1 Answers
বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের টমেটো আছে। তবে তাঁর মধ্যে তিনটি ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছেঃ
(১) আগাম জাতঃ বারি টমেটো ৪, বারি টমেটো ৫, রোমা ভিএফ, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে, ডেল্টা এফ ১, উন্নয়ন এফ ১, পুষারুবী, নিউ রূপালী এফ ১ ইত্যাদি।
(২) ভরা মৌসুমী জাতঃ মানিক, রতন, বারি টমেটো ৩, বারি টমেটো ৬, বারি টমেটো ৭, বারি টমেটো ৯, বাহার, মহুয়া ইত্যাদি জাতকে বেছে নেয়া যেতে পারে।
(৩) নাবি শীত মৌসুমী জাতঃ বাহার, রোমা ভিএফ, রাজা, সুরক্ষা ইত্যাদি জাত নাবি চাষের জন্য ভাল। তাছাড়া, সারা বছর চাষের উপযোগি জাতঃ বারি টমেটো ৬(চৈতী) চাষ করা যায়।
টমেটো সাধারণত সেপ্টেম্বর মাস থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে বীজ বুনতে হয় এবং অক্টোবর মাস অথবা নভেম্বর মাসে এই বীজ থেকে চারা রোপন করা যায়। বীজ বোনা থেকে শুরু করে গাছের প্রথম ফল পাকা পর্যন্ত কমপক্ষে ১০০ দিন লাগে এবং ফলধারণ জাতভেদে ৩০-৬০ দিন স্থায়ী হয়।
টমেটো গাছ রোপনের ক্ষেত্রে এক একটি পাত্রে আলাদা আলাদা ভাবে লাগাতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে গাছে যেন পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকে। টমেটো গাছ মাটি থেকে প্রচুর পুষ্টি উপাদান শুষে নেয়। তাই গাছে নিয়মিত পানি দিতে হবে। তবে অতিরিক্ত পানি দেয়া যাবে না, এতে গাছের গোড়া পঁচে যাবে।
টমেটো গাছে সাধারণত জৈব সার বেশী ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ গোবর সার, কম্পোস্ট, রান্নাঘরের সবজির খোসা, ডিমের খোসা জাতীয় জিনিসগুলো ব্যবহার করুন সার হিসেবে। এছাড়া অজৈব সার হিসেবে ইউরিয়া, টিএসপি সার দিতে পারেন।
টমেটো গাছ একটু বড় হলে গাছটিকে একটি শক্ত কাঠির সাথে বেধে দিতে হবে । নিচের পূরানো পাতা এবং কিছু ডাল ফেলে দিতে হবে, যাতে গাছটি বেশী ঝোপড়া না হয়ে যায়। টমেটোর ফল পাকার পর লাল রঙ ধারণ করে, সেই সময়ে ফল সংরক্ষণ করতে হয়। এছাড়া ফলের নিচে ফুল ঝরে যাওয়ার পর যে দাগ থাকে, ঐ স্থান থেকে লালচে ভাব শুরু হলেই ফল সংগ্রহ করা যাবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy