2 Answers
পৃথিবীতে এই কাজটিই সবথেকে কঠিন কাজ গুলোর একটা, যে কিভাবে নিজেকে চিনব এবং জানব। আমরা অনেকেই এই ব্যপারে অজ্ঞ থেকে যাওয়ার কারনেই আমরা অনেক সময় সঠিক সুযোগকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই। তবে যারা নিজেকে চিনতে বা জানতে পারেন তারা খুব সহজেই সফলতা সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকেন। নিজেকে চিনতে বা জানতে পারার অর্থ হল নিজের দূর্বলতা এবং ক্ষমতা গুলোকে পৃথক করা। এটার জন্য আমাদের কে প্রথমেই যেতা করতে হবে তাহল আমাদের কোথায় কোথায় দূর্বলতাগুলো আছে তা খতিয়ে দেখতে হবে এবং চিহ্নিত করতে হবে। আর সেই সাথে কোথায় কোথায় আমাদের সক্ষমতা আছে সেটা কেউ চিহ্নিত করতে হবে। আর এটা করলেই আপনি নিজেকে চিনতে পারবেন, এবং আপনার নিজের সক্ষমতা এবং দূর্বলতা অনুসারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন যে কোন কাজে অগ্রসর হওয়া উচিত আর কোন টায় নয়, আর এইভাবেই আপনি ও সফলতার সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকবেন।
নিজেকে পুরোপুরিভাবে চিনতে ও জানতে হলে প্রথমেই আপনি চিন্তা করুনঃ কেন আমাকে এই পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে? এত মানুষের ভীড়ে আমাকে না প্রেরণ করলেও তো চলত। যদি আমাকে কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রেরণ করা হয়, তাহলে কী সেই উদ্দেশ্য? আর আমি কি সেই উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কাজ করছি, নাকি অবহেলায় সময় নষ্ট করছি?
এছাড়াও, নিজেকে জানতে হলে প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের প্রয়োজন। তবে অবশ্যই সেটা নির্দিষ্টভাবে হতে হবে। বেশির ভাগ সময় আপনার একটি পথ নির্দেশক প্রয়োজন, সে হতে পারে আপনার নিজস্ব ধর্ম অভিজ্ঞ ব্যক্তি। যিনি এ সম্পর্কে সুষ্পষ্ট জ্ঞান রাখেন। কারণ ধর্ম থেকেই এই বিষয় সম্পর্কে ভাল ও সঠিক ধারনা লাভ করা সম্ভব।
বিজ্ঞান এর তেমন কোন শক্তিশালী ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। বিজ্ঞান তারই ব্যাখ্যা দেয় যা দেখা যায়, সংরক্ষণ করা যায়, পর্যবেক্ষন করা যায়, আলাদা করে রাখা যায় এবং ব্যাখ্যা করা যায়। নিজেকে জানা এটা সত্যিকার অর্থে অনুভব করার বিষয়। শুধুই অনুভবে কাজটি করতে সঠিক পথ নিদের্শক চিহ্নিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সঠিক পথ নির্দেশক ছাড়া এটার পরিচয় জ্ঞান লাভ করা দুঃসাধ্য। সর্বোপরি, নিজেকে জানতে হলে পরিশুদ্ধ জীবনের নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে।
সোর্সঃ এখানে দেখুন।