মনকে কিভাবে নেতি বাচক দিক থেকে ইতি বাচক দিকে প্রবাভিত করা যায়? মাধ্যম গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
3612 views

4 Answers

প্রথম কাজ হবে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা,নামাজ পরা, কোরান পড়া, নিজের ভিতর আত্ম-সংযম সৃষ্টি করে, ভালো কাজে নিজ থেকে উৎসাহ নেওয়া, কোন একটা বিষয় সম্বন্ধে ভালো বিশ্লেষণ এর গুণ গড়ে তোলা। আর মানুষ ও পরিবেশ কে ভালো দৃষ্টিতে দেখা,তাহলেই আপনার মনকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

3612 views

যে সব পদ্ধতিতে মনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়ঃ- ক. কোন নিরিবিলি স্থানে শান্ত হয়ে বসতে হবে। এবং নিশ্বাশ ধীরে ধীরে নিতে হবে। সেই সাথে যে কোন একটি বিষয় গভীর বাসে কল্পনা করুন, এবং তাকে দেখার চেষ্টা করুন। তবে কোন ভাবেই বাজে কথা চিন্তা করবেন না। তাতে করে মন ও দেহ উভয়োই চঞ্চল হয়ে যাবে। খ. সব সময় শান্ত হয়ে চলাফেরা করুন, তাতে করে হৃদস্পন্দন এর রক্তচলাচল শান্ত থাকবে। গ. নিয়মিত ব্যায়াম করুন, তবে যোগ ব্যায়াম করা অনেক উত্তম হবে। ঘ. সকালে উঠে ১গ্লাশ করে ঠান্ডা জল পান করুন। এছারা আরো কিছু কাজ করুন যে গুলো আপনার মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

3612 views

রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, "যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর কথা বেশি বেশি স্মরন করে তবে সে কখনও খারাপ কাজ করতে পারে না।" তাই আমাদের উচিত, সবসময় এই কথাটি মনে রাখা যে- "মৃত্যু আমার পিছনে ঘুরঘুর করছে, যেকোনো সময়ই আমার মরন হতে পারে। খারাপ কাজ করার সহিত মৃত্যু হলে আমাকে পরকালে অসীম যন্ত্রনা সহ্য করতে হবে।" এ কথাটি মনের মধ্যে থাকলে কোনো ব্যক্তিই খারাপ কাজের দিকে ধাবিত হতে পারে না। আরেকটি উপায় হল - সঠিকভাবে নামাজ আদায় করা। কেননা, পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ্ তায়ালা স্বয়ং বলেছেনঃ "নিশ্চয়ই নামাজ, মানুষকে সকলপ্রকার অশ্লীল ও খারাপ কাজ হতে দুরে রাখে।" তাই, আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সঠিকভাবে আদায় করব এবং মৃত্যুর কথা সর্বদা মনে রাখব। তাহলে কোনো খারাপ কাজই আমাদের দ্বারা সম্ভবপর হবে না এবং পরকালে জান্নাত লাভের আশায় সর্বদা ভালো কাজ করতে আমাদের মনই আমাদেরকে উৎসাহ যোগাবে।

3612 views

পরিকল্পনা করুন ঠিক কী কারণে আপনার মন অশান্ত হচ্ছে, সেটা খুঁজে বের করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকলে এবং কাজ সম্পাদনে সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে অস্থির বোধ হয়। একসঙ্গে যখন অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয় তখন পরিকল্পনা করে এগোন, প্রয়োজনে লিখিত রুটিন করুন। কারণ খুঁজে বের করুন যখন কোনো কাজের চাপ থাকে না তখনও মন অশান্ত হতে পারে। তাই কোন ঘটনা, মানুষ, বিষয় আপনার মনের শান্তিকে প্রভাবিত করে সেগুলো চিহ্নিত করুন। প্রয়োজনে সেসব মানুষ কিংবা, ঘটনাগুলো এড়িয়ে চলুন। রাগ, ভয়, কষ্ট এগুলোর কারণও শান্ত মনে ব্যাঘাত ঘটায়। আশাবাদী হয়ে উঠুন হতাশা মানুষকে খুব সহজে অস্থির করে তোলে। হতাশার কারণগুলোকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে জীবনের পজিটিভ দিকগুলোর প্রতি নজর দিন, আশাবাদী হয়ে উঠুন। মনে রাখবেন, উত্থান-পতন জীবনে আসবেই, অশান্ত হলে সামনে এগোনো যাবে না। শখের জায়গাগুলো খুঁজে বের করুন যখন কোনো কাজের চাপ বা কোনো সুনির্দিষ্ট মানুষ, বিষয় কিংবা হতাশা আপনাকে অশান্ত করে তোলে তখন নিজের প্রিয় কোনো কাজ করুন। সেটা কোনো শখ পূরণ হতে পারে। হতে পারে প্রিয় কোনো কবিতা পড়া কিংবা চোখ বন্ধ করে কোনো গান শোনাও। ছেড়ে দিন সময়ের ওপর কোনো বিষয়ের ওপর আপনার যখন আর কোনো হাত থাকে না, সেটাকে পরিবর্তনের কোনো সুযোগ আপনার নেই তখন সেই ব্যাপারটা নিয়ে আর না ভাবাই ভালো। ছেড়ে দিন সেটা সময়ের ওপর। যুক্তি দিয়ে ভাবুন আর মনে ধীর, স্থির, শান্ত ভাব বজায় রাখুন। অভ্যাস গড়ে তুলুন খুব অল্পতেই যদি আপনার অস্থির বোধ হয়, তাহলে মন শান্ত রাখার কৌশল আয়ত্ত করতে আপনার কিছুটা সময় লাগবে। একদিনে নয়, সময় নিয়ে নিজেকে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত করুন। দেখবেন অনেক বেশি মানসিক চাপেও আপনি কেমন মন শান্ত রাখতে পারদর্শী হয়ে উঠছেন। মানবিকতার চর্চা করুন দেখা গেছে শান্তি, উদারতা এবং মানবিকতার পথ ধরে যারা নিজ নিজ লক্ষ্যে এগিয়ে যান তারা খুব সহজে বিচলিত হন না। নিজের ভেতরে মানবিতার গুণগুলো ধারণ করুন, ক্ষমাশীল হোন। দেখবেন নিজের আবেগ, অনুভূতি এবং মনের ওপর আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

3612 views

Related Questions