1 Answers
প্রথমতঃ আল্লাহর কাছে খাস দিলে তওবা করতে হবে এবং কান্নাকটি করে মাফ চাইতে হবে । মনে কঠিন সংকল্প করতে হবে এবং সব সময় এই সংকল্প নতুন করে যাচাই করতে হবে ও আওড়াতে হবে । দ্বিতীয়তঃ পাচ ওয়াক্ত নামাজ সহিহ সুন্দর করে জামাতে পড়ার চেষ্টা করতে হবে এবং নামাযের পাবন্দী করতে হবে । নামায নিয়মিত হলে তা মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে । আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, ইন্নাস সালাতা তানহা আনিল ফাহশা-ই ওয়াল মুনকার । ‘নিশ্চয়ই নামায অশ্লীল ও মন্দ কাজ হতে বিরত রাখে ।’ অর্থাৎ নামাযের হক আদায় করে ব্যাক্তিগত ও সমাজ জীবনে নামায প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে সমাজ থেকে যাবতীয় অশ্লীল ও অন্যায় কাজ দূর করার জন্য চেষ্টা ও সাধনা করতে হবে । তৃতীয়তঃ সব সময় আল্লাহ যিকিরে থাকতে হবে । মনে মনে সব সময় আল্লাহকে স্মরণ রাখতে হবে । যখন যে অবস্হায় থাকা হয় না কেন মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ সব কিছু দেখেছেন এবং তিনি হাশরের ময়দানে সবকিছুর হিসাব নিবেন । এবং পাপের জন্য কঠিন শাস্তি দিবেন । চতুর্থতঃ সময় সুযোগ করে তাবলীগে সময় দিলে মানুষের মনের অনেক পরিবর্তন হয় এবং দিলের মধ্যে নূর পয়দা হয় । নিয়মিত প্রতিমাসে তাবলীগে সময় দিলে মানুষ খারাপ কাজ ত্যাগ করে ধার্মিক মানুষে পরিণত হয় । সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ মানুষের মধ্যে ঈমান বৃদ্ধি করে । তাই মাঝে মাঝে সকলেরই তিনদিন, দশদিন , চিল্লা ও তিন চিল্লা দেওয়া উচিত ।