণ পানির সাথে ১ ভাগ গরম পানি মিশিয়ে নিন সঠিক তাপমাত্রার জন্য। তারপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। – আপনি শুধু ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে না চাইলে এতে অন্যান্য তেল যেমন অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল, ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল ইত্যাদি মিশিয়ে নিতে পারেন। এতেও বেশ ভালো ফলাফল পাবেন। – প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো ফলাফল পাবেন। কিন্তু যদি হাতে সময় না থাকে তাহলে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহারের চেষ্টা করুন।