4 Answers

জেনে নেয়া যাক দেহের উচ্চতা বাড়াতে কী কী কাজ করা উচিত। ১) পরিমিত পরিমাণে ঘুম ও বিশ্রাম আমরা সকলেই জানি ঘুমের সময় আমাদের দেহ গঠনের টিস্যুগুলো কাজ করে। এরফলে আমাদের উচ্চতা ও শারীরিক গঠন বৃদ্ধি পায়। হিউম্যান গ্রোথ হরমোন প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের দেহে উৎপন্ন হতে থাকে যখন আমরা পরিমিত পরিমাণে ঘুমাতে পারি এবং বিশ্রাম নিতে পারি। তাই বয়স অনুযায়ী ৮-১১ ঘণ্টা ঘুম ও বিশ্রাম দেয়ার চেষ্টা করুন নিজেকে। প্রাকৃতিক উপায়ে এটিই সবচাইতে ভালো পদ্ধতি উচ্চতা বৃদ্ধি করার। ২) নিয়মিত ব্যায়াম এবং খেলাধুলা ছোটবেলা থেকেই যারা অনেক বেশি খেলাধুলা করে থাকে এবং সুঠাম দেহের অধিকারী হয় তাদের উচ্চতা অন্যান্যদের তুলনায় একটু বেশি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এছাড়াও সাতার, আরোবিক্স, টেনিস, ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবলের মতো খেলার মাধ্যমে ও হাঙ্গিং, স্ট্রেচিং ধরণের ব্যায়াম দেহের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক। কারণ যারা অনেক বেশি খেলাধুলা এবং ব্যায়াম করেন ও যারা সুঠাম দেহের অধিকারী তারা স্বভাবতই একটু বেশি এবং পুষ্টিকর খাবার খান। এতে করে দুটো ব্যাপারই কাজ করে উচ্চতা বৃদ্ধিতে। ৩) যোগব্যায়াম যোগব্যায়ামের অভ্যাস উচ্চতা বৃদ্ধিতে বেশ ভালো ভূমিকা পালন করে থাকে। যোগব্যায়াম আমাদের দেহে ঘুমের সময় যে গ্রোথ হরমোনের নিঃসরণ ঘটায় তা উৎপন্ন করে এবং আমাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ট্রাইঅ্যাঙ্গেল পোজ, কোবরা পোজ, মাউন্টেইন পোজ, প্লিজেন্ট পোজ, ট্রি পোজ ইত্যাদি ধরণের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভাবে সহায়ক। ৪) দেহের সঠিক অঙ্গবিন্যাস হাঁটাচলা করা এবং বসার সময় সঠিকভাবে ঘাড় ও মেরুদণ্ড সোজা রেখে হাঁটা ও বসা এবং শোয়ার সময় ঘাড় বেশি বাঁকা না করে মেরুদণ্ডের প্রায় সমান্তরালে রাখার মতো অঙ্গবিন্যাসও উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ৫) সুষম খাদ্যাভ্যাস উচ্চতা বৃদ্ধিতে সব চাইতে সহায়ক হচ্ছে সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস। পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার দেহের হাড় ও কোষের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ভিটামিন ডি আমাদের দেহে গ্রোথ হরমোন উৎপন্ন করে, ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন এবং হাড় মজবুত করে, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কার্বোহাইড্রেট কোষ গঠন ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়াও খাবার হজম এবং পুরো দেহে পুষ্টি পৌঁছানোর ব্যাপারটিও উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই সুষম খাবার নিয়মিত খাবার চেষ্টা করুন। ৬) উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন জাংক ফুড, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, কার্বোনেটেড ড্রিংকস, অতিরিক্ত চিনি ইত্যাদি ধরণের খাবার, ধূমপান ও মদ্যপান করার অভ্যাস, রাতে না ঘুমানো ইত্যাদি আমাদের দেহে গ্রোথ হরমোন তৈরিতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। বিশেষ করে ধূমপান এবং মদ্যপানের অভ্যাস যদি বাবা- মায়ের থেকে থাকে তবে তার প্রভাব সন্তানের উপরেও পড়ে। তাই এইসকল কাজ থেকে বিরত থাকুন।

