ইসলাম অনুসারে বাসর রাত কিভাবে করতে হয় ?
4049 views

4 Answers

বাসরঘরে স্ত্রীর মাথার অগ্রভাগে ডান হাত রাখা এবং দু’আ পড়াঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেনঃ ﺇِﺫَﺍ ﺃَﻓَﺎﺩَ ﺃَﺣَﺪُﻛُﻢُ ﺍﻣْﺮَﺃَﺓً ﺃَﻭْ ﺧَﺎﺩِﻣًﺎ ﺃَﻭْ ﺩَﺍﺑَّﺔً ﻓَﻠْﻴَﺄْﺧُﺬْ ﺑِﻨَﺎﺻِﻴَﺘِﻬَﺎ ﻭَﻟْﻴُﺴَﻢِّ ﺍﻟﻞَّ ﻩَ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﻭَﻟْﻴَﻘُﻞِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻰ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺧَﻴْﺮَﻫَﺎ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺟُﺒِﻠَﺖْ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺃَﻉُﻭﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻫَﺎ ﻭَﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺟُﺒِﻠَﺖْ ﻋَﻠَﻴْﻪِ . তোমাদের কেউ যখন কোনো নারী, ভৃত্য বা বাহন থেকে উপকৃত হয় (বিয়েবা খরিদ করে) তবে সে যেন তার মাথার অগ্রভাগ ধরে, বিসমিল্লাহ পড়ে এবং বলেঃ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻰ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺧَﻴْﺮَﻫَﺎ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺟُﺒِﻠَﺖْ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻫَﺎ ﻭَﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺟُﺒِﻠَﺖْ ﻋَﻠَﻴْﻪِ . (হে আল্লাহ পাক আমি আপনার কাছে আমার স্ত্রীর এবং উনার স্বভাবের কল্যাণ প্রার্থনা করছি এবং উনার ও উনার স্বভাবের অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)’ ২- স্বামী-স্ত্রী উভয়ে একসঙ্গে দুই রাকা‘ত সালাত আদায় করাঃ আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, স্ত্রী যখন স্বামীর কাছে যাবে, স্বামী তখন দাঁড়িয়ে যাবেন। আর স্ত্রীও দাঁড়িয়ে যাবেন তার পেছনে। অতপর তারা একসঙ্গে দুই রাকা‘ত সালাত আদায় করবেন এবং বলবেনঃ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺑَﺎﺭِﻙْ ﻟِﻲ ﻓِﻲ ﺃَﻫْﻠِﻲ، ﻭَﺑَﺎﺭِﻙْ ﻟَﻬُﻢْ ﻓِﻲَّ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﺭْﺯُﻗْﻨِﻲ ﻣِﻨْﻬُﻢْ ﻭَﺍﺭْﺯُﻕْ ﻫُﻢْ ﻣِﻨِّﻲ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺍﺟْﻤَﻊَ ﺑَﻴْﻨَﻨَﺎ ﻣَﺎ ﺟَﻤَﻌْﺖَ ﺇِﻟَﻰ ﺧَﻴْﺮٍ، ﻭَﻓَﺮِّﻕْ ﺑَﻴْﻨَﻨَﺎ ﺇِﺫَﺍ ﻓَﺮَّﻕْﺕَ ﺇِﻟَﻰ ﺧَﻴْﺮٍ . ‘হে আল্লাহ পাক আপনি আমার জন্য আমার পরিবারে বরকত দিন আর আমার ভেতরেও বরকত দিন পরিবারের জন্য। আয় আল্লাহ পাক, আপনি উনাদের থেকে আমাকে রিযিক দিন আর আমার থেকে উনাদেরও রিযিক দিন। হে আল্লাহ পাক আপনি আমাদের যতদিন একত্রে রাখেন কল্যাণেই একত্র রাখুন আর আমাদের মাঝে যখন বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেবেন তখন কল্যাণের পথেই বিচ্ছেদ ঘটাবেন।’ ৩- স্ত্রীর সঙ্গে সহবাসের সময় পড়ার দু‘আ। স্ত্রী সহবাসকালে নিচের দু’আ পড়া সুন্নত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেন, ﻟَﻮْ ﺃَﻥَّ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢْ ﺇِﺫَﺍ ﺃَﺭَﺍﺩَ ﺃَﻥْ ﻳَﺄْﺗِﻲَ ﺃَﻫْﻠَﻪُ ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺑِﺎﺳْﻢِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻝ ﺷَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻭَﺟَﻨِّﺐِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ ، ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺇِﻥْ ﻳُﻘَﺪَّﺭْ ﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﻭَﻟَﺪٌ ﻓِﻲ ﺫَﻟِﻚَ ﻟَﻢْ ﻳَﻀُﺮُّﻩُ ﺷَﻴْﻄَﺎﻥٌ ﺃَﺑَﺪًﺍ . ‘তোমাদের কেউ যদি স্ত্রী সঙ্গমকালে বলেনঃ ﺑِﺎﺳْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻭَﺟَﻨِّﺐِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ (আল্লাহ পাক উনার নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ পাক আপনি আমাদেরকে শয়তানের কাছ থেকে দূরে রাখুন আর আমাদের যা দান করেন তা থেকে দূরে রাখুন শয়তানকে।) তবে সে মিলনে কোনো সন্তান দান করা হলে শয়তান কখনো উহার ক্ষতি করতে পারবে না।’ ৪- নিষিদ্ধ সময় ও জায়গা থেকে বিরত থাকাঃ আবূ হুরায়রা রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেনঃ ﻣَﻦْ ﺃَﺗَﻰ ﺣَﺎﺋِﻀًﺎ ، ﺃَﻭْ ﺍﻣْﺮَﺃَﺓً ﻓِﻲ ﺩُﺑُﺮِﻫَﺎ ، ﺃَﻭْ ﻛَﺎﻫِﻨًﺎ ﻓَﺼَﺪَّﻗَﻪُ ﺑِﻤَﺎ ﻳَﻘُﻮﻝُ ، ﻓَﻘَﺪْ ﻛَﻔَﺮَ ﺑِﻤَﺎ ﺃَﻧْﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻰ ﻣُﺤَﻤَّﺪٍ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ . যে ব্যক্তি কোনো ঋতুবতী মহিলার সঙ্গে কিংবা স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গম করে অথবা গণকের কাছে যায় এবং তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে, সে যেন মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা অস্বীকার করলো।’ ৫- ঘুমানোর আগে অযূ বা গোসল করাঃ স্ত্রী সহবাসের পর সুন্নত হলো অযূ বা গোসল করে তবেই ঘুমানো। অবশ্য গোসল করাই উত্তম। আম্মার বিন ইয়াসার রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেনঃ ﺛَﻼَﺛَﺔٌ ﻻَ ﺗَﻘْﺮَﺑُﻬُﻢُ ﺍﻟْﻤَﻼَﺋِﻜَﺔُ ﺟِﻴﻔَﺔُ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِ ﻭَﺍﻟْﻤُﺘَﻀَﻤِّﺦُ ﺑِﺎﻟْﺨَﻠُﻮﻕِ ﻭَﺍﻟْﺠُﻨُﺐُ ﺇِ ﻻَّ ﺃَﻥْ ﻳَﺘَﻮَﺿَّﺄَ . ‘তিন ব্যক্তির কাছে ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা আসেন নাঃ কাফের ব্যক্তির লাশ, জাফরান ব্যবহারকারী এবং অপবিত্র শরীর বিশিষ্ট ব্যক্তি, যতক্ষণ না সে অযূ করে।’ ৬- ঋতুবতীর স্ত্রীর সঙ্গে যা কিছুর অনুমতি রয়েছেঃ হ্যা, স্বামীর জন্য ঋতুবতী স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গমপথ ব্যবহার ছাড়া অন্য সব আচরণের অনুমতি রয়েছে। স্ত্রী পবিত্র হবার পর গোসল করলে তার সঙ্গে সবকিছুই বৈধ। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেনঃ ﺍﺻْﻨَﻌُﻮﺍ ﻛُﻞَّ ﺷَﻲْﺀٍ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻨِّﻜَﺎﺡَ . সবই করতে পারবে কেবল সঙ্গম ছাড়া। ৭- বিয়ের নিয়ত শুদ্ধ করাঃ নারী-পুরুষের উভয়ের উচিত বিয়ের মাধ্যমে নিজকে হারামে লিপ্ত হওয়া থেকে বাঁচানোর নিয়ত করা। তাহলে উভয়ে এর দ্বারা ছাদকার ছাওয়াব লাভ করবেন। কারণ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেনঃ ﻭَﻓِﻲ ﺑُﻀْﻊِ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﺻَﺪَﻗَﺔً ، ﻗَﺎﻟُﻮﺍ : ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠﻪِ ، ﺃَﻳَﺄْﺗِﻲ ﺃَﺣَﺪُﻧَﺎ ﺷَﻬْﻮَ ﺗَﻪُ ، ﻭَﻳَﻜُﻮﻥُ ﻟَﻪُ ﻓِﻴﻪِ ﺃَﺟْﺮٌ ؟ ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺭﺃَﻳْﺘُﻢْ ﻟَﻮْ ﻭَﺿَﻌَﻬَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺤَﺮَﺍﻡِ ﺃَﻛَﺎﻥَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻭِﺯْﺭٌ ؟ ﻓَﻜَﺬَﻟَﻚَ ﺇِﺫﺍ ﻭَﺿَﻌَﻬَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟْﺤَﻼﻝِ ﻛَﺎﻥَ ﻟَﻪُ ﻓِﻴﻬَﺎ ﺃَﺟْﺮٌ . তোমাদের সবার স্ত্রীর সঙ্গমপথে রয়েছে ছাদকা। সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগন উনারা জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কেউ কি তার জৈবিক চাহিদা মেটাবে আর তার জন্য সে কি নেকী লাভ করবে? তিনি বললেন, ‘তোমরা কি মনে করো যদি সে ওই চাহিদা হারাম উপায়ে মেটাতো তাহলে তার জন্য কোনো গুনাহ হত না? (অবশ্যই হতো) অতএব তেমনি সে যখন তা হালাল উপায়ে মেটায়, তার জন্য নেকী লেখা হয়।’ ৮- স্ত্রী সান্বিধ্যের গোপন তথ্য প্রকাশ না করাঃ বিবাহিত ব্যক্তির আরেকটি কর্তব্য হলো স্ত্রী সংসর্গের গোপন তথ্য কারো কাছে প্রকাশ না করা। র

4049 views

অবশ্য পালনীয় বাসর রাতেঃ -

বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত। এ রাতে-

০১. গোলাপ ফুল দিয়ে দুজন দুজনাকে বরণ করে নিতে হবে।
০২. উভয়ই মহান আল্লাহকে যে ভালবাসবেন তা পরিষ্কার ভাবে দুজনা বোঝা পড়া করবেন।
০৩. হানিমুনে কোথায় যাবেন তা বাসর রাতেই ঠিক করবেন, সে ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে এটা ঠিক করতে হবে যে, সবচেয়ে পৃথিবীর মূল্যবান যায়গা মক্কা মদীনায় যাওয়া এবং ওমরা করার পরিকল্পনা করা।
০৪. ছোট খাট ভুলের জন্য কাউকে তিরষ্কার না করা। কাউকে ছোট না করা। 
০৫. কোন পক্ষের আত্নীয় স্বজনকে ছোট না করা, গালি না দেওয়া, অপমান না করা।
০৬. জীবনের প্রথম ভালবাসার রাত, তাই ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখা।
০৭. দুজনাতে একটু খোশ গল্প করা, জীবন থেকে কোন গল্প বলা।
০৮. ভবিষ্যত জেনারেশনের ব্যাপারে আলাপ সেরে নেওয়া। তবে বেশী দূর অগ্রসর না হওয়াই ভাল।
০৯. মোহরানা যদি বাকি থাকে সেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, অল্প দিনের মধ্যেই মোহরানা পরিশোধ করা। স্ত্রী যদি চাকুরি করে তবে টাইম টেবিলটা নিয়ে একটু পরিষ্কার করা। চাকুরি না করলে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা বলা।
১০. এ রাতই হল উত্তম ভালবাসার রাত। দুজনার সব আকুতি মেশানো ভালবাসা দিয়ে দুজনাকে জয় করা। কোন ভাবেই যেন ফজরের নামাজ কাজা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা ।

