আমি খুব কষ্ট আছি। আল্লাহ কেন আমাকে কষ্ট দেন?আমার কষ্ট দুর করেন না কেন  এই ভেবে রাগের মুহূর্তে আমি আল্লাহ ও নবীজী কে গালি দেই (না-য়ু-যুবিল্লাহ)। তার জন্য কতটুক গুনাহ হবে? আমি তাওবা করতে চাই। কিভাবে করবো? 
2760 views

2 Answers

ছবির শর্তগুলো মেনে তাওবা করবেন।আল্লাহ ও রাসূলকে গালি দেওয়ায় আপনাকে আল্লাহর প্রতি পুনরায় ঈমান আনতে হবে। কালেমা পড়ে নামজ পড়ে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দদরবারে তাওবা করেন আল্লাহ ক্ষমাশীল। image

2760 views

“আর তোমরা তাদেরকে গালমন্দ করো না, আল্লাহ ছাড়া যাদেরকে তারা ডাকে, ফলে তারা গালমন্দ করবে আল্লাহকে, শত্রুতা পোষণ করে অজ্ঞতাবশত। এভাবেই আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য তাদের কর্ম শোভিত করে দিয়েছি। তারপর তাদের রবের কাছে তাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর তিনি জানিয়ে দেবেন তাদেরকে, যা তারা করত।” (সুরা আনআম, আয়াত নং ১০৮)

এ নির্দেশ মন্দের উপায়-উপকরণের পথ বন্ধ করার নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ, কোন বৈধ কাজ করলে যদি তা কোন অন্যায়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সেই বৈধ কাজকে ত্যাগ করা উচিত। ইমাম শাওকানী লিখেছেন যে, এই আয়াত হল মন্দের উপকরণসমূহ বন্ধ করার মূল নীতির উৎস। (ফাতহুল ক্বাদীর)

সুতরাং আপনি তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে কেন গালি দিতে যাবেন? যেখানে কোনো আলেমকে গালি দিলে সে মুরতাদ (বেঈমান) হয়ে যায়, তার মধ্যে তখন কোনো ঈমানই থাকে না। সে জায়গায় যদি আপনি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে গালি দেন, তাহলে আপনার ঈমানের কী অবস্থা হয়, সেটা কি আপনি কখনো ভেবে দেখেছেন?

একটি কথা মনে রাখবেনঃ আল্লাহ যার ভাল চান, কেবলমাত্র তাকেই কষ্টের মধ্যে আপতিত করেন। এক কথায়, আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের জানে-মালে বিপদ আপদ দিয়ে পরীক্ষা করেন। পবিত্র কুরআনের এরশাদঃ “আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব (কষ্ট) কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও।” (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৫)

জনাব! তাই পরিশেষে আপনাকে আমি এটা বলতে পারি যে, আপনি নতুন ভাবে কালেমা পড়ে আল্লাহর কাছে খুব কান্নাকাটি করুন। চাইলে তিনি মাফ করে দিতে পারেন৷ কেননা, “নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা অধিক তওবা কবুলকারী এবং পরম দয়ালু।” (সুরা হুজরাত, আয়াত নং ১২)

2760 views

Related Questions