3750 views

১০ উপায়ে তুলে ধরুন নিজের উচ্চতা 'সুন্দর মুখশ্রী সেই সাথে একহারা লম্বা গড়ন' বা 'দেখতে শুনতে অনেক আকর্ষণীয় সেই সাথে মানানসই উচ্চতা'- কথাগুলো অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করে বলার চাইতে অন্য কেউ যদি আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলে তবে শুনতে কতই না ভাল লাগে। চেহারা বা শারীরিক বৈশিষ্ট্য আকর্ষণীয় করে তুলে ধরতে আছে নানা রকম ব্যবস্থা, নানান রকম সাজ সজ্জার বাহার। কিন্তু সমস্যায় পড়তে হয় যখন আপনার উচ্চতাটা হয় না মন মতন, তাই না? নারী বা পুরুষভেদে কম উচ্চতার মানুষেরা উঁচু জুতা বা স্যান্ডাল পরে উচ্চতা বৃদ্ধি করতে পারলেও সেটা হয় সাময়িক। আর আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে যেহেতু পরিবেশ ও বংশগত কারণে উচ্চতা খুব একটা বেশি হয় না তাই লম্বা হওয়া নিয়ে কমবেশি সকলের মাঝেই থেকে যায় কিছুটা আক্ষেপ। মজার ব্যাপার হলো আপনি কতটুকু লম্বা হবেন তা কিন্তু আপনার বংশগতি থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে। তার সাথে প্রভাব থাকে আপনার আশেপাশের পরিবেশের। আপনার পূর্বপুরুষ এবং আশেপাশের মানুষের বংশগতভাবে চলে আসা উচ্চতার ধারা যদি খুব একটা বেশি না হয়, সেক্ষেত্রে আপনার উচ্চতা খুব একটা বেশি হবার সম্ভাবনা বেশ কিছুটা কমে আসে। এছাড়াও একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে মানুষের স্বাভাবিক বৃদ্ধির বন্ধ হয়ে যায়, ফলে উচ্চতা আর বৃদ্ধি পায়না। আপনি যখন সেই বয়সটি অতিক্রম করে যাবেন তখন উচ্চতা বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যাবে। সাধারণত বলা হয়ে থাকে ২৫ এর পরে শারীরিক বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। এসকল বিষয় মূলত দায়ী আপনার উচ্চতা কত হবে তার জন্য। তবে আপনি যদি উচতায় কম হন এর মানে এই নয় যে আপনি আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি করতে পারবেন না। কিছু অভ্যাস ত্যাগ ও গ্রহন করে সেই সাথে নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করে বাড়িয়ে নিতে পারেন আপনার উচ্চতা। আসুন জেনে নেই কিভাবে উচ্চতা বাড়াতে পারেন সে সম্পর্কে- ১) খেতে হবে সুষম খাদ্যঃ উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে খাবারের প্রতি। খেতে হবে সুষম খাদ্য যাতে থাকবে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন, মিনারেল, স্নেহ জাতীয় পদার্থের সঠিক অনুপাত। দেহ সঠিকভাবে পুষ্টি পেলেই একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। ২) নিয়মিত খান ক্যালসিয়ামঃ খেতে হবে দুধ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের গঠনতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করে আপনাকে দিবে সুন্দর দৈহিক গঠন। আপনার দৈহিক গঠন সুন্দর হলে আপনাকে লম্বা দেখাবে। ৩) নিতে হবে বিশ্রামঃ উচ্চতা বাড়ানোর জন্য সঠিক পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াটাও সমপরিমাণে অপরিহার্য। ঘুমের মাঝে শরীর দ্রুত বৃদ্ধি পায়, সেই সাথে শারীরিক সব ত্রুটি মেরামত হয়ে থাকে ঘুমের মাঝেই। তাই প্রত্যেক ব্যক্তির, বিশেষ করে কম বয়সীদের উচিৎ গড়ে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে বিশ্রাম নেয়া। ৪) নিয়মিত ব্যায়াম করুনঃ উচ্চতা বাড়ানোর অন্যতম ভাল উপায় হল নিয়মিত ব্যায়াম করা। ব্যায়াম বা খেলাধূলা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রথমে শুরু করতে পারেন বেশ কিছু স্ত্রেচিং দ্বারা। ধীরে ধীরে ব্যায়ামের মাত্রা বাড়িয়ে নিন। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের বিভিন্ন জোড়াগুলোতে ভাল প্রভাব পড়ে ফলে উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ৫) ত্যাগ করুন বদভ্যাসঃ শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এমন বদভ্যাস দ্রুত ত্যাগ করুন। মাত্রাতিরিক্ত চা বা কফি কোনটাই খাবেন না। এগুলো শরীরের উপরে বাজে প্রভাব ফেলে যা পরবর্তীতে আপনার উচ্চতা বৃদ্ধিতে বাধার সৃষ্টি করতে পারে। ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তাও ত্যাগ করতে হবে। বোতলজাত জুস ও কোমলপানীয়ও আপনার শরীরের একইভাবে ক্ষতি সাধন করে। তাই এগুলোও ত্যাগ করা বাঞ্ছনীয়। এসবের বদলে খেতে পারেন গ্রিন টি বা তাজা ফলের জুস। এতে পাবেন আপনার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সেই সাথে ক্ষতির ভয় থাকবেনা এসব গ্রহন করলে। ৬) খেতে হবে বুঝে শুনেঃ খাবার সময় বেছে চলার চেষ্টা করবেন। এমন খাদ্য গ্রহন করবেন না যা আপনার শারীরিক বৃদ্ধির উপরে চাপ ফেলে। যেমন অতিরিক্ত রেড মিট গ্রহন করা খুব ক্ষতিকর। সেই সাথে তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার আপনার শারীরিক বৃদ্ধিতে বাজে প্রভাব ফেলে তাই এসব যতটা সম্ভব ত্যাগ করাই ভাল। ৭) চর্চা করুন শ্বাসপ্রশ্বাসেরঃ স্বাভাবিক নয়, শ্বাস নিন গভীরভাবে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, গভীরভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহন ও বর্জন করলে তা শারীরিক নানা জটিলতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে অনেকাংশেই। যেহেতু সব সময় গভীরভাবে শ্বাস নেয়া সম্ভব নয় তাই দিনের যেকোনো একটি সময় নির্বাচন করে গভীরভাবে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার ব্যায়াম করুন। চাইলে মেডিটেশন করতে পারেন কারণ মেডিটেশনও একই ফল দেয়। ৮) সঠিক দেহভঙ্গিঃ যদি আপনার বয়স ২৫ অতিক্রম করে থাকে এবং নিজের উচ্চতা আপনার কাছে যথেষ্ট বলে মনে না হয় তবে মন খারাপ করে বসে যাবেন না। আর সবার মত আপনিও নিজেকে লম্বা হিসেবে তুলে ধরতে পারেন। এ জন্য দরকার শুধু একটু মাথা খাটানোর। আপনার দেহভঙ্গির প্রতি নজর দিন। ঘাড় ও পিঠ সোজা করে হাঁটুন। বসার সময়েও সোজা হয়ে বসুন। মাথা সোজা রাখুন। কুঁজো হয়ে ও নিচু হয়ে হাটা বা বসার অভ্যাস থাকলে নিয়মিত সোজা হয়ে চলাফেরা ও বসার চর্চা চালিয়ে যান। আপনার দেহভঙ্গি উদ্ধত হলে আপনাকে দেখতে লম্বা দেখাবে। ৯) কমিয়ে নিন ওজনঃ আপনার ওজন বেশি থাকলে কিন্তু আপনাকে খাটো দেখাবে। সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে নিয়ম মেনে ওজন কমিয়ে নিন। ওজন কমে গেলে আপনাকে অনেকটাই লম্বা দেখাবে। ১০) পোশাক নির্বাচনঃ আপনার নিজের উচ্চতাকে বাড়িয়ে তুলে ধরতে যে জিনিসটি সব থেকে বেশি কাজ করবে তা হল আপনার সাজপোশাক। সঠিক পোশাক নির্বাচন করতে পারলে তা আপনাকে দিতে পারে লম্বা হবার অনুভূতি। মেয়েদের ক্ষেত্রে শাড়ি পরলে স্ট্রাইপ, ও ছোট প্রিন্টের মধ্যে জর্জেট, লিলেন, শিফন ইত্যাদি বেছে নিন ভারি কাজ করা শাড়ির বদলে। সালোওয়ার কামিজ ও ফতুয়ার ক্ষেত্রে লম্বা ও বডি হাগিং ধাঁচের হলে ভাল লাগবে। রঙ হিসেবে গাঢ় রঙ বেছে নিতে পারেন। পায়ে থাকতে পারে হিল জাতীয় জুতা বা স্যান্ডাল। পুরুষদের জন্য জুতা হতে পারে হিল সমৃদ্ধ। সাথে শার্ট হতে পারে টাইট ফিটিঙের। পরতে পারেন স্ট্রাইপ ও চেক। মোটাদের ক্ষেত্রে কাপড় কিছুটা ঢিলা এবং লম্বা মাপের হল ভাল লাগবে। এতে মোটাভাব ঢেকে গিয়ে শুকনা ও লম্বা দেখাবে।

3750 views

আপনার উচ্চতা বাডাতে নিয়মিত সুষম খাবার খান। ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমান।২থেকে ৩ ইন্ঞি উচ্চতা বাডাতে হারবাল জাতীয় ঔষধ খেতে পারেন। তাছাডা উচ্চতা বাডানোর জন্য বিশেষ জুতা পাওয়া যায় তা চাইলে ব্যবহার করতে পারেন।

3750 views

উচ্চতা বাড়াতে খেতে হবে দুধ ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের গঠনতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করে আপনাকে দিবে সুন্দর দৈহিক গঠন। আপনার দৈহিক গঠন সুন্দর হলে আপনাকে লম্বা দেখাবে।এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম ও খেলাধুলা করবেন তাহলে উচ্চতা বাড়বে।

3750 views

Related Questions