4 Answers
পা ফাটা সমস্যার সহজ সমাধানের জন্য, মাত্র ২০ টাকায় ১ বোতল “তিব্বত” গ্লিসারিন ও মাত্র ১০ টাকায় ছোট ১টি “ভ্যাসলিন” পেট্রোলিয়াম জেলি কিনে নিবেন। শীতকাল সহ বছরের যেকোনো সময়, রাতে ঘুমুতে যাবার আগে প্রতিদিন পা ভালো করে ধুয়ে, অল্প একটু গ্লিসারিন ও ভ্যাসলিন মেখে ম্যাসাজ করে নিবেন। শীতকালেও একইভাবে পায়ের যত্ন নিবেন। খালি খেয়াল রাখতে হবে, ম্যাসাজ করা শেষে সুতি মোজা পরে ঘুমুতে যেতে হবে।
শীতকালীন ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রতিদিন নিয়মিত খান।
পা ফাটা প্রতিকারের কিছু পদক্ষেপঃ ১. খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় পা মোজা দিয়ে ঢেকে রাখুন। ২. ঘরের ভেতরে মেঝেতে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। ৩. শীতকালে গোড়ালি ঢাকা ও আরামদায়ক জুতা পরার চেষ্টা করুন। ৪. শীতকালীন বেশি বেশি শাকসবজি খান। ৫. শীতকালে অনেকেরই পানি পানের পরিমাণ কমে যায়। সেক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে। ৬. প্রতিদিন গোসল বা অজুর সময় পা ভেজানোর পর শুকনো তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। ৭. গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন। ৮. সপ্তাহে অন্তত এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন। ৯. গামলায় লেবুর রসমিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে পা ঘষে মৃত কোষ ফেলে দিন। লেবুর রসে যে অ্যাসিটিক অ্যাসিড আছে তা মৃত কোষ ঝরতে সাহায্য করবে। তারপর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন। ১০. জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
শীতকালে অনেকেরই পা ফেটা যায়। পা সবসময় পরিষ্কার রাখুন এবং দিনে কয়েকবার করে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন। দেখবেন অনেকটাই কমে গেছে।
ভেজিটেবল অয়েল সাধারণত পায়ের গোড়ালি শুষ্ক হয়ে গেলে গোড়ালি ফেটে যায়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে নিচের পদ্ধতি খুবই কার্যকরী। প্রথমে পা পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় ভেজিটেবল অয়েল লাগিয়ে একজোড়া মোটা মোজা পরে সারারাত রেখে দিতে হবে। সকালবেলা কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিলেই গোড়ালির ফাটল কমে আসবে। কলা দিয়ে তৈরি মাস্ক একটি পাকাকলা চটকে নিয়ে পুরো পায়ে এবং গোড়ালিতে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এছাড়া কলার সঙ্গে অ্যাভোকাডো মিশিয়েও মাস্ক তৈরি করা যায়। একটি পাকাকলার সঙ্গে অর্ধেক অ্যাভোকাডো ফল বা খানিকটা নারিকেলের শাঁস ব্লেন্ড করে ঘন পেস্ট করে নিতে হবে। তারপর সেটা গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় লাগিয়ে নিতে হবে। অ্যাভোকাডো ফল ও নারিকেলে আছে প্রয়োজনীয় তেল, ভিটামিন ও চর্বি। তাই এসব উপাদানের তৈরি পেস্ট পায়ে লাগালে গোড়ালি থাকবে মসৃণ ও কোমল। ভ্যাসলিন ও লেবুর রস গোড়ালি পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম পানিতে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ১ টেবিল-চামচ ভ্যাসলিন ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এই মিশ্রণ শুকনা পা ও গোড়ালির ফেটে যাওয়া স্থানে ত্বক শুষে না নেওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে। এই মিশ্রণ রাতে ঘুমানোর আগে লাগিয়ে একজোড়া পশমের মোজা পরে নিলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। পশমের মোজা শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখবে এবং এতে মিশ্রণটির কার্যকারীতে বাড়াবে। সকালে উঠে ভালো মতো ধুয়ে ফেলতে হবে।