4049 views

বিয়ের পর প্রথম রাতটিই যেকোনো দম্পতির জীবনের সেরা মূহুর্ত৷ বিয়ের পর নবজীবনে পা রেখে একে অপরের সঙ্গে কাটানো প্রথম রাত হল এটি। আর বিয়ের প্রাকাল্লে এই রাত নিয়েই প্রত্যেকটা মানুষ বিভিন্ন রকমের স্বপ্ন দেখেন৷ কিন্তু আপনার সামান্য কিছু ভুলের কারণেই এই রাত সুখকর নাও হতে পারে৷ তাই বিয়ের পর এই রাতের জন্য চাই পুরুষদের বিশেষ প্রস্তুতি৷ - বিয়ের জন্য প্রত্যেক পুরুষকেই মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে নিতে হবে৷ বিয়ের পর জীবনের আমূল পরিবর্তন ঘটে৷ সে কারণেই অনেক পুরুষ নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন৷ কিন্তু নারীরা আত্মবিশ্বাসী পুরুষই বেশি পছন্দ করেন৷ তাই বিয়ের আগের থেকেই নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন৷ সেই সঙ্গে বিয়ে নিয়ে অহেতুক ভীতিও মন থেকে মুছে ফেলুন৷ - নারীরা সুঠাম দেহের পুরুষই বেশি পছন্দ করেন৷ বিয়ের আগে আপনার স্ত্রী যখন আপনার প্রেমিকা ছিলেন তখন হয়ত আপনাকে আনেকবারই ভুঁড়ি বা মেদ ঝড়াতে বলেছেন৷ তখন তার কথা না শুনলেও বিয়ের আগে তার সেই কথা গুলো মেনে নিন৷ সঠিক ব্যায়াম ডায়েট মেনে চলুন৷ - বিয়ের আগে অবশ্যই প্রয়োজন ঠিকঠাক গ্রুমিংয়ের৷ যতদিন প্রেম করেছেন সেটা জীবনের আলাদা অধ্যায়৷ এবার আপনি বিয়ে করতে চলেছেন মশাই, বিয়ের সময়ে বৌয়ের পাশাপাশি আপনিও সমান আকর্ষণীয়৷ সে কারণেই ঠিকঠিক চুলের ছাঁট, ত্বকের যত্ন ও শারীরিক পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন৷ বিয়ের রাতে সুগন্ধি ব্যবহার করতে একেবারেই ভুলবেন না৷ - জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিষয়টাও কিন্তু পুরুষদেরই মাথায় রাখতে হয়৷ কারণ বিয়ের প্রথম রাতে অন্তত এই বিষয়ে স্ত্রীর উপর নির্ভর করবেন না৷ জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পদ্ধতি গ্রহণ করবেন সেটি প্রথম রাতে আপনাকেই বেছে নিতে হবে৷ কারণ, ওই দিনে আপনিই একমাত্র যিনি নিজের মত করে বিষয়টি সামলে নিতে পারেন৷ - বিয়ের প্রথম রাতে হয়ত অনেক নারীই শারীরিক মিলনের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হতে পারেননা৷ প্রেম বিবাহের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি সহজ হলেও সম্বন্ধ দেখে বিয়ের ক্ষেত্রে নারীদের কাছে এই অনেকসময় সমস্যা হতে পারে৷ সেকারণেই এই বিষয়ে নারীরা মনে মনে তার স্বামী সহযোগিতা আশা করেন৷ তাই বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রীর উপর জোর ফলাবেন না৷ তাকে মানসিক ভাবে সাহায্য করুন৷ কারণ প্রথম রাতেই জোর করে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হলে এর পরের গোটা জীবন স্বাভাবিক নাও হতে পারে৷ - বিয়ের প্রথম রাতের অভিজ্ঞতাই কিন্তু আপনার গোটা দাম্পত্য জীবন সুখেো কাটানোর মূল চাবিকাঠি৷ আর একটা কথা সব পুরুষরাই মানেন স্ত্রীকে খুশি রাখতে না পারলে জীবন সুখের হওয়া সম্ভব নয়৷ সে কারণেই স্ত্রী জন্য আগে থেকেই একটা উপহার কিনে রাখুন৷ আর এটি অবশ্যই বিয়ের প্রথম রাতেই স্ত্রী হাতে তুলে দেবেন৷ এক্ষেত্রে কম দামি জিনিস দিচ্ছেন সেটা মূল বিষয় নয়৷ উপহারের সঙ্গে আপনার ভালবাসা কতটা মিশে রয়েছে সেটাই আসল৷ নতুন জীবনের শুরুতেই আপনার এই ভালবাসার উপহারে মুগ্ধ হবেন আপনার স্ত্রী৷

4049 views

সংগমের কিছু আদব ও নিয়ম নিন্মরূপ- কোন শিশু বা পশুর সামনে সংগমে রত না হওয়া, পর্দা ঘেরা স্থানে সংগম করা, সংগম শুরু করার পূর্বে শৃঙ্গার (চুম্বন, স্তন মর্দন ইত্যাদি) করবে। বীর্য, যৌনাঙ্গের রস ইত্যাদি মোছার জন্য এক টুকরা কাপড় রাখা, সংগম অবস্থায় বেশী কথা না বলা, বীর্যের ও স্ত্রীর যৌনাঙ্গের প্রতি দৃষ্টি না করা, সংগম শেষে পেশাব করে নেয়া, এক সংগমের পর পুনর্বার সংগমে লিপ্ত হতে চাইলে যৌনাঙ্গ এবং হাত ধুয়ে নিতে হবে, বীর্যপাতের পরই স্বামীর নেমে না যাওয়া বরং স্ত্রীর উপর অপেক্ষা করা, যেন স্ত্রীও তার খাহেশ পূর্ণ মাত্রায় মিটিয়ে নিতে পারে, সংগমের পর অন্ততঃ বিছুক্ষণ ঘুমানো উত্তম, জুমুআর দিনে সংগম করা মুস্তাহাব, সংগমের বিষয় কারও নিকট প্রকাশ করা নেষেধ, এটা একদিকে নির্লজ্জতা, অন্যদিকে স্বামী/স্ত্রীর হক নষ্ট করা, সংগম অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে নজর না দেয়া, তবে হযরত ইবনে ওমর (রা.) সংগম, অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে দৃষ্টি দয়া উত্তেজনা বৃদ্ধির সহায়ক বিধায় এটাকে উত্তম বলতেন।

4049 views

Related Questions