2 Answers
প্রত্যাহিক জীবনে কয়েকটি ধাপ অবশ্যই অনুসরন করুন। ১। কম পানি পান করার নীতি বর্জন করে পানি বেশি পান করুন। ২। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এবং রাত্রে খাবার পর ইসুবগুল বুসি এক চা চামচ এক গ্লাস পানির সঙ্গে পান করুন। ৩। দুপুড়ে রাত্রে খাবার একটু বেশি খাবেন। পেট খালি থাকে এমন ভাবে খাবার খাবেন না। ৪। ভাজা জাতীয় খাবার এবং ফাষ্টফুট জাতীয় খাবার এরিয়ে চলুন। ৫। দুপুড়ে খাবারের সঙ্গে একটি এবং রাত্রে খাবার এর সঙ্গে একটি কাচা মরিচ খাবার অভ্যাস অবশ্যই গড়ে তুলুন। এটা যদি ধরে রাখতে পারেন তাহলে আপনাকে কোনদিন এই রোগের জন্য মেডিসিন খেতে হবে না। এটা অনুসরন আমি নিজে ভাল হয়েছি, আমার স্ত্রী ভাল হয়েছে, আমার ভাই ভাল হয়েছে, আমার মা ভাল হয়েছে এবং আরও অনেকে ! আমি নিজে এপ্লাই করে দেখতে পারেন। এবং অবশ্যই দেখুন। এটাকে অবহেলা করবেন না। ৬। তরকারীতে তেল কম দিতে বলুন। আমাদের এটা বদ অভ্যাস তরকারীতে তেল বেশি দেওয়া অথচ তরকারীর স্বাদ বৃদ্ধিতে তেলের কোনই ভুমিকা নেই। তরকারীর স্বাদ বৃদ্ধিতে ভুমিকা হল শুধুই মসল্লার। তেলের কোন প্রকার ভুমিকা নেই। তরকারিতে তেল বেশি দিলে সেটা গ্যষ্ট্রিক রোগীদের জন্য বেশি ক্ষতির কারন হয় অন্যান্যদের তো হয়ই। ৭। টক জাতীয় খাবার সমুহ এরিয়ে চলার চেষ্টা করুন। যেমন, তেতুল, কামরাঙ্গা, চালতা, আমড়া, আচার ইত্যাদি। খেলেও কম খাবেন তবে তেতুল ব্যতিত। ৮। সকালে রুটি না খেয়ে ভাত খেলে ভাল হয়। ৯। প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন। মুগ ডাল, মাশের ডাল, সলাবুট, সয়া প্রোটিনে প্রোটিন বেশি পাবেন। ১০। অনবরত গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করুন। ১০। শাক সবজি খাবার অভ্যাস করুন প্রতিদিন। এই কাজ গুলো করে দেখুন আপনার গ্যাষ্ট্রিক থাকবে না এবং কোনদিন গ্যাষ্ট্রিকের জন্য মেডিসিন খেতে হবে না । এগুলো আমার দির্ঘ দিনের গবেষনার বিষয়। চাইলে যাচাই করতে পারেন। তবে যাচাইয়ের মানদন্ড যেন ভারসাম্যপূর্ণ হয়। সূত্রঃ বাংলাদেশ ডট কম
* প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে দুপুর ও রাতের খাবার খাবেন। * একবারে বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প করে বারবার খান। * বমি হলে শক্ত খাবার কম খাবেন। পানি ও পানিজাতীয় খাবার বেশি খান। * বেশি চিনিজাতীয় পানীয় কম খাবেন। * ঘুমানোর কমপক্ষে ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নেবেন। * চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেট খারাপ বা বমির ওষুধ কিনে খাবেন না। * তাজা খাবার খান, স্টোর করা বা ফ্রোজেন ফুড কম খাবেন। * শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমান। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। * ধূমপান এড়িয়ে চলুন। * অতিরিক্ত তেল ও মসলা দেওয়া খাবার খাবেন না। * বাইরের খাবার না খেয়ে বাড়ির তৈরি খাবার খান।